উদ্দীপকে উল্লিখিত চক্র অনুযায়ী দুযোর্গ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে দুর্যোগের পরের একটি উপাদান হলো দুর্যোগ পরবর্তী আক্রান্ত এলাকার উন্নয়ন সাধিত করা। নিচে এ নিয়ে আলোচনা করা হলো:
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পরপরই
এলাকায় উন্নয়ন কাজে হাত দিতে হয়। উন্নয়ন কর্মকান্ড হাতে নেওয়ার পূর্বে এলাকার ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যের ওপর লক্ষ রাখতে হবে। যদিও বাংলাদেশ একটি প্রায় সমভূমি অঞ্চল, তথাপি এর বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে দুর্যোগের ক্ষেত্রে লক্ষণীয় পার্থক্য রয়েছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভোলা বা অন্যান্য দ্বীপসমূহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসপ্রবণ এবং উত্তরাঞ্চলে দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহী ইত্যাদি খরাপ্রবণ অঞ্চল। এ দুটি বৈশিষ্ট্য সামনে রেখে আমরা যদি সরকারি ভবনসমূহ যেমন-উপজেলা প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কেন্দ্র, স্কুল ভবন এবং সরকারি অফিসাদি নির্মাণ করি তবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লোকজন যথাযথভাবে নির্মিত এসব ভবনকে আশ্রয়স্থল হিসাবে ব্যবহার করতে পারে। এতে কোটি কোটি টাকা খরচ করে সরকারকে পৃথকভাবে ঘূর্ণিঝড় বা বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করতে হবে না। সুতরাং উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পূর্বে এলাকাভিত্তিক ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যসমূহের দিকে নজর দেওয়া দরকার।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!