উদ্দীপক (১) -

আজিকার রোদ ঘুমায়ে পড়িছে- ঘোলাটে মেঘের আড়ে,
কেয়া বন পথে স্বপন বুনিছে- ছল ছল জলধারে।
কাহার ঝিয়ারী কদম্ব শাখে- নিঝুম নিরালায়,
ছোট ছোট রেণু খুলিয়া দিয়াছে- অস্ফুট কলিকায়।

উদ্দীপক (২) - 

কেউবা রঙিন কাঁথায় মেলিয়া বুকের স্বপনখানি, 
তারে ভাষা দেয় দীঘল সুতার মায়াবী আখর টানি।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

প্রাণখোলা বর্ষায় গাছপালা স্নান করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উন্মাদ শ্রাবণ' বলতে শ্রাবণ মাসে বৃষ্টির উন্মাদনাকে বোঝানো হয়েছে।

ষাঁড় ও শ্রাবণ- এই দুই মাস নিয়ে বর্ষাকাল। শ্রাবণ এলে বৃষ্টির প্রাবল্য বৃদ্ধি পায়। সারাদিন অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়তে থাকে। অতিবৃষ্টির মাদনায় মুখর হয়ে ওঠে পৃথিবী। তাই কবি শ্রাবণকে 'উন্মাদ শ্রাবণ' অভিহিত করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

প্রথম উদ্দীপকে 'শ্রাবণে' কবিতায় বর্ণিত বর্ষণমুখর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কটি ফুটে উঠেছে।

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে দগ্ধ পৃথিবীতে বর্ষা আসে নতুন রূপ নিয়ে। 'শ্রাবণে' কবিতায় বাংলার প্রকৃতিতে বর্ষার আগমনের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গ্রীষ্মের দাবদাহে প্রকৃতি শ্রীহীন হয়ে পড়ে। অবিরাম বর্ষায় স্নান করে আবার তা সজীব ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। গ্রীষ্মের রোদের চিহ্ন ধুয়ে-মুছে প্রকৃতি এ সময় যেন নতুন রূপ ধারণ করে।

উদ্দীপকের প্রথম অংশে বর্ষণমুখর প্রকৃতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। ঘন মেঘের আড়ালে হারিয়ে গেছে রোদ। পত্রপল্লব আর নানা রকম ফুলের সম্ভারে শোভিত হয়ে উঠেছে গাছপালা। 'শ্রাবণে' কবিতায়ও বর্ষা প্রকৃতির এই মনোমুগ্ধকর চিত্র ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

দ্বিতীয় উদ্দীপকটির মূলভাব 'শ্রাবণে' কবিতার শেষ চরণে প্রতিফলিত হয়েছে।

বর্ষা একদিকে যেমন বৃষ্টির উন্মাদনা নিয়ে উপস্থিত হয় অন্যদিকে তেমনি মানুষের মনকেও তীব্রভাবে নাড়া দিয়ে যায়। এ সময় মানুষের সংবেদনশীল মন যেন জেগে ওঠে।

দ্বিতীয় উদ্দীপকে বর্ষাকালে গ্রামের নারীদের সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ডের চিত্র লক্ষ করা যায়। বর্ষণমুখর দিনে নারীরা নকশিকাঁথা বোনে। নকশিকাঁথার প্রতিটি বুননে তারা তাদের মনের অব্যক্ত কথাগুলো ফুটিয়ে তোলে। বুকের ভেতর যত স্বপ্ন আছে সব যেন ভাষারূপ পেয়ে জেগে ওঠে মায়াবী সুতোর গাঁথুনিতে।

'শ্রাবণে' কবিতায় আমরা দেখি, ধরণির আশা-ভয়, সুখ-দুঃখ জেগে ওঠে অবিরাম বরষায়। মানুষের অন্তর্নিহিত সুখ-দুঃখকে যেন উসকে দেয় বর্ষার বারিধারা। তাই বলা যায়, দ্বিতীয় উদ্দীপকটি 'শ্রাবণে' কবিতার শেষ চরণে প্রতিফলিত হয়েছে। বর্ষায় মানুষের মনোজগতের উন্মীলন উদ্দীপকের ও 'শ্রাবণে' কবিতার শেষ চরণের মূল প্রতিপাদ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
390

শ্রাবণে

সুকুমার রায়

জল বারে জল ঝরে সারাদিন সারারাত -

অফুরান নামতায় বাদলের ধারাপাত।

আকাশের মুখ ঢাকা, ধোঁয়ামাখা চারিধার,

পৃথিবীর ছাত পিটে বামাঝম্ বারিধার।

স্নান করে গাছপালা প্রাণখোলা বরষায়,

নদীনালা ঘোলাজল ভরে উঠে ভরসায়।

উৎসব ঘনঘোর উন্মাদ শ্রাবণের

শেষ নাই শেষ নাই বরষার প্লাবনের।

জলেজলে জলময় দশদিক টলমল্

অবিরাম একই গান, ঢালো জল, ঢালো জল।

ধুয়ে যায় যত তাপ জর্জর গ্রীষ্মের,

ধুয়ে যায় রৌদ্রের স্মৃতিটুকু বিশ্বের।

শুধু যেন বাজে কোথা নিঃঝুম ধুকধুক,

ধরণীর আশাভয় ধরণীর সুখদুখ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উন্মাদ শ্রাবণ' বলতে শ্রাবণ মাসে বৃষ্টির উন্মাদনাকে বোঝানো হয়েছে।

