উদ্দীপকে 'ক' কলাম দ্বারা সাঁওতাল আর 'খ' কলাম