প্রোটন পাম্পের কারণে কোষের ভেতরের সাথে বাইরের pH ও (+) Ve চার্জের যে তারতম্য হয় তাই প্রোটন মোটিভ ফোর্স।
ক্রোমোপ্লাস্ট নামক এক ধরনের রঙিন বর্ণযুক্ত প্লাস্টিডের কারণে উদ্ভিদের ফুলের পাঁপড়ি তথা পুষ্প রঙিন হয়। সবুজ বর্ণ ব্যতীত অন্যান্য বর্ণের রঙিন প্লাস্টিডগুলোকে বলা হয় ক্রোমোপ্লাস্ট। ক্যারোটিন এবং জ্যান্থোফিল নামক দু'প্রকার রঞ্জক পদার্থ বিভিন্ন অনুপাতে থাকায় এরা হলুদ, কমলা বা লাল বর্ণের হয়। এরা ফুলের পাঁপড়িতে উপস্থিত থেকে ফুল তথা, পুষ্পে বর্ণ বৈচিত্র্যের সৃষ্টি করে। ফুলের বিভিন্ন অঙ্গে অবস্থান করে এরা কীটপতঙ্গসহ উচ্চ শ্রেণির প্রাণীদের আকৃষ্ট করে। ফলে, পরাগায়ন সহজতর হয়।
উদ্দীপকের উদ্ভিদ কোষের প্রথম আবরণ দ্বারা কোষ' প্রাচীরকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে কোষ প্রাচীরের সূক্ষ্ম গঠন বর্ণনা করা হলো-
উদ্ভিদ কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান হলো সেলুলোজ। সেলুলোজ হলো একটি পলিস্যাকারাইড যা ৬ কার্বন বিশিষ্ট B-D গ্লুকোজের অসংখ্য অণু নিয়ে গঠিত। ১ হাজার থেকে ৩ হাজার সেলুলোজ অণু নিয়ে একটি সেলুলোজ চেইন গঠিত হয়। প্রায় ১০০টি সেলুলোজ চেইন মিলিতভাবে একটি ক্রিস্টালাইন মাইসেলি গঠন করে। প্রতিটি মাইসেলির ব্যাস ১০০Å I মাইসেলিকে কোষ প্রাচীরের ক্ষুদ্রতম গাঠনিক একক ধরা হয়। প্রায় ২০টি মাইসেলি মিলে একটি মাইক্রোফাইব্রিল গঠন করে। এদের ব্যাস ২৫০৪। আবার, ২৫০টি মাইক্রোফাইব্রিল মিলিতভাবে একটি ম্যাক্রোফাইব্রিল গঠন করে। এগুলোর ব্যাস প্রায় 0.8jun। ম্যাক্রোফাইব্রিলের ফাঁকে ফাঁকে মাইক্রোক্যাপিলারিজ অবস্থান করে। অনেকগুলো ম্যাক্রোফাইব্রিল মিলিত হয়ে তন্তু গঠন করে কোষ প্রাচীরে জালের ন্যায় বুনন সৃষ্টি করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম আবরণটি হলো কোষ প্রাচীর এবং দ্বিতীয় আবরণটি হলো কোষঝিল্লি বা প্লাজমামেমব্রেন। নিচে কোষ প্রাচীর ও কোষঝিল্লির মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
- কোষ প্রাচীর উদ্ভিদকোষ ও ব্যাকটেরিয়ার কোষঝিল্লির বাইরে 'অবস্থান করে, প্রাণিকোষে থাকে না। সকল জীবকোষের প্রোটোপ্লাজমের বাইরে কোষঝিল্লি থাকে l
- কোষ প্রাচীর তিনটি স্তরে বিন্যস্ত; যথা- মধ্যপর্দা, প্রাথমিক প্রাচীর ও সেকেন্ডারি প্রাচীর। কোষঝিল্লি প্রোটিন (বাইরে ও ভিতরে দু'স্তর) ও লিপিড (মধ্যাংশে দু'স্তর) এর দুটি স্তর নিয়ে গঠিত।
- কোষ প্রাচীর কখনও ভেদ্য কখনও অভেদ্য। কোষঝিল্লি সর্বদাই বৈষম্যভেদ্য।
- কোষ প্রাচীরে মাইক্রোভিলাই না থাকলেও কোষঝিল্লিতে মাইক্রোভিলাই থাকে।.
