উনিশ শতকের গোড়ার দিকে উপনিবেশ ও সাম্রাজ্যবাদ ভয়ংকর আকার ধারণ করে। এমনি একসময়ে একটি দেশে এক দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্বে এক ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

বসনিয়ার রাজধানীর নাম সারায়েভো

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদীয়মান পরাশক্তি জার্মানিকে মোকাবিলা করার জন্য ফ্রান্স, রাশিয়া ও ইংল্যান্ডের মাঝে যে আঁতাত হয়, তা ত্রিশক্তি আঁতাত নামে পরিচিত। এ আঁতাত ছিল ত্রিশক্তি জোট-এর হুমকি মোকাবিলায় গড়ে ওঠা ইউরোপীয় সামরিক জোট। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ফলে এ আঁতাত গড়ে ওঠে। মূলত ১৯৯৩ সালে ফ্রাঙ্কো-রুশ চুক্তি, ১৯০৫ সালে ইঙ্গ-ফরাসি চুক্তি এবং ১৯০৭ সালে ইঙ্গ-রুশ চুক্তির ফল হচ্ছে ত্রিশক্তি আঁতাত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের যে দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে তা হলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।

উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ে আলোচিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কথা বলা হয়েছে। বসনিয়ার জাতীয়তাবাদী গ্রুপ ব্ল্যাক হ্যান্ডের সদস্য গাভরিলো প্রিন্সিপ সারায়েভোতে ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয় সিংহাসনের উত্তরাধিকারী অস্ট্রিয়ার আর্চডিউক ফার্ডিনান্ড ও তার স্ত্রী কাউন্টেস সোফিয়াকে হত্যা করে। এ হত্যাকাণ্ডই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রধান কারণ। সারায়েভোর হত্যাকাণ্ড অস্ট্রিয়াকে ক্ষিপ্ত করে তোলে এবং অস্ট্রিয়ার সরকার এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সার্বিয়াকেই দায়ী করে। অস্ট্রিয়ার সরকার জার্মানির সাহায্যের গোপন প্রতিশ্রুতি পেয়ে ১৯১৪ সালের ২৩ জুলাই সার্বিয়ার সরকারের নিকট কতকগুলো শর্ত সংবলিত এক চরমপত্র প্রেরণ করেন। ১৫ জুলাই চরমপত্রের উত্তর দেয় সার্বিয় সরকার কিন্তু এটি অস্ট্রিয়া সম্রাটের মনঃপুত না হলে অস্ট্রিয়া ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এ যুদ্ধে বিশ্ব দুটি ভাগে ভাগ হয়েছিল। এক পক্ষে ছিল অস্ট্রিয়া, জার্মানি, তুরস্ক, বুলগেরিয়া ও রুমানিয়া; অন্য পক্ষে ছিল সার্বিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও রাশিয়া। এ যুদ্ধে সার্বিয়া, জার্মানি ও তুরস্কের পরাজয় ঘটে এবং ত্রিশক্তি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও রাশিয়া জয়লাভ করে।

পরিশেষে বলা যায়, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল ইতিহাসের একটি ভয়ানক ঘটনা। এ যুদ্ধে সেন্ট্রাল পাওয়ার্স জার্মানি, সার্বিয়া ও হাঙ্গেরির পরাজয় ঘটে এবং তাদেরকে চরমমূল্য দিতে হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

প্রশ্নোল্লিখিত উক্ত দ্বন্দ্ব বলতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধকে বোঝানো হয়েছে এবং সাম্রাজ্যবাদ নীতিই ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রধান কারণ।

১৮ শতকের প্রথম দশকে উপনিবেশ স্থাপনে ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে পরবর্তী শতাব্দীতে আফ্রিকা ও এশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলে ইউরোপীয়দের নিয়ন্ত্রণ কায়েম হয়। কয়েকটি নির্দিষ্ট গ্রুপের চাপে জার্মানির চ্যান্সেলর বিসমার্ক বিদেশে সাম্রাজ্য স্থাপনে সম্মত হয়। আফ্রিকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে জার্মানির উপনিবেশ স্থাপনে ব্রিটিশদের কৌশলগত ও বাণিজ্যিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হলে অ্যাংলো-জার্মান উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। ব্রিটেনের মিত্র ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনে মরক্কোর প্রচেষ্টায় জার্মান কাইজার দ্বিতীয় উইলহেম সমর্থন ব্যক্ত করলে মরক্কো সংকট দেখা দেয়। ১৯১১ সালের ১ জুলাই মরক্কোর আগাদি বন্দরে জার্মান গানবোট প্যান্থারের উপস্থিতি উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে। জার্মানি বার্লিন-বাগদাদ রেলপথ নির্মাণের অধিকার লাভ করলে নিকট প্রাচ্যে জার্মানির প্রভাব বৃদ্ধি পায়। এ রেল যোগাযোগ জার্মানিকে আফ্রিকান উপনিবেশগুলোতে অনায়াসে প্রবেশ, ভারতের সঙ্গে ব্যবসায় বাণিজ্য এবং ইরাক থেকে তেল আমদানির সুযোগ করে দেয়। একথা উপলব্ধি করে ব্রিটিশরা শঙ্কিত হয়ে পড়ে। তারা বুঝতে পারে যে এ রেলপথ প্রতিষ্ঠিত হলে জার্মানরা সুয়েজ খাল ও সমুদ্রে ব্রিটিশ আধিপত্য এড়িয়ে যেতে সক্ষম হবে। এদিকে তুরস্কের সাথে জার্মানির বন্ধুত্ব স্থাপিত হলে ইংল্যান্ডের ভূমধ্যসাগরে আধিপত্য বিস্তারের পথ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।
আলোচনা শেষে বলা যায়, সাম্রাজ্য স্থাপনের প্রতিযোগিতাই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটনকে অবশ্যম্ভাবী করে তোলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
64
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

