উদ্দীপকের ক-এর কাজটি রূপগত উপযোগ সৃষ্টি করে আর খ- এর কাজটি স্বত্বগত ও স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি করে।
যে কর্ম প্রচেষ্টা বা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করে উপযোগ সৃষ্টি মাধ্যমে মানুষের ব্যবহার উপযোগী পণ্য প্রস্তুত করা হয় তাকে শিল্প বলে। শিল্পের মাধ্যমে পণ্যের রূপগত উপযোগ সৃষ্টি হয়। আর উৎপাদনকারী ও ভোগকারীর মধ্যে স্বত্বগত ও স্থানগত বিভিন্ন বাধা পরিলক্ষিত হয়। এ বাধা দূর করার জন্য উৎপাদিত সামগ্রী মধ্যস্বব্যবসায়ীর হাত ঘুরে বা সরাসরি প্রকৃত বা চূড়ান্ত ভোগকারীর নিকট পৌঁছানোর জন্য ব্যবসায়ের অন্যতম শাখা হিসেবে বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকের ক-এর কাজটি শিল্প বিধায় উপযোগ সৃষ্টির ভিত্তিতে ক রূপগত উপযোগ সৃষ্টি করে। পক্ষান্তরে, খ-এর কাজটি বাণিজ্যের পণ্য বিনিময় সহায়ক কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত বিধায় উপযোগ সৃষ্টির ভিত্তিতে খ স্বত্বগত ও স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি করে। খ পণ্য বিনিময়ের মাধ্যমে মালিকানাসংক্রান্ত বাধা দূর করে স্বত্বগত উপযোগ সৃষ্টি করে এবং পরিবহনের মাধ্যমে স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি করে।
সুতরাং বলা যায়, উপযোগ সৃষ্টির ভিত্তিতে ক-এর কাজটি রূপগত উপযোগ সৃষ্টি করে। পক্ষান্তরে খ-এর কাজটি স্থানগত ও স্বত্বগত উপযোগ সৃষ্টি করে।
Related Question
View Allমুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন ও বন্টন সহ সকল, ঝুঁকিবহুল, ধারাবাহিক এবং বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যবসা বলে।
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পেশাজীবী গ্রাহকদের প্রয়োজন পূরণের সামর্থ্য কোন কাজ বা সুবিধা প্রদানকে প্রত্যক্ষ সেবা বলে।
সামাজিক ব্যবসায় হল নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত একশ্রেণীর অর্থনৈতিক প্রকল্প যার মূল লক্ষ্য মুনাফার পরিবর্তে মানবকল্যাণ। যে কোন সাধারণ ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠানের মতোই এই সকল প্রকল্প পরিচালিত হয় ; কেবল লক্ষ্য থাকে মানুষের কল্যাণ—বিশেষ করে দারিদ্র ও আয়বৈষম্য দূর করা। মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭০ দশক থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যাংকিং, টেলিকম, সৌরশক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, টেক্সটাইল, তাঁত, বিপণন প্রভৃতি খাতে অনেকগুলো কোম্পানী স্থাপন করেছেন যেগুলোর মৌলিক উদ্দেশ্য মুনাফা ম্যাক্সিমাইজ করা নয় ; অন্যদিকে এগুলোর কোনটিই ব্যক্তিগত মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয় নি। এই উদ্যোগগুলো কার্যত সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য স্থাপিত ব্যবসায়িক প্রকল্প। এ ধরনের ব্যবসায়িক পুজিঁলগ্নির কথা ঐতিহ্যগত অর্থশাস্ত্রে নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগে "সামাজিক ব্যবসায়" ধারনাটি প্রবর্তন করেন।সামাজিক ব্যবসায়ের সঙ্গে সনাতন ব্যবসায়ের পার্থক্য কেবল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে: সনাতন ব্যবসায় মুনাফামুখী এবং সামাজিক ব্যবসায় কোম্পানি মুনাফা করবে নিশ্চয়ই, কিন্তু মালিক মুনাফা নেবে না, মালিক কেবল মূলধন ফেরত নিতে পারবে।
যে ব্যবসায় গঠন করতে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী মূলধন সরবরাহ করেন কিন্তু তার প্রধান উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয় বরং সমাজের কল্যাণ সাধন করা তাকে সামাজিক ব্যবসায় বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!