ষাঁড় ও শ্রাবণ- এই দুই মাস নিয়ে বর্ষাকাল। শ্রাবণ এলে বৃষ্টির প্রাবল্য বৃদ্ধি পায়। সারাদিন অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়তে থাকে। অতিবৃষ্টির মাদনায় মুখর হয়ে ওঠে পৃথিবী। তাই কবি শ্রাবণকে 'উন্মাদ শ্রাবণ' অভিহিত করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
611
উত্তরঃ

প্রথম উদ্দীপকে 'শ্রাবণে' কবিতায় বর্ণিত বর্ষণমুখর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কটি ফুটে উঠেছে।

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে দগ্ধ পৃথিবীতে বর্ষা আসে নতুন রূপ নিয়ে। 'শ্রাবণে' কবিতায় বাংলার প্রকৃতিতে বর্ষার আগমনের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গ্রীষ্মের দাবদাহে প্রকৃতি শ্রীহীন হয়ে পড়ে। অবিরাম বর্ষায় স্নান করে আবার তা সজীব ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। গ্রীষ্মের রোদের চিহ্ন ধুয়ে-মুছে প্রকৃতি এ সময় যেন নতুন রূপ ধারণ করে।

উদ্দীপকের প্রথম অংশে বর্ষণমুখর প্রকৃতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। ঘন মেঘের আড়ালে হারিয়ে গেছে রোদ। পত্রপল্লব আর নানা রকম ফুলের সম্ভারে শোভিত হয়ে উঠেছে গাছপালা। 'শ্রাবণে' কবিতায়ও বর্ষা প্রকৃতির এই মনোমুগ্ধকর চিত্র ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
303
উত্তরঃ

দ্বিতীয় উদ্দীপকটির মূলভাব 'শ্রাবণে' কবিতার শেষ চরণে প্রতিফলিত হয়েছে।

বর্ষা একদিকে যেমন বৃষ্টির উন্মাদনা নিয়ে উপস্থিত হয় অন্যদিকে তেমনি মানুষের মনকেও তীব্রভাবে নাড়া দিয়ে যায়। এ সময় মানুষের সংবেদনশীল মন যেন জেগে ওঠে।

দ্বিতীয় উদ্দীপকে বর্ষাকালে গ্রামের নারীদের সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ডের চিত্র লক্ষ করা যায়। বর্ষণমুখর দিনে নারীরা নকশিকাঁথা বোনে। নকশিকাঁথার প্রতিটি বুননে তারা তাদের মনের অব্যক্ত কথাগুলো ফুটিয়ে তোলে। বুকের ভেতর যত স্বপ্ন আছে সব যেন ভাষারূপ পেয়ে জেগে ওঠে মায়াবী সুতোর গাঁথুনিতে।

'শ্রাবণে' কবিতায় আমরা দেখি, ধরণির আশা-ভয়, সুখ-দুঃখ জেগে ওঠে অবিরাম বরষায়। মানুষের অন্তর্নিহিত সুখ-দুঃখকে যেন উসকে দেয় বর্ষার বারিধারা। তাই বলা যায়, দ্বিতীয় উদ্দীপকটি 'শ্রাবণে' কবিতার শেষ চরণে প্রতিফলিত হয়েছে। বর্ষায় মানুষের মনোজগতের উন্মীলন উদ্দীপকের ও 'শ্রাবণে' কবিতার শেষ চরণের মূল প্রতিপাদ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
198
উত্তরঃ

একটানা বৃষ্টি বোঝাতে প্রদত্ত উক্তিটি করা হয়েছে।

গ্রীষ্মের দাবদাহে জর্জরিত প্রকৃতি সজীব ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। বৃষ্টির অবিরাম প্রবাহে রুক্ষ প্রকৃতি মুহূর্তেই জলে পূর্ণ হয়ে ওঠে। গণিতে 'নামতা' বলতে গুণ করার ধারাবাহিক তালিকা বোঝায়। আর ধারাপাত হলো অঙ্ক শেখার প্রাথমিক বই। কবিতায় বৃষ্টি ধারার পতনকে কবি ধারাপাত বলেছেন। বৃষ্টি পড়ার অবিরাম রিমঝিম শব্দ কবির কাছে অনেকটা শিশুদের নামতা পড়ার শব্দের মতো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
192
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews