উপাদান পরিমাণ 
A80% 
B7% 
C6% 
D3% 

[A, B, D, E প্রতীকী অর্থে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান] 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

পর্যায় সারণিতে সাত (৭) টি পর্যায় রয়েছে।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক গ্যাস হলো এক ধরনের জৈব জ্বালানি যার প্রধান উপাদান হলো মিথেন। এছাড়া এর সাথে প্রধানত অন্যান্য অ্যালকেন মিশ্রিত থাকে। মিথেন ও অন্যান্য অ্যালকেন যৌগসমূহ হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত জৈব যৌগ যাদেরকে হাইড্রোকার্বন বলা হয়। এই কারণে প্রাকৃতিক গ্যাসকে হাইড্রোকার্বন বলা হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের উপাদানগুলো হলো প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান। প্রাকৃতিক গ্যাসে 6% প্রোপেন বিদ্যমান। সুতরাং উদ্দীপকের D উপাদান হলো প্রোপেন (C3H8)

প্রোপেন থেকে জৈব এসিড প্রস্তুতি বিক্রিয়াসহ বর্ণনা করা হলো:
প্রোপেনকে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে হ্যালোজেনের সাথে বিক্রিয়া করলে প্রোপাইল হ্যালাইড বা CH3 - CH2 - CH3X উৎপন্ন হয়। একে NaOH এর জলীয় দ্রবণের সাথে বিক্রিয়া করলে প্রোপানল উৎপন্ন হয়।

CH3-CH2-CH3 + X2 hv CH3-CH2-CH2X + HX

CH3-CH2-CH2X + NaOH → CH3-CH3-CH2OH + NaX

উৎপন্ন প্রোপানলকে শক্তিশালী জারক (K2Cr2O7 + H2SO4) এর সাথে বিক্রিয়া করলে প্রোপানল প্রথমে জারিত হয়ে প্রোপান্যাল ও পুনরায় জারিত হয়ে প্রোপানয়িক এসিড জৈব এসিড উৎপন্ন করে।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন (৪০%)। এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে ইথেন 7% প্রোপেন 6% ও পেন্টেন 3%। অর্থাৎ A, B, D ও E মৌল যথাক্রমে মিথেন, ইথেন, প্রোপেন ও পেন্টেন।

কোনো বস্তুর ব্যাপন হার বলতে বোঝায় যে, বস্তুটি কোনো মাধ্যমে প্রতি একক সময়ে কতটুকু ছড়িয়ে পড়ে। কোনো গ্যাসের ব্যাপন হার গ্যাসের ভর ও ঘনত্বের উপর নির্ভরশীল। 

কোনো গ্যাসের আণবিক ভর বেশি হলে গ্যাসটির ঘনত্ব বেশি থাকে। ফলে গ্যাসটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে, অর্থাৎ গ্যাসটির ব্যাপন হার কম হয়। বিপরীতভাবে কোনো গ্যাসের আণবিক ভর কম হলে গ্যাসটি তুলনামূলকভাবে কম ঘনত্ব বিশিষ্ট অর্থাৎ এটি হালকা হয়। এ কারণে গ্যাসটির কণাসমূহ স্বতঃস্ফূর্তভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা উচ্চ ব্যাপন হার নির্দেশ করে। 

মিথেন (CH4) এর আণবিক ভর = 12 + 1 × 4 = 16 

ইথেন (C2H6) এর আণবিক ভর = 12 × 2 + 1 × 6 

= 30 

প্রোপেন (C3H8) এর আণবিক ভর = 12 × 3 + 1 × 8 

= 44 

পেন্টেন (C5H12) এর আণবিক ভর = 12 × 5 + 1 × 12 

= 72 

উদ্দীপকের গ্যাস চারটির আণবিক ভর লক্ষ করলে দেখা যায় যে, মিথেনের চেয়ে ইথেনের আণবিক ভর বেশি। ইথেনের চেয়ে প্রোপেনের এবং প্রোপেনের চেয়ে পেন্টেনের আণবিক ভর বেশি। অর্থাৎ সবচেয়ে হালকা গ্যাস হলো মিথেন এবং সবচেয়ে ভারী গ্যাস পেন্টেন। ফলে মিথেন সবচেয়ে দ্রুত ব্যাপিত হবে এবং পেন্টেন সবচেয়ে ধীরে ব্যাপিত হবে। তাদের ব্যাপন হারের ক্রম CH4>C2H6>C3H8>C5H12

44

এ পৃথিবীর বয়স প্রায় 4.54 বিলিয়ন বছর। আজকে পৃথিবীকে যেমন দেখছো, অনেক অনেক বছর আগে পৃথিবীর রূপ কিন্তু এমন ছিল না। আজ থেকে 500 বা 600 মিলিয়ন বছর আগে এই পৃথিবী ছিল ঘন বনজঙ্গল, নিচু জলাভূমি আর সাগর-মহাসাগরে পরিপূর্ণ। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত মৃত প্রাণী, উদ্ভিদ, শৈবাল-ছত্রাক নিচু এলাকাগুলোতে জমা হয়েছিল। তার উপর পড়তে থাকল পলির আস্তরণ। এভাবে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে এ সকল উদ্ভিদ আর প্রাণীর দেহাবশেষের উপর হাজার হাজার ফুট মাটি, বিভিন্ন শিলার আস্তরণ হয়ে গেল। উচ্চচাপ, উচ্চ তাপমাত্রা, মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে বিভিন্ন ভৌত আর রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে কয়লা, পেট্রোলিয়াম আর প্রকৃতিক গ্যাস সৃষ্টি হলো৷ এদেরকে বলে জীবাশ্ম জ্বালানি। কয়লার মূল উপাদান কার্বন। আর পেট্রোলিয়ামের মূল উপাদান শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেনের দ্বারা সৃষ্ট যৌগ হাইড্রোকার্বন। হাইড্রোকার্বন হলো জৈব যৌগ। অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, কার্বক্সিলিক এসিডসহ আরও যে সকল জৈব যৌগ আছে তারা মূলত হাইড্রোকার্বন থেকেই সৃষ্ট। এগুলো নিয়েই এ অধ্যায়ে আলোচনা করা হবে।

 

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা
 

  • জীবাশ্ম জ্বালানির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • পেট্রোলিয়ামকে জৈব যৌগের মিশ্রণ হিসেবে ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পেট্রোলিয়ামের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • হাইড্রোকার্বনের ধরন ও শ্রেণিবিভাগ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • সম্পৃক্ত ও অসম্পূৰ্ণ হাইড্রোকার্বনের প্রস্তুতির বিক্রিয়া ও ধর্ম ব্যাখ্যা এবং এদের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব।
  • প্লাস্টিক দ্রব্য ও ভন্ড্রু তৈরির রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং এর ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব।
  • পরিবেশের ওপর প্লাস্টিক দ্রব্য অপব্যবহারের কুফল উল্লেখ করতে পারব।
  • প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম এবং কয়লা ব্যবহারের সুবিধা, অসুবিধা ও ব্যবহারের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • হাইড্রোকার্বন থেকে অ্যালকোহল অ্যালডিহাইড ও জৈব এসিডের প্রস্তুতির কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড ও জৈব এসিডের ব্যবহার করতে পারব।
  • পরিবেশের উপর প্লাস্টিক দ্রব্যের প্রভাব সম্পর্কিত অনুসন্ধানমূলক কাজ করতে পারব। 
  • পরীক্ষার মাধ্যমে জৈব ও অজৈব যৌগের মধ্যে পার্থক্য করে দেখাতে পারব।
  • জীবাশ্ম জ্বালানির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা প্রদর্শন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পেট্রোলিয়ামের প্রধান উপাদান হলো হাইড্রোকার্বন।

555
উত্তরঃ

অ্যালকেনসমূহ কার্বন-কার্বন ও কার্বন-হাইড্রোজেন শক্তিশালী একক সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। এরা রাসায়নিকভাবে আসক্তিহীন বা প্যারাফিন নামে পরিচিত। এ কারণে অ্যালকেনসমূহ সাধারণত রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না অর্থাৎ কম সক্রিয় জৈব যৌগ। পক্ষান্তরে অ্যালকিনসমূহের অণুতে কার্বন-কার্বন দ্বি-বন্ধন বিদ্যমান থাকে। কার্বন-কার্বন দ্বি-বন্ধনের প্রথমটি সিগমা বন্ধন হওয়ায় প্রথম বন্ধনটি শক্তিশালী হলেও দ্বিতীয় বন্ধটি পাই (গ) বন্ধন হওয়ায়, তুলনামূলকভাবে দ্বিতীয় বন্ধনটি প্রথম বন্ধন অপেক্ষা দুর্বল হয়। তাই পাই (গ) বন্ধনটির সহজে ভাঙ্গন ঘটে। ফলে এরা সংযোজন, পলিমারকরণ, দহন বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। তাই অ্যালকিন রাসায়নিকভাবে অ্যালকেন অপেক্ষা সক্রিয় হয়।

