উদ্দীপক : আয় আর একটি বার-
আয়রে সখা প্রাণের মাঝে আয়
মোরা সুখের দুখের কথা কব
প্রাণ জুড়াবে তায়-

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

চতুর্দশপদী কবিতার ষটকে ভাবের পরিণতি বা সমাধান থাকে এবং এতে সাধারণত শেষ ছয়টি চরণে কবির মূল বক্তব্য প্রকাশ পায়।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবাসে বসে তার শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদের কথা স্মরণ করেছেন। নিজের জন্মভূমি থেকে অনেক দূরে থাকলেও কবি মনের কানে শুনতে পান কপোতাক্ষ নদের অবিরাম কলকল ধ্বনি।

বস্তুত, এটি কবির শ্রুতিবিভ্রম বা ভুল উপলব্ধি। বাস্তবে এই ধ্বনি শোনা সম্ভব নয়, এটি কেবল স্মৃতিকাতরতা ও নদীর প্রতি গভীর ভালোবাসার ফল। 'ভ্রান্তির ছলনে' বলতে কবি তার এই মিথ্যা উপলব্ধিকে বুঝিয়েছেন, যা তার প্রবাস জীবনের বিষণ্ণতা জুড়াতে এবং মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে একজন প্রিয়জনের সান্নিধ্য ও অন্তরঙ্গতা কামনার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে প্রিয়জনের সাথে সুখ-দুঃখের কথা বলে প্রাণে শান্তি লাভের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে, যা গভীর মানসিক টান ও আত্মিক সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়। এই আকুলতা মানব মনের চিরন্তন ভালোবাসার প্রকাশ।

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর জন্মভূমি যশোরের কপোতাক্ষ নদের প্রতি গভীর অনুরাগ ও স্মৃতিকাতরতা প্রকাশ করেছেন। জন্মভূমি থেকে বহু দূরে প্রবাসে বসেও কবি অবিরত নদের কথা স্মরণ করেন এবং নদকে মাতৃসম ও বন্ধুর মতো জ্ঞান করে তার কাছে মনের কথা বলেছেন। তিনি শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত নদকে একটি প্রাকৃতিক বন্ধু হিসেবে দেখেন, যার কলকল ধ্বনি কবির কানে মায়ের মতো মায়া জাগায়।

উদ্দীপকে যেমন প্রিয়জনকে কাছে পাওয়ার আকুলতা ও তার সান্নিধ্যে প্রাণ জুড়ানোর আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত হয়েছে, ঠিক তেমনই 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত জন্মভূমি ও কপোতাক্ষ নদের প্রতি এক অবিচ্ছেদ্য টান অনুভব করেছেন। উদ্দীপকের মতো তিনিও নদের সাথে এক আত্মিক সংযোগ অনুভব করেন এবং চান নদ যেন তাকে বাংলার মানুষকে মনে করিয়ে দেয়। উভয় ক্ষেত্রেই গভীর মমত্ববোধ, স্মৃতিচারণ এবং প্রিয় সত্তার প্রতি অবিরাম আকুলতা ও আত্মিক বন্ধন প্রতিফলিত হয়েছে, যা মানব মনের এক অসাধারণ সংবেদনশীল দিক।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

"কপোতাক্ষ নদ" মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি স্মৃতিকাতর ও আবেগঘন সনেট, যেখানে কবির শৈশবের স্মৃতি, জন্মভূমির প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং শিল্পের মাধ্যমে অমরত্বের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত হয়েছে। উদ্দীপকের মন্তব্যটি কবিতার এই দুটি মূল ভাবের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করে। উদ্দীপকে কবিতার একটি অংশের ভাব প্রকাশিত হলেও অপর অংশটি সম্পূর্ণ অনুপস্থিত, যা বিশ্লেষণযোগ্য।

উদ্দীপকে বন্ধুকে কাছে ডেকে সুখ-দুঃখের কথা বলে প্রাণ জুড়ানোর যে আকুতি প্রকাশ পেয়েছে, তা "কপোতাক্ষ নদ" কবিতার একটি প্রধান ভাবকে ধারণ করে। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর শৈশবের প্রিয় কপোতাক্ষ নদকে 'সখা' বা বন্ধুর মতো দেখেছেন এবং তার কাছে ফিরে আসার বা তার স্মৃতিতে মগ্ন হওয়ার গভীর আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন। নদের কলকল ধ্বনি শুনে কবি যেমন শান্তি লাভ করতেন, তেমনি উদ্দীপকের 'সখা'র সাথে দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমেও সেই প্রাণের শান্তি বা তৃপ্তি পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটি জন্মভূমি ও শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত প্রিয় সত্তার প্রতি গভীর টান এবং আকুতির প্রকাশ।

তবে, "কপোতাক্ষ নদ" কবিতার যে অপর অংশটি উদ্দীপকে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত, তা হলো কবির অমরত্বের আকাঙ্ক্ষা। কবি কপোতাক্ষ নদের কাছে মিনতি করেছেন যেন নদ তাকে স্মরণে রাখে এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে তাঁর নাম প্রচার করে। শিল্পী হিসেবে নিজের অমরত্ব লাভের জন্য কাব্যচর্চার মাধ্যমে তিনি যে পরিচয় রেখে যেতে চান, সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। উদ্দীপকটি কেবল ব্যক্তিগত আবেগ, স্মৃতি এবং প্রিয়জনের সান্নিধ্য লাভের আকুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ, যেখানে শিল্পীর চিরঞ্জীবী হওয়ার বাসনা প্রতিফলিত হয়নি।

