বার্মায় ভিক্ষুদের খুব সম্মানের চোখে দেখা হয়।
'গ্লাভস পরে হাত ধোয়ার অবস্থা' বলতে লেখক বিদ্যুৎ চলে গেলে ফ্যান থাকা না থাকার সমান- এই দিকটি বোঝাতে চেয়েছেন।
লেখক ইউনাইটেড হোটেলে জায়গা না পেয়ে একটা চতুর্থ শ্রেণির হোটেলে যান। সেখানে যেমন অপরিচ্ছন্ন তেমনই দুর্গন্ধ। বিছানায় চষা জমির মতো উঁচু-নিচু তোশক। মাথার উপরে ফ্যান আছে কিন্তু রাত নয়টার পর বিদ্যুৎ থাকবে না। এ অবস্থাকে লেখক গ্লাভস পরে হাত ধোয়ার মতো অবস্থা বলে বর্ণনা করেছেন।
১ নম্বর উদ্দীপক 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির লেখকের অভিজ্ঞতা, সেখানকার মানুষের সংস্কৃতি, ব্যাবসা-বাণিজ্যে, প্রাকৃতিক দৃশ্য ইত্যাদি দিক প্রকাশ পেয়েছে।
অজানাকে জানার, অচেনাকে চেনার, নিত্যনতুন বিষয় দেখার আকাঙ্ক্ষা মানুষের চিরন্তন। ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে যথার্থ জ্ঞান অর্জন করতে পারে।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক মিয়ানমারে ভ্রমণের অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন। মংডুর মানুষের পোশাক-পরিচ্ছদ, ব্যাবসা-বাণিজ্য, সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেছেন। এই দিকটি প্রকাশিত হয়েছে ১ নম্বর উদ্দীপকে নাবিল তার বাবা-মায়ের সাথে কক্সবাজার ভ্রমণে এসেছে। সেখানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে সে মুগ্ধ হয়েছে। সেখানকার বিভিন্ন স্থান, মানুষজন, হাটবাজার, নানা রকম পণ্য ইত্যাদি দেখে নতুন নতুন অভিজ্ঞতা লাভকরেছে। যেটা 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির লেখকের অভিজ্ঞতারই বহিঃপ্রকাশ। রচনার এ দিকটিই উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপক ২-এর খাসিয়া ও 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির মিয়ানমারবাসীর মধ্যে নানাবিধ ঐক্য বিদ্যমান। মন্তব্যটি যথার্থ।
সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার দিকে লক্ষ করলেই একটি দেশের জীবনাচরণের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য অনুধাবন করা যায়। সামান্য মিল হয়তো চোখে পড়বে তবে অমিলের ভাগই বেশি। প্রতিটি দেশের নাগরিকরা তাদের ঐতিহ্য-সংস্কৃতি অনুযায়ী আচার-ব্যবহার, পোশাক-পরিচ্ছদ নির্ধারণ করে।
উদ্দীপকে ২-তে খাসিয়া জনগোষ্ঠীর জীবনাচরণে দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। তাদের চাষাবাদ ব্যাবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি দিকের বর্ণনা রয়েছে। মেয়েরা 'কাজিম পিন' নামক ব্লাউজ ও লুঙ্গি পরে এবং ছেলেরা পকেট ছাড়া শার্ট পরে। 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে মিয়ানমারবাসীর জীবনাচরণ ও পোশাক-পরিচ্ছদের যে বর্ণনা রয়েছে উদ্দীপকের খাসিয়াদের জীবনাচণের সাথে তার অনেক মিল রয়েছে।
মিয়ারমারের মানুষের পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভ্যাসে এবং ব্যাবসা-বাণিজ্যের যে বর্ণনা রয়েছে তার সাথে উদ্দীপক ২ এবং খাসিয়াদের ঐক্য পরিলক্ষিত হয়। কেননা মিয়ানমারের মেয়েরা লুঙ্গি পরে, ব্যাবসা করে যা খাসিয়া মেয়েরাও করে থাকে। এসব দিক বিবেচনায় বলা যায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allসেলাইবিহীন লুঙ্গির মতো বস্তুটির নাম চীবর।
"ব্যান্ডেল রোড তাদের স্মৃতি বহন করছে" বলতে পাদরি ও পর্তুগিজদের বসবাসের স্মৃতির কথা বোঝানো হয়েছে।
মংডু টেকনাফের ওপারে, মাঝখানে নাফ নদী। এটি পার হয়ে ব্রিটিশ যুগের বহু আগে থেকেই চট্টগ্রামে অনেকে এসেছেন। পাদরি মেস্ট্রো সেবাস্টিন মানরিক সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এ পথে আসেন। তারও একশ বছর আগে পর্তুগিজরা চট্টগ্রামে বসতি স্থাপন করে। তারা নিজেদের বসতির জায়গাকে ব্যান্ডেল বলত। মংডু ও চট্টগ্রামের যোগাযোগের মাধ্যম রাস্তাটি অর্থাৎ ব্যান্ডেল রোডটি সেই পাদরি ও পর্তুগিজদের স্মৃতি বহন করছে।
উদ্দীপক-১-এ 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম নারকেল গাছ এবং মংডুদের খাবারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
প্রতিটি দেশে সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। তবে ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ নিজের দেশের সাথে ভ্রমণরত দেশের সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য বুঝতে পারে।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে দেখা যায়, মংডুর অধিবাসীদের বাড়ির সামনে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে নারকেল গাছ। বাড়ির সামনের নারকেল গাছটির গোড়ার দিকে মাথা সমান উঁচুতে রয়েছে অর্কিড। তাতে রঙিন ও সাদা ফুল ফোটে। উদ্দীপক-১ এ শ্রীলংকার অস্তিত্বের সঙ্গে নারকেলের জড়িয়ে থাকার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। উদ্দীপক-১-এ নারকেলতেল ছাড়া শ্রীলংকানরা রান্না করে না এবং রান্নায় প্রচুর মসলা এবং লাল মরিচ ব্যবহার করে। এই বিষয়টি চাকমা-মারমারা যে ধানিলঙ্কা পুড়িয়ে নুন ও পেয়াজ দিয়ে ভর্তা করে, ভ্রমণকাহিনির সেই বিষয়ে বর্ণনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপক-১ এ 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিষয়টি এবং খাবারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
আলাওলের শ্রেষ্ঠ রচনা 'পদ্মাবতী'।
"লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা- এই তিন নিয়ে মিয়ানমার।"ー উক্তিটি দ্বারা লেখক বুঝিয়েছেন যে, মিয়ানমারের সর্বত্রই লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা দেখা যায়।
মিয়ানমারের নারী-পুরুষ সবাই লুঙ্গি পরে। মেয়েরা লুঙ্গির সাথে ব্লাউজ পরে, আর পুরুষরা লুঙ্গির সাথে জামা পরে। ফুঙ্গিরা হলেন বৌদ্ধ ভিক্ষু। তাদের পেশা হলো ভিক্ষা করা এবং ধর্ম প্রচার করা। আর প্যাগোডা হলো বৌদ্ধদের প্রার্থনার স্থান। মিয়ানমারে এগুলো বেশি রয়েছে এবং বেশি দেখা যায়। তাই আলোচ্য কথাটি লেখক বলেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!