915
উত্তরঃ

আলুতে প্রচুর পরিমাণে স্টার্চ আছে। উদ্দীপকে বিদ্যমান বিক্রিয়ার মাধ্যমে স্টার্চ থেকে গ্লুকোজ ও গ্লুকোজকে জাইমেজ এনজাইমের উপস্থিতিতে ইথানলে রূপান্তরিত করা হয়। প্রাপ্ত ইথানলকে এসিডযুক্ত পটাসিয়াম ডাইক্রোমেট অথবা পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্বারা জারিত করলে প্রথমে ইথান্যাল (অ্যাসিট্যালডিহাইড) ও পরে ইথানয়িক এসিড উৎপন্ন হয়।

CH3CHO + [O] CH3COOH ইথানয়িক এসিড

এভাবে উৎপন্ন ইথানয়িক এসিডকে NaOH এর সাথে মিশ্রিত করলে সোডিয়াম ইথানয়েট উৎপন্ন হয়।

CH3COOH + NaOH → CH3COONa + H2O সোডিয়াম ইথানয়েট

এখানে প্রাপ্ত সোডিয়াম ইথানয়েটকে (CH3COONa) সোডালাইম (NaOH + CaO এর মিশ্রণ) সহ উত্তপ্ত করলে মিথেন (CH4) পাওয়া যায়।

বিক্রিয়া: CH3COONa (NaOH+CaO)  CH4 + Na2CO3

এভাবে আমরা আলু থেকে মিথেন (CH4) প্রস্তুত করতে পারি।

584
উত্তরঃ

আলুতে প্রচুর পরিমাণ স্টার্চ থাকে। অতিরিক্ত আলুতে বিদ্যমান স্টার্চ থেকে আমরা নিম্নলিখিত উপায়ে ইথানল প্রস্তুত করতে পারি যা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

আলুকে প্রথমে সিদ্ধ করে কাই (Paste) এ পরিণত করা হয়। একে ম্যাস (mash) বলে। এ ম্যাসের সাথে মল্ট মিশ্রিত করে মিশ্রণটি প্রায় 45°C তাপমাত্রায় এক ঘন্টা রেখে দিলে মল্ট থেকে নিঃসৃত "ডায়াস্টেজ” নামক এক প্রকার এনজাইম দ্বারা স্টার্চ আর্দ্র বিশ্লেষিত হয়ে মল্টোজে পরিণত হয়।

মল্টোজকে 20°C তাপমাত্রায় শীতল করে পানিযোগে লঘু (10%) করে ইস্ট যোগ করলে, ইস্ট থেকে নিঃসৃত ম্যালটেজ এনজাইম মল্টোজকে গ্লুকোজে এবং পরবর্তীতে জাইমেজ নামক এনজাইম গ্লুকোজকে ফারমেন্টেশন করে ইথানলে পরিণত করে।

আলু থেকে এভাবে প্রাপ্ত ইথানল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে মটর ইঞ্জিন, বিমান, বাস, ট্রাক, কলকারখানায় বিকল্প জ্বালানিরূপে ব্যবহার করা হচ্ছে। পেট্রোলের সাথে (10-20%) ইথানল মিশ্রিত করে গ্যাসহোল (Gasohol) নামক জ্বালানি তৈরী করা হয়েছে, যা বিভিন্ন দেশে জ্বালানিরূপে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

CH3CH2OH + O2 → 2CO2 + 6H2O + তাপশক্তি

যেহেতু অ্যালকোহল থেকে আমরা প্রচুর পরিমাণ তাপশক্তি পাই, তাই অতিরিক্ত আলু থেকে ইথানল উৎপন্ন করে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার সম্ভব।

388
উত্তরঃ

হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত দ্বি-মৌল যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয়।

264
উত্তরঃ

অ্যারোমেটিক যৌগগুলোতে সাধারণত 5, 6 কিংবা 7 সদস্যের সমতলীয় যৌগ এবং এগুলোতে একান্তর দ্বিবন্ধন থাকে। বেনজিন ছয় সদস্যের সমতলীয় চাক্রিক যৌগ। এতে একান্তর দ্বিবন্ধন বিদ্যমান। অর্থাৎ পর্যায়ক্রমে কার্বন-কার্বন একটি একক বন্ধন এবং একটি দ্বিবন্ধন থাকে। তাই

বেনজিন একটি অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।

439
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews