উদ্দীপকের প্রবাহচিত্রের হলো রক্ত সংবহনতন্ত্রের হৃৎপিণ্ড। এটি মানবদেহে পাম্প যন্ত্রের ন্যায় কাজ করে। নিচে এর ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-
অলিন্দদ্বয় প্রসারিত হলে দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত হৃৎপিণ্ডে প্রবেশ করে। যেমন-ঊর্ধ্ব মহাশিরার কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত ডান অলিন্দে প্রবেশ করে। ঠিক একই সময় ফুসফুসীয় বা পালমোনারি শিরার মাধ্যমে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বাম অলিন্দে প্রবেশ করে। অলিন্দদ্বয়ের সংকোচনের ফলে নিলয়দ্বয়ের পেশি প্রসারিত হয়। ফলে ডান অলিন্দ-নিলয়ের ছিদ্রপথের ট্রাইকাসপিড ভালভ খুলে যায় এবং ডান অলিন্দ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত ডান নিলয়ে প্রবেশ করে। ঠিক একই সময় বাম অলিন্দ ও বাম নিলয়ের বাইকাসপিড ভালভ খুলে যায় এবং বাম অলিন্দ থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বাম নিলয়ে প্রবেশ করে। এর পরপরই ছিদ্রগুলোর কপাটিকা দ্বারা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে নিলয় থেকে রক্ত পুনরায় অলিন্দে প্রবেশ করতে পারে না। যখন নিলয়দ্বয় প্রসারিত হয় তখন ডান নিলয় থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত ফুসফুসীয় ধমনির মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে। এখানে রক্ত পরিশোধিত হয়। ঠিক একই সময়ে বাম নিলয় থেকে অক্সিজেনের রক্ত মহাধমনির মাধ্যমে সারা দেহে পরিবাহিত হয় এবং উভয় ধমনির অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকাগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রক্ত পুনরায় নিলয়ে ফিরে আসতে পারে না।
এভাবে পাম্প যন্ত্রের ন্যায় কাজ করে হৃৎপিণ্ড সারাদেহে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখে।
Related Question
View Allযে পর্দার ভিতর শুধু দ্রাবক প্রবেশ করতে পারে কিন্তু দ্রব প্রবেশ করতে পারে না তাই বৈষম্যভেদ্য পর্দা।
কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধাশুকনা পদার্থ কর্তৃক তরল পদার্থ শোষণের বিশেষ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইমবাইবিশন। কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়। এ ছাড়া অঙ্কুরোদগমের পূর্বে শুষ্ক বীজ ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়।
এখানে ১ উপাদানটি হলো সূর্যালোক। উদ্দীপকে যে প্রক্রিয়াটিকে দেখানো হয়েছে তা হলো সালোকসংশ্লেষণ। সালোকসংশ্লেষণের প্রধান উপকরণগুলো হলো- আলো, ক্লোরোফিল, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড। এর যেকোন একটির অনুপস্থিতিতেই উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করতে পারবে না এবং পরিবেশে ০₂ নির্গত হবে না। অক্সিজেন নির্গত না হাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। জীবজগতে দেখা দিবে খাদ্যভাব। কোন জীবই কর্মশক্তি পাবে না, কারণ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে সৌরশক্তি খাদ্যের মধ্যে রাসায়নিক শক্তি রূপে জমা থাকে এবং জীব এ খাদ্য থেকেই তাদের কর্মশক্তি পেয়ে থাকে।
সুতরাং, উদ্দীপকের ১ উপাদানটির অনুপস্থিতিতে উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি ঘটবে না।
উদ্দীপকের X উপাদানটি হলো পানি এবং Y অঞ্চলটি হলো পাতা। উদ্ভিদ তার সবুজ পাতায় আলো ও ক্লোরোফিলের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। এই সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় পানি উদ্ভিদ মাটি থেকে শোষণ করে এবং তা পাতায় পৌঁছায়। পানির অনুপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ অসম্ভব। সুতরাং X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ ঘটবে না, ফলে উদ্ভিদে কোন খাদ্য তৈরি হবে না। খাদ্য তৈরি না হলে উদ্ভিদ খাদ্যাভাবে মারা যাবে। আবার, খাদ্য তৈরি না হলে প্রয়োজনীয় শক্তির অভাবে উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন ধরনের জৈবিক কাজেও ব্যাঘাত ঘটবে। এর ফলে উদ্ভিদ বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হবে এবং এক সময় উদ্ভিদের মৃত্যু ঘটবে।
আবার X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে প্রস্বেদন ঘটবে না। কারণ প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গই হলো পাতা। মাটি থেকে পানি পাতায় পৌঁছলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পত্ররন্দ্রের মাধ্যমেই প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় বের হয়ে যায়। প্রস্বেদন উদ্ভিদের গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। এছাড়া পানি (X) উদ্ভিদের পাতায় (Y) না পৌঁছলে উদ্ভিদ দেহে খনিজ লবণও পৌঁছবে না। ফলে ঐ সকল খনিজ উপাদানের অভাবে উদ্ভিদ দেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের লক্ষণ দেখা দিবে এবং এক সময়ে তাঁদের মৃত্যু ঘটবে।
সুতরাং X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে উপরে বর্ণিত সমস্যাগুলো দেখা দিবে।
রক্ত এক ধরনের লালবর্ণের অস্বচ্ছ সজীব তরল যোজক কলা।
শ্বেতকণিকা প্রহরীর মতো দেহকে বিভিন্ন রোগজীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে শ্বেতকণিকা রোগজীবাণুকে ভক্ষণ করে এবং রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। শুধু তাই নয় এন্টিবডি তৈরির মাধ্যমেও শ্বেত কণিকা দেহকে বিভিন্ন ধরনের রোগের হাত থেকে রক্ষা করে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