'লিজিয়ন অব অনার' হচ্ছে এক ধরনের উপাধি, যা ১৮০২ সালের ১৯ মে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট প্রবর্তন করেন। এটি ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মাননা। লিজিয়ন অব অনার পাঁচ ভাগে বিভক্ত। যথা- ১. নাইট, ২. অফিসার, ৩. কমান্ডার, ৪. গ্র্যান্ড অফিসার ও ৫. গ্র্যান্ড ক্রস

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
102
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনাটি আমার পাঠ্যপুস্তকের ভার্সাই সন্ধির সাথে সংশ্লিষ্ট।
সারায়েভো হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয় এবং প্রায় পুরো বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তিনটি মহাদেশের ৩৪টি দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। চার বছরের অধিককাল স্থায়ী এ যুদ্ধে জার্মানি পরাজিত হলে বিজয়ী বিশ্বশক্তি জোট ১৯১৯ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে জার্মানিকে একটি চুক্তি স্বাক্ষরে বাধ্য করে। সন্ধি স্বাক্ষরের পূর্বে ভার্সাই সন্ধির খসড়া জার্মানিকে দেওয়া হয়নি। তাই পরবর্তীতে জার্মানিরা এ সন্ধিকে চাপিয়ে দেওয়া সন্ধি বলে অভিহিত করে এবং প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি অনুষ্ঠান আয়োজনকে কেন্দ্র করে আড়পাড়া ও জামতৈল গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং তা দ্রুত অন্যান্য গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি মীমাংসার জন্য বসে একতরফাভাবে আড়পাড়াকে দায়ী করে এবং তার ওপর ক্ষয়ক্ষতির বোঝা চাপিয়ে দেয়, যা ভার্সাই সন্ধির ঘটনাকে ইঙ্গিত করে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ভার্সাই সন্ধির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
89
উত্তরঃ

উক্ত ঘটনার অর্থাৎ ভার্সাই সন্ধির প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী-উক্তিটি যথার্থ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের ফলে মিত্রশক্তি ১৯১৯ সালের ২৮ জুন জার্মানির কাঁধে ভার্সাই সন্ধি চাপিয়ে দেয়। এ সন্ধিতে প্রথম। বিশ্বযুদ্ধের যাবতীয় ক্ষতিপূরণ জার্মানিকে দিতে বাধ্য করা হয়।। যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে জার্মানির নিকট থেকে ১৩২ বিলিয়ন স্বর্ণমুদ্রা আদায় করা হয়। জার্মানির সৈন্য সংখ্যা এক লাখে সীমিত করা হয়। যুদ্ধের সরঞ্জাম উৎপাদন, আমদানি-রপ্তানি নিষিদ্ধ করা

হয়। রাইন নদীর ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সকল জার্মান দূর্গ। সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। সন্ধি অনুযায়ী জার্মানি তার আলসাস
লোরেন ও খনিসমৃদ্ধ সার অঞ্চল ১৫ বছরের জন্য ফ্রান্সকে ছেড়ে দেয়। জার্মানি ভার্সাই সন্ধির কঠোরতায় ন্যুব্জ হয়ে পড়েছি জার্মানবাসী ভেতরে ভেতরে ফুসছিল এ সন্ধির নাগপাশ থেকে মুরি পাওয়ার জন্য। এ সময় উগ্র জাতীয়তাবাদী হিটলাটের আবির্ভাব ঘটে হিটলার ভার্সাই সন্ধির নিষ্ঠুরতা থেকে জার্মানবাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং জার্মানির আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য মিত্রশক্তির বিরূদ্দে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এভাবেই ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয় এবং বিশ্ব আবার বিপর্যয়ের মুখে পতিত হয়।
পরিশেষে বলা যায়, ভার্সাই সন্ধির ক্ষতিকর প্রভাবই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে অনিবার্য করে তুলেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
86
উত্তরঃ

উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে জার্মান দার্শনিক, পণ্ডিত ও ঐতিহাসিকগণ এ কথা প্রচার করতে থাকেন যে জার্মানগণ হচ্ছে বিশুদ্ধ আর্য এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জাতি। ক্রমে এ জাতীয়তাবাদী ধারণা ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, রাশিয়া প্রভৃতি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। জার্মান জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য অস্ত্রের ভাষা প্রয়োগ করে। ইউরোপের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার জাতিগত বিদ্বেষ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ অবস্থাকে উগ্র জাতীয়তাবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
100
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews