উদ্দীপক-১ অংশের শফির মধ্যে যে বুধাকে পাই তার স্বরূপ বিশ্লেষণ করলে সেখানে ঘর-সংদ্রহীন এক এতিম কিশোরের সন্ধান পাওয়া যায়।
আমাদের সমাজে এমন অনেকে আছে যাদের আপন বলতে কেউ নেই। যারা সব হারিয়ে উদাসীনতায় নিমজ্জিত হয়েছে। তারা জীবনের লক্ষ্য স্থির করতে না পেরে ছন্নছাড়ার মতো পথে পথে ঘুরে বেড়ায়। তাদের কোনো বন্ধন নেই।
উদ্দীপকের শফির মধ্যে এক ছন্নছাড়া কিশোরের সন্ধান পাওয়া যায়। তার কোনো বন্ধন নেই, কোনো বাধা নেই। মাঠ-ঘাটে, বনে-বাদাড়ে সে নির্বিকার ঘুরে বেড়ায়। সমস্ত গ্রামটিই যেন তার আপন। 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের বুধাকেও এমনই জীবনযাপন করতে দেখা যায়। এক রাতের কলেরায় বাবা-মা, ভাই-বোনদের হারিয়ে সে হয়ে পড়ে একা। দারিদ্রের কারণে চাচিও তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। সে যা পায় তাই খায়। যেখানে ইচ্ছে হয় ঘুমায়। মূলত সে ছন্নছাড়া এক আত্মভোলা কিশোর।
উদ্দীপকের ১-অংশে শফির মধ্যে যে বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় তার সঙ্গে বুধার ছন্নছাড়া ও উদাসী মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায়। বুধা 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। সে ছেলেবেলায় বাবা-মা, ভাই-বোনকে হারিয়ে ঘর-সংসারহীন এক এতিম। আত্মীয়-পরিজনহীন হয়ে গ্রামময় ঘুরে বেড়ায়। সবার কাজ করে দেয়। কেউ খেতে দিলে খায় নয়তো শুধু পানি খেয়ে যেখানে সুযোগ পায় ঘুমিয়ে পড়ে। তাই বলা যায় যে, শফির মধ্যে যে বুধাকে পাওয়া যায় সে সংসার উদাসী এতিম কিশোর।
সারকথা: উদ্দীপকের শফি ঘর-সংসারহীন এক এতিম কিশোর। এর মাঝেই আমরা উপন্যাসের ছন্নছাড়া ও আত্মভোলা বুধাকে
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!