উদ্দীপকে বর্ণিত টিস্যুটি হলো ভাজক টিস্যু। এ ধরনের টিস্যু বিভাজন উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধির সাথে সরাসরি জড়িত। জীবের দৈহিক গঠন ও অন্যান্য কার্য পরিচালনায় ভাজক টিস্যুর গুরুত্ব অপরিসীম। যেমন-
১. ভাজক টিস্যুর বিভাজনের ফলে উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের বৃদ্ধি ঘটে।
২. ক্রমাগত বিভাজনের ফলে ভাজক টিস্যু নতুন নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে।
৩. পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যুর বিভাজনের ফলে উদ্ভিদের মূল ও কাণ্ডের বেড় বাড়তে থাকে। ফলে উদ্ভিদ ক্রমান্বয়ে মোটা হয়।
৪. ভাজক টিস্যু হতে স্থায়ী টিস্যুর সৃষ্টি হয়। ফলে উদ্ভিদের বিভিন্ন ধরনের কাজ, যেমন- দৃঢ়তা প্রদান করা, খাদ্য উৎপাদন, পরিবহন ও সঞ্চয় করা সম্ভব হয়।
অর্থাৎ উদ্ভিদ দেহ গঠন ও উদ্ভিদের অস্তিত্ব রক্ষায় ভাজক টিস্যুর গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View Allরক্ত এক ধরনের তরল যোজক টিস্যু, যার মাধ্যমে বিভিন্ন দ্রব্যাদি (অক্সিজেন, খাদ্য, রেচন পদার্থ) দেহের একস্থান থেকে অন্যস্থানে পরিবাহিত হয়।
যে টিস্যু দেহের খোলা অংশ ঢেকে রাখে এবং দেহের ভিতরের আবরণ তৈরি করে তাকে আবরণী টিস্যু বলে। আমাদের ত্বকের বাইরের আবরণ, মুখগহ্বরের ভিতরের আবরণ ইত্যাদি আবরণী টিস্যু দিয়ে গঠিত। দেহের বিভিন্ন গ্রন্থিগুলোও আবরণী টিস্যু দিয়ে তৈরি।
উদ্দীপকের P চিত্রটি হলো মানুষের হাত। হাতের জন্য, অস্থির গুরুত্ব নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
১. অস্থি দ্বারাই হাতের কাঠামো গঠিত হয়।
২. অস্থির কারণেই হাত নির্দিষ্ট আকৃতি লাভ করে।
৩. অস্থির মাধ্যমেই হাত দেহের সাথে সংযুক্ত থাকে।
৪. হাতের পেশিগুলো অস্থির সাথে যুক্ত থেকে হাত সঞ্চালনে সহায়তা করে।
৫. অস্থি হাতের ভার বহন করে।
সুতরাং P চিত্রে অর্থাৎ হাতের জন্য অস্থির গুরুত্ব অপরিসীম।
উদ্দীপকে P চিত্র দ্বারা ঐচ্ছিক পেশি এবং Q চিত্র দ্বারা অনৈচ্ছিক পেশিকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এদের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
১. ঐচ্ছিক পেশি আমরা ইচ্ছামতো সংকুচিত ও প্রসারিত করতে পারি। অন্যদিকে অনৈচ্ছিক পেশি আমরা ইচ্ছামতো সংকুচিত করতে পারি না।
২. ঐচ্ছিক পেশির সাহায্যে আমরা দেহের বিভিন্ন অঙ্গ সঞ্চালন করতে পারি। অন্যদিকে অনৈচ্ছিক পেশির সাহায্যে আমরা কোনো অঙ্গ সঞ্চালন করতে পারি না।
৩. ঐচ্ছিক পেশি হাড়ের সাথে লেগে থেকে আমাদের অঙ্গ সঞ্চালনে সাহায্য করে। অন্যদিকে অনৈচ্ছিক পেশি হাড়ের সাথে লেগে থাকে না।
৪. বহিঃত্বক, হাত, পা ইত্যাদি ঐচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত। অন্যদিকে পাকস্থলী, হৃৎপিন্ড, যকৃৎ ইত্যাদি অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।
উদ্ভিদকোষের ক্ষেত্রে কোষঝিল্লির বাইরে জড় পদার্থ দিয়ে তৈরি একটি পুরু প্রাচীরই হলো কোষপ্রাচীর।
মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গাণু। এখানেই শ্বসনের সকল কাজ সম্পন্ন হয়। আর এ শ্বসনের মাধ্যমেই জীবদেহে শক্তি উৎপন্ন হয়ে থাকে। জীবের যাবতীয় বিপাকীয় কাজের জন্য যে শক্তি প্রয়োজন তার একমাত্র উৎস মাইটোকন্ড্রিয়া। এ জন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!