সুতরাং, উদ্দীপকে "কপোতাক্ষ নদ" কবিতার জন্মভূমি ও শৈশবের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং স্মৃতিকাতরতার দিকটি মূর্ত হয়ে উঠলেও, একজন শিল্পী হিসেবে তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে অমরত্ব লাভের যে বাসনা, তা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। তাই উপর্যুক্ত মন্তব্যটি যথার্থ এবং সুচিন্তিত।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
41

Related Question

View All
উত্তরঃ

'পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার'- কথাটির মধ্য দিয়ে লেখক বাষ্প্রতিবন্ধী সুভার বিয়ের বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে দিতে না পারায় পিতা-মাতার হৃদয়ের নীরব কষ্টকে বোঝাতে চেয়েছেন।

সুভা বাণীকন্ঠের ছোট মেয়ে। সে কথা বলতে পারে না। বাণীকণ্ঠ তার বড় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় ছোট মেয়ে সুভাকে বিয়ে দিতে পারেননি। তাই সুভার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাণীকণ্ঠ এবং তার স্ত্রী উভয়েই চিন্তিত। সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তাদের হৃদয়ে নীরব কষ্ট সৃষ্টি হয়। লেখক সেই কষ্টকেই বলেছেন- পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার।

10.9k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিকটির সংগতি দেখানো হয়েছে।

শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকে সমাজে অবহেলার শিকার হয়। এতে সমাজের মানুষ হীনম্মন্যতার পরিচয় দেয়। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহানুভূশীল হলে তবেই তারা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং সমাজে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।

'সুভা' গল্পে সুভা কথা বলতে পারে না। আনন্দের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এলেও কথা বলতে না পারার বিষয়টি কিছুটা সুভার বাবা- মায়ের মনে নীরব হৃদয়ভারের জন্ম দেয়। উদ্দীপকের কল্যাণীর জন্মও পরিবারে আনন্দ নিয়ে আসে। কিন্তু তার মানসিক প্রতিবন্ধিতার দিকটি সবাইকে চিন্তিত করে তোলে। তার মানসিক বিকাশ কিছুটা কম হয়েছে। 'সুভা' গল্পের সুভাও বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার পরিবারের সবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার প্রতিবন্ধিতার দিকটি সংগতিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

7.7k
উত্তরঃ

কল্যাণী ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

শারীরিক প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজে বিভিন্নভাবে অবহেলার সম্মুখীন হয়। তারা আমাদের সমাজেরই অংশ, আমাদের মতোই মানুষ। তাই তাদের কল্যাণে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের সহানুভূতি পেলে তারা জীবনের পূর্ণতা লাভ করবে।

উদ্দীপকে কল্যাণীর মানসিক বিকাশ ঠিকভাবে ঘটেনি। বিয়ের কথাবার্তায় তার বাবা পলাশ বাবু বরপক্ষের কাছে সে সব কথা খুলে বলেন। তারা সব শুনে উদারতার পরিচয় দেন। বরের বাবা সুবোধ বাবু মহত্ত্বের পরিচয় দিয়ে কল্যাণীকে ঘরে নিয়ে যেতে চান। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। সে কথা বলতে পারে না। সবার কাছ থেকে অবহেলা পেলেও সুভা তার বাবার ভালোবাসা পেয়েছে। সুভার সাথে কেউ মেশে না বলে সে পোষা প্রাণীদের মাঝে নিজের একটি বিশাল জগৎ তৈরি করেছে।

উদ্দীপকের কল্যাণী ও 'সুভা' গল্পের সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন। কল্যাণী সুবোধ বাবুর উদারতায় পেয়েছে সুন্দর ভবিষ্যতের সন্ধান। অথচ 'সুভা' গল্পের সুভার পরিণতি এতটা মানবিকতায় সিক্ত হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

6k
উত্তরঃ

শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শুনা যায়, তেমনি এই লাইব্রেরির মধ্যে কি হৃদয়ের উত্থানপতনের শব্দ শুনিতেছ

8.2k
উত্তরঃ

‘জীবিত ও মৃত ব্যক্তির হৃদয় পাশাপাশি এক পাড়ায় বাস করিতেছে’ – উক্তিটির মাধ্যমে গ্রন্থাগার বা বইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বইয়ের পাতায় মৃত বা বিগত প্রজন্মের জ্ঞানী-গুণী মানুষের চিন্তা, দর্শন, অভিজ্ঞতা ও সৃষ্টিশীলতা সংরক্ষিত থাকে। যখন একজন জীবিত পাঠক সেই বই পড়েন, তখন যেন মৃত লেখকের হৃদয় বা মননের সাথে জীবিত পাঠকের মনের নিবিড় সংযোগ ঘটে।

এভাবে বইয়ের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জীবিত প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হয়, যা মানবজাতির নিরন্তর জ্ঞানচর্চাকে সম্ভব করে তোলে। লেখক এবং পাঠকের এই আত্মিক মিলনকে তুলনা করা হয়েছে একই পাড়ায় বসবাস করা হৃদয়ের সাথে, যেখানে সময় ও স্থানের বাধা অতিক্রম করে জ্ঞান ও উপলব্ধির এক নিরন্তর বিনিময় ঘটে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
6.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews