উনবিংশ শতকে ইংল্যান্ডের অধিকাংশ মানুষ নগরবাসী হয়, আবিষ্কার হয় নতুন নতুন যন্ত্রপাতি, সৃষ্টি হয় কলকারখানা। এভাবে ইংল্যান্ডে প্রথমে শিল্প বিপ্লব ঘটে এবং পরে তা ইউরোপ তথা সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

রানী এলিজাবেথ দরিদ্র আইন প্রণয়ন করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

শিল্প সম্পর্কিত আবিষ্কার শিল্প বিপ্লবের গতিকে ত্বরান্বিত করেছে।
শিল্পবিপ্লবে প্রভাব রেখেছে এমন চারটি যন্ত্র ও আবিষ্কারকের নাম হলো-

১. ফ্লাইং শাটল (১৭৩৩)- জন কে
২. বাষ্পীয় ইঞ্জিন (১৭৬৯)- জেমস ওয়াট
৩. ওয়াটার ফ্রেম (১৭৬৯) রিচার্ড আর্করাইট
৪. পাওয়ার লুম (১৭৮৫) এডমন্ড কাটরাইট

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শিল্প বিপ্লবের কারণ হিসেবে নগরায়ণ ও বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, উনবিংশ শতকে ইংল্যান্ডের অধিকাংশ মানুষ নগরবাসী হয়, আবিষ্কার হয় নতুন নতুন যন্ত্রপাতি আর সৃষ্টি হয় কলকারখানা। উদ্দীপকের তথ্যসমূহ পাঠ্যবইয়ের সাথে মিলিয়ে দেখতে পাই, ১৭৬০ সালের দিকে ইংল্যান্ডের শিল্পবিপ্লবের অন্যতম কারণ ছিল নগরায়ণ ও নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। এ সময় লাখ লাখ মানুষ গ্রাম থেকে শহরের দিকে ছুটে। ম্যানচেস্টার, ব্রিস্টল, বামিংহাম, গ্লাসগো প্রভৃতি শহর জনবহুল হয়ে উঠে। শহরে সস্তা শ্রমের কারণে বহু শিল্প প্রতিষ্ঠানও তখন গড়ে উঠতে থাকে। জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান ২৩.৪ থেকে বেড়ে ৩৬.৫ এ উন্নীত হয়। আর তখন শিল্পের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক মাত্রায় যান্ত্রিকীকরণের দরকার পড়ে। স্টিম ইঞ্জিন, রেলইঞ্জিন, উড়ন্ত মাকু, পাওয়ার লুম প্রভৃতি ব্যাপক শিল্পায়নের জন্য ব্যবহৃত হয়।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবে নগরায়ণ, নতুন নতুন - আবিষ্কার প্রভৃতি কারণের কথাই বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটি হলো ইংল্যান্ড।

উদ্দীপকের আলোকে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের অন্যতম কারণ হলো ব্যাপকমাত্রায় নগরায়ণ, শিল্প সম্পর্কিত আবিষ্কার ও শিল্পায়ন।
ইংল্যান্ডের লোকসংখ্যা বাড়লে গ্রামে কাজের অভাব দেখা দেয়। এ বাড়তি লোকগুলো কাজের জন্য গ্রাম থেকে শহরে ভিড় জমাতে থাকে। তাছাড়া গ্রামে ভূমি বেষ্টনী প্রথার প্রসার ঘটলে বহু প্রান্তিক কৃষি ভূমিহীন দিনমজুরে পরিণত হয়। এ বেকার মানুষেরা গ্রাম ছেড়ে শহরে অতি সস্তা দামে মজুরি দিতে থাকে। যার ফলে অনেক শিল্পকারখানা গড়ে উঠে এবং কারখানার মালিকেরা লাভবান হয়। এছাড়াও নতুন নতুন আবিষ্কার শিল্পায়নের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করে। নতুন যন্ত্রপাতি তৈরি করার কারণে লৌহ বস্তু, রেল যোগাযোগ প্রভৃতির অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটে। শিল্প সম্পর্কিত আবিষ্কারে উন্নত উপায়ে খনি থেকে কয়লা উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হয়। ইংল্যান্ডের সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটে। এ সবগুলোর সম্মিলিত উন্নয়নই ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লব।
তাই বলা যায়, ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের অন্যতম কারণ ছিল শিল্প সম্পর্কিত আবিষ্কার, নগরায়ণ এবং ব্যাপক হারে কলকারখানা স্থাপন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
73

Industrial Revolution

জন কে (John Kay 1704-1779) (১৭০৪-১৭৭৯ খ্রিষ্টাব্দ): অষ্টাদশ শতকে যে আবিষ্কারসমূহ শিল্পজগতে অভূতপূর্ব পরিবর্তন সাধন করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য Flying Shuttle বা কলের মাকু, যার আবিষ্কারক জন কে। তিনি ১৭০৪ খ্রিষ্টাব্দে ১৭ই জুন ইংল্যান্ডের ল্যাংকাশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষানবিস আবিষ্কারক হিসেবে তিনি হস্তচালিত তাঁতযন্ত্রে নলখাগড়ার পরিবর্তে ধাতুর ব্যবহার শুরু করেন, যা ইংল্যান্ডে বেশ জনপ্রিয়তা পায়। তিনি ১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দে মিহি কাপড়ের জন্য সুতা জড়ানোর যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তার আবিষ্কারসমূহের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো Flying Shuttle আবিষ্কার, যদিও তিনি নিজে এ আবিষ্কারকে বলতেন Wheeled Shuttle তার এ আবিষ্কারের ফলে বুনন যন্ত্রে অভূতপূর্ব পরিবর্তন সাধিত হয়। তার জীবদ্দশায় তিনি অনেকগুলো আবিষ্কার করলেও পেটেন্ট পেতে ব্যর্থ হন। বিরোধীদের অপপ্রচার ও সরকারের সাথে সুসম্পর্ক না থাকায় তিনি আর্থিক কষ্টে জীবন অতিবাহিত করেন।

তিনি আরও বেশি আবিষ্কার করতে সরকারের সমর্থনে ফ্রান্সেও যান। ধারণা করা হয়, ১৭৭৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মারা যান। মৃত্যু-পরবর্তী সময়ে তিনি ব্রিটিশদের কাছে জনপ্রিয় হন।

এডমুন্ড কার্টরাইট (Edmund Cartwright 1743-1823) (১৭৪৩-১৮২৩ খ্রিষ্টাব্দ): একজন ব্রিটিশ বিজলিচালিত তাঁতযন্ত্র আবিষ্কারক। তিনি ১৭৪৩
খ্রিষ্টাব্দের ২৪শে এপ্রিল ইংল্যান্ডের নটিংহ্যামশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনকারী। প্রথম জীবন ধর্মযাজক হিসেবে পেশা শুরু করলেও পরবর্তীকালে তিনি আবিষ্কারক হন। তিনি রিচার্ড আর্করাইটের কারখানা পরিদর্শন করে বস্ত্রশিল্পের গতি ও গুণগত মানের উন্নতির জন্য নতুন যন্ত্র আবিষ্কারে অনুপ্রাণিত হন। জ্যাক ডিজকোহোফের সাথে তিনি ১৭৮৫ খ্রিষ্টাব্দে পাওয়ার লুম আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারটি বস্ত্র উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে এই আবিষ্কারের জন্য পার্লামেন্ট থেকে ১০,০০০ ব্রিটিশ পাউন্ড পুরস্কার দেওয়া হয়। তিনি Royal Society-র সদস্য নির্বাচিত হন। ম্যানচেস্টারের একটি কোম্পানি ৪০০টি পাওয়ার লুম কিনলে সেখানকার শ্রমিকরা কাজ হারানোর ভয়ে কারখানায় আগুন দেয়।

এই ঘটনা অন্য কোম্পানির পাওয়ার লুম ক্রয়ে অনাগ্রহ সৃষ্টি করে। পাওয়ার লুমের উন্নত সংস্করণ হলে চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তার অন্য আবিষ্কারসমূহ হলো- দড়ি তৈরির মেশিন, পশমি সুতা একত্রীকরণ মেশিন, পানির পরিবর্তে অ্যালকোহল ব্যবহৃত বাষ্প ইঞ্জিন ইত্যাদি। এডমুন্ড কার্টরাইট ১৮২৩ খ্রিষ্টাব্দের ৩০শে অক্টোবর সাসেক্সে মৃত্যুবরণ করেন।

বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন-ড. সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী স্যারে এর লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দে গৌরবময় বিপ্লব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
403
উত্তরঃ

ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হলে সেখানে কল কারখানা গড়ে ওঠে। পুঁজিবাদের উদ্ভব ঘটে। লৌহ ও কয়লার ব্যবহারে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। কৃষিপ্রধান দেশ হতে শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত হয় ইংল্যান্ড। ব্যাপক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পায়। আর এ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব সমগ্র বিশ্বে বিস্তার লাভকরে। তাই ইংল্যান্ডকে পৃথিবীর কর্মশালা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
332
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকের শিল্প বিপ্লবপ্রসূত ইংল্যান্ডের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই শিল্প বিপ্লব ঘটেছে কৃষি বিপ্লবের হাত ধরে। শিল্প বিপ্লবের সূতিকাগার ইংল্যান্ডও এর ব্যতিক্রম নয়। অষ্টাদশ শতকের শেষদিকে ইংল্যান্ডে ঘটে যাওয়া গৌরবময় বিপ্লবের পর থেকেই কৃষি ক্ষেত্রের বিকাশ ঘটতে থাকে। পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যায়, অষ্টাদশ শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের জনসংখ্যার প্রতি পাঁচ জনের চার জনই গ্রামে বাস করত এবং শতকরা ৮০ ভাগই নিয়োজিত ছিল কৃষিকাজে। শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদান যেমন-

কৃষিকাজে। শিল্প বিপ্লবের কৃষি উৎপাদন তথা কাঁচামাল, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা পুঁজির সংস্থান, বুদ্ধিভিত্তিক সমাজ খনিজ সম্পদের যোগান, যন্ত্রপাতির আবিষ্কার প্রভৃতি অষ্টাদশ শতকে ইংল্যান্ডে বিদ্যমান ছিল। এছাড়া ইংল্যান্ডের সমুদ্র তীরবর্তী কয়লা খনিগুলো একাধিক শিল্পের জ্বালানির যোগান দেয়, অন্যদিকে তা সস্তায় জাহাজে করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজারে সরবরাহে সহায়তা করে। ইংল্যান্ডে আবিষ্কৃত স্টিম ইঞ্জিন, সুতাকাটার মাকু অনবরত উৎপাদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে। ফলে শিল্পে বিপ্লব ঘটে।
বাংলাদেশে বর্তমানে বিদ্যুৎ সুবিধা থাকায় ও আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে পাম্পের সাহায্যে সেচ এবং যন্ত্রের সাহায্য ফসল মাড়াই সম্ভব হচ্ছে। পণ্য পরিবহণের সুবিধার কারণে অল্প সময়ে বেশি কাজ করা সম্ভব হচ্ছে। কাজেই মানুষের জীবনযাত্রায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। উদ্দীপকের সাথে ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের সাদৃশ্য রয়েছে।
তাই বলা যায়, শিল্প বিপ্লবের ফলে ইংল্যান্ডের আর্থসামাজিক ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
196
উত্তরঃ

উক্ত ঘটনা অর্থাৎ ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লব সারাবিশ্বে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে- উক্তিটি যথার্থ।

উনবিংশ শতাব্দীতে শিল্প বিপ্লবজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে ইউরোপের বাইরে ইউরোপীয় দেশগুলোর সাম্রাজ্য বিস্তারের চেষ্টা নবউদ্যমে শুরু হয়। দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রকট আকার ধারণ করে। পুঁজিবাদের প্রসারের ফলে ইউরোপীয় দেশগুলোতে যৌথ বণিক সংঘে প্রতিষ্ঠিত হয়। যাদের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ফলে বণিক সংঘগুলোর মালিক ও অংশীদারগণ পুঁজি সঞ্চয় করে স্ফীত হয়ে ওঠে। এ প্রসঙ্গে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নাম উল্লেখ করা যায়। শুধু শিল্প বিপ্লবজনিত পরিবর্তিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য ইউরোপীয় দেশগুলো উপনিবেশ বিস্তারের নীতি গ্রহণ করেনি। বরং এর পিছনে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক উদ্দেশ্যও বিদ্যমান ছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের ব্যাখ্যায় বলা যায়, সাম্রাজ্যের বিশালতার ওপরই দেশের শক্তি, মর্যাদা ও গৌরবের মানদণ্ড নির্ভর করে। এ মনোবৃত্তিই ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে উপনিবেশ বিস্তারের প্রতিযোগিতা তীব্রতর করে তোলে। পাশ্চাত্য সভ্যতা ও খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের মনোভাব তাদেরকে উপনিবেশ স্থাপনে আগ্রহী করে তোলে। প্রত্যেক দেশের উদ্বৃত্ত জনসংখ্যার - জীবিকার সন্ধানে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো সাম্রাজ্য বিস্তারের নীতি গ্রহণ করে। ১৮৭০ পরবর্তী শিল্প সমৃদ্ধ ইউরোপীয় জাতিগুলো এশিয়া ও । আফ্রিকার দেশগুলোকে গিলে ফেলে। শকুন যেমন মৃতদেহের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মৃতদেহের দখল নিয়ে পরস্পর কাড়াকাড়িতে লিপ্ত হয়, তেমনি উপনিবেশ দখলও রক্ষার জন্য ইউরোপীয় জাতিগুলো এশিয়া ও আফ্রিকার কৃষিপ্রধান দেশগুলোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত এ অবস্থা চলতে থাকে। এজন্য ১৮৭০-১৮১৪  রসময়কালকে ঐতিহাসিকগণ নাম দিয়েছেন সাম্রাজ্যবাদের যুগ।
শিল্প বিপ্লবপ্রসূত পুঁজিবাদ এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকা মহাদেশে উপনিবেশ বিস্তারে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা করে।
তাই বলা যায়, ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের ঘটনা সারাবিশ্বে ব্যাপক প্রভাব ফেলে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
213
উত্তরঃ

ডিজেল ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন রুডলফ ডিজেল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
331
উত্তরঃ

অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধে ইংল্যান্ডে নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি আবিষ্কার ও ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যবস্থায় যে ব্যাপক ও যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হয় তাকে সামগ্রিকভাবে শিল্প বিপ্লব বলে। মূলত কৃষি বিপ্লব ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবে গতি আনতে সহায়তা করে। ধীরে ধীরে শিল্প বিপ্লব ইউরোপের অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ে। এর সাথে সাথে পণ্যের বাজারের জন্য উপনিবেশ দখলের প্রতিযোগিতাও শুরু হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
276
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews