উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় মানুষের সংগ্রামী চেতনা এবং স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের চিত্র একইভাবে ফুঠে উঠেছে।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি শাসকদের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আপামর বাঙালি জনগোষ্ঠী প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করে তারা এগিয়ে যায় ঘাতকের নির্মম বুলেটের দিকে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল এই 'দুঃশাসন ও শোষণ থেকে মুক্তি লাভ, যেমনটি ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় পরিলক্ষিত হয়েছিল।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ইংরেজ নীলকর কর্তৃক বাংলার কৃষকদের নীল চাষে বাধ্য করার পাশাপাশি নির্মম অত্যাচারের চিত্র। নামমাত্র দাদনে শাসকগোষ্ঠী কৃষকদের বাধ্য করত নীল চাষ করতে। এই অত্যাচার সয়ে সয়ে এক সময় মানুষের মনে মুক্তির ইচ্ছা প্রবল হয়ে ওঠে; জেগে ওঠে তাদের অন্তরের সংগ্রামী চেতনা।
আলোচ্য কবিতা এবং উদ্দীপকে সাধারণ মানুষের সংগ্রামী চেতনার দিকটি লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকে দেখা যায়, স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ নীলকরদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠী নয় বরং সাধারণ মানুষই এই আন্দোলনের মূল চালিকা শক্তিতে পরিণত হয়। এ আন্দোলন কেবল নীল চাষিদের আন্দোলন হয়ে থাকেনি বরং এটি সমগ্র বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে পরিণত হয়। সুতরাং, উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' করিতা উভয়ক্ষেত্রেই দেখা যায়, শাসকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সংগ্রামী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। সেই বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!