- কোষ প্রাচীর পুরু এবং দৃঢ়; প্রধানত সেলুলোজ নির্মিত; তবে পেকটিন, কাইটিন, লিগনিন, ইত্যাদিও থাকতে পারে। অপরদিকে কোষঝিল্লি খুব সূক্ষ্ম, স্থিতিস্থাপক; প্রধানত লিপোপ্রোটিন দিয়ে গঠিত, তবে গ্লাইকোপ্রোটিন, ফসফোলিপিড, গ্লাইকোলিপিড, স্টেরল ইত্যাদি সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে।
- কোনো কোনো কোষের কোষ প্রাচীরে নানারকম অলঙ্করণ- দেখা যায়। কোষঝিল্লিতে কোনোরূপ অলঙ্করণ দেখা যায় না।
উপরের আলোচনা সাপেক্ষে বলা' যায়, কার্যিক ও 'গাঠনিক ভিন্নতার কারণেই দ্বিতীয় আবরণ বা কোষঝিল্লি প্রথমটি অর্থাৎ কোষপ্রাচীর থেকে পৃথক।
Related Question
View Allপ্রোটন পাম্পের কারণে কোষের ভেতরের সাথে বাইরের pH ও (+) Ve চার্জের যে তারতম্য হয় তাই প্রোটন মোটিভ ফোর্স।
ক্রোমোপ্লাস্ট নামক এক ধরনের রঙিন বর্ণযুক্ত প্লাস্টিডের কারণে উদ্ভিদের ফুলের পাঁপড়ি তথা পুষ্প রঙিন হয়। সবুজ বর্ণ ব্যতীত অন্যান্য বর্ণের রঙিন প্লাস্টিডগুলোকে বলা হয় ক্রোমোপ্লাস্ট। ক্যারোটিন এবং জ্যান্থোফিল নামক দু'প্রকার রঞ্জক পদার্থ বিভিন্ন অনুপাতে থাকায় এরা হলুদ, কমলা বা লাল বর্ণের হয়। এরা ফুলের পাঁপড়িতে উপস্থিত থেকে ফুল তথা, পুষ্পে বর্ণ বৈচিত্র্যের সৃষ্টি করে। ফুলের বিভিন্ন অঙ্গে অবস্থান করে এরা কীটপতঙ্গসহ উচ্চ শ্রেণির প্রাণীদের আকৃষ্ট করে। ফলে, পরাগায়ন সহজতর হয়।
উদ্দীপকের উদ্ভিদ কোষের প্রথম আবরণ দ্বারা কোষ' প্রাচীরকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে কোষ প্রাচীরের সূক্ষ্ম গঠন বর্ণনা করা হলো-
উদ্ভিদ কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান হলো সেলুলোজ। সেলুলোজ হলো একটি পলিস্যাকারাইড যা ৬ কার্বন বিশিষ্ট B-D গ্লুকোজের অসংখ্য অণু নিয়ে গঠিত। ১ হাজার থেকে ৩ হাজার সেলুলোজ অণু নিয়ে একটি সেলুলোজ চেইন গঠিত হয়। প্রায় ১০০টি সেলুলোজ চেইন মিলিতভাবে একটি ক্রিস্টালাইন মাইসেলি গঠন করে। প্রতিটি মাইসেলির ব্যাস ১০০Å I মাইসেলিকে কোষ প্রাচীরের ক্ষুদ্রতম গাঠনিক একক ধরা হয়। প্রায় ২০টি মাইসেলি মিলে একটি মাইক্রোফাইব্রিল গঠন করে। এদের ব্যাস ২৫০৪। আবার, ২৫০টি মাইক্রোফাইব্রিল মিলিতভাবে একটি ম্যাক্রোফাইব্রিল গঠন করে। এগুলোর ব্যাস প্রায় 0.8jun। ম্যাক্রোফাইব্রিলের ফাঁকে ফাঁকে