বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
বনজসম্পদ শিল্পের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কাগজ, রেয়ন, দিয়াশলাই, ফাইবার বোর্ড, খেলনার সরঞ্জাম প্রভৃতির উৎপাদন কাজে বনজ সম্পদ ব্যবহৃত হয়ে শিল্পের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে। কর্ণফুলী কাগজকল, খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানা বনজ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
উদ্দীপকের 'B' অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি গড়ে ওঠেছে; যার উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ চাপালিশ, তেলসুর।
উদ্দীপকে চিহ্নিত 'B' অঞ্চলটি মূলত বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, যা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবন জেলা নিয়ে গঠিত। এসব এলাকায় আমরা ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা বনাঞ্চল দেখতে পাই। এর আয়তন প্রায় ১৪,১০২ বর্গ কিলোমিটার। এ অঞ্চলের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ১৭৫১-২৫০০ মিলিমিটার। অতিবৃষ্টির কারণে এ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ নামক বিশেষ বনভূমির সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ বনাঞ্চলে এ অংশে গাছের পাতা এক সঙ্গে ঝরে যায় না এবং পাতাগুলো চির সবুজ থাকে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চাপালিশ, ময়না, তেলসুর। আবার এখানে কম বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় পাতাঝরা কিছু গাছ ও রয়েছে। যেমন- গজারি।
সুতরাং, B অঞ্চলটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বের পাহাড়ি বনাঞ্চল নির্দেশ করে।
উদ্দীপকের 'B' বনভূমিটি ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের এবং 'C' বনভূমিটি ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত। অন্য দিকে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি টারশিয়ারি যুগের পাহাড় সমূহের অন্তর্গত।
উদ্দীপকের 'B' বনভূমিটি ময়নমসিংহ, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর ও গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে 'C' বনভূমিটি বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের কিছু অংশে অবস্থিত।
উদ্দীপকের 'B' বনভূমির উদ্ভিদ হলো শাল-গজারি, কড়াই, হিজল, প্রভৃতি। এসব উদ্ভিদের পাতা শীতে একেবারে ঝরে যায়। আবার 'C' বনভূমির উদ্ভিদ হলো চাপালিশ, ময়না, তেলসুর বাঁশ ইত্যাদি। এসব উদ্ভিদের পাতা এক সঙ্গে ঝরে যায় না। উপরন্তু 'B' বনভূমিটির ভূপ্রকৃতি প্রায়ই সমতল এবং অপেক্ষাকৃত কম প্রাণিবৈচিত্র্য সমৃদ্ধ। 'C' বনভূমি বিভিন্ন প্রাণীর আবাসস্থলরূপে প্রসিদ্ধ।
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!