উদ্দীপক ও 'প্রতিদান' কবিতার ভাবার্থ মানুষ নিজের মধ্যে ধারণ করলে একটি সুন্দর সমাজ গড়া সম্ভব- মন্তব্যটি যথার্থ।
'প্রতিদান' কবিতায় কবি ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে পরার্থপরতার মধ্যেই যে ব্যক্তির প্রকৃত সুখ ও জীবনের সার্থকতা নিহিত সেই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। কবি বলেছেন, যে কবির ঘর ভাঙে কবি তার ঘর বেঁধে দেন। যে কবিকে পর করে দেয় কবি তাকে আপন করে নেন। এছাড়াও কথি বলেছেন, যে কবিকে কাঁটা দেন কবি তাকে ফুল দান করেন। কারণ, ভালোবাসা পূর্ণ মানুষই পারে সুন্দর পৃথিবী নির্মাণ করতে।
উদ্দীপকে বিথী ও তনা রুমমেট ও সহকর্মী। এক অফিসে কাজ করলেও বিথী তনাকে প্রায়ই সবার সামনে অপমান ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। তনার আড়ালে তার ব্যক্তিত্ব ও পরিবার নিয়ে আজেবাজে কথা শোনায়। তনা এসব নিয়ে কষ্ট পেলেও নিজে থেকে কিছু বলে না বরং তনা বিথীর নামে অন্যের কাছে প্রশংসা করে বেড়ায়, যাতে বিথী নিজেকে শুধরাতে পারে। বিথী অসুস্থ হলে তনা বিথীর সেবাযত্ন করে সুস্থ করে তোলে। পরবর্তী সময়ে বিথী নিজের ভুল বুঝতে পেরে অনুশোচনা করে। কারণ, ভালোবাসা দিয়ে মানুষকে জয় করা সম্ভব।
'প্রতিদান' কবিতায় কবি চেয়েছেন মানুষের উপকার করার মাধ্যমে মানুষে মানুষে সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করতে। কেউ যদি কবিকে আঘাত করে কবি তাকে পালটা আঘাত না করে ভালোবাসতে বলেন। কারণ, ভালোবাসা দিয়ে পৃথিবীকে জয় করা সম্ভব। 'প্রতিদান' কবিতার মতো উদ্দীপকেও একই ভাবধারা ফুটে উঠেছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপক ও 'প্রতিদান' কবিতার ভাবার্থ মানুষ নিজেদের মধ্যে ধারণ করলে একটি সুন্দর সমাজ গড়া সম্ভব।
Related Question
View Allকি
অবিরাম,অনবরত। ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!