মাইক্রোক্যাপিলারিজ অবস্থান করে। অনেকগুলো ম্যাক্রোফাইব্রিল মিলিত হয়ে তন্তু গঠন করে কোষ প্রাচীরে জালের ন্যায় বুনন সৃষ্টি করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম আবরণটি হলো কোষ প্রাচীর এবং দ্বিতীয় আবরণটি হলো কোষঝিল্লি বা প্লাজমামেমব্রেন। নিচে কোষ প্রাচীর ও কোষঝিল্লির মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
- কোষ প্রাচীর উদ্ভিদকোষ ও ব্যাকটেরিয়ার কোষঝিল্লির বাইরে 'অবস্থান করে, প্রাণিকোষে থাকে না। সকল জীবকোষের প্রোটোপ্লাজমের বাইরে কোষঝিল্লি থাকে l
- কোষ প্রাচীর তিনটি স্তরে বিন্যস্ত; যথা- মধ্যপর্দা, প্রাথমিক প্রাচীর ও সেকেন্ডারি প্রাচীর। কোষঝিল্লি প্রোটিন (বাইরে ও ভিতরে দু'স্তর) ও লিপিড (মধ্যাংশে দু'স্তর) এর দুটি স্তর নিয়ে গঠিত।
- কোষ প্রাচীর কখনও ভেদ্য কখনও অভেদ্য। কোষঝিল্লি সর্বদাই বৈষম্যভেদ্য।
- কোষ প্রাচীরে মাইক্রোভিলাই না থাকলেও কোষঝিল্লিতে মাইক্রোভিলাই থাকে।.
- কোষ প্রাচীর পুরু এবং দৃঢ়; প্রধানত সেলুলোজ নির্মিত; তবে পেকটিন, কাইটিন, লিগনিন, ইত্যাদিও থাকতে পারে। অপরদিকে কোষঝিল্লি খুব সূক্ষ্ম, স্থিতিস্থাপক; প্রধানত লিপোপ্রোটিন দিয়ে গঠিত, তবে গ্লাইকোপ্রোটিন, ফসফোলিপিড, গ্লাইকোলিপিড, স্টেরল ইত্যাদি সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে।
- কোনো কোনো কোষের কোষ প্রাচীরে নানারকম অলঙ্করণ- দেখা যায়। কোষঝিল্লিতে কোনোরূপ অলঙ্করণ দেখা যায় না।
উপরের আলোচনা সাপেক্ষে বলা' যায়, কার্যিক ও 'গাঠনিক ভিন্নতার কারণেই দ্বিতীয় আবরণ বা কোষঝিল্লি প্রথমটি অর্থাৎ কোষপ্রাচীর থেকে পৃথক।
খাদ্যভাব দেখা দিলে বা কোষ মৃত্যুমুখে পতিত হলে লাইসোসোম কোষস্থ উপাদান ও অঙ্গাণুগুলোকে ধ্বংস করে দেয় যাকে বলা হয় অটোফ্যাগী।
বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে জেনেটিক কোডের কিছু বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করা হয়েছে। যেমন- জেনেটিক কোড সর্বদা তিন অক্ষরবিশিষ্ট হয় এবং একটি কোড সর্বদা একটি অ্যামিনো অ্যাসিডকে নির্দেশ করে। সকল জীবে নির্দিষ্ট একটি কোডন একই অর্থ বহন করে। একটি . কোডের অক্ষর অন্য কোডে অন্তর্ভুক্ত হয় না এবং শুরু ও সমাপ্তি কোড সুনির্দিষ্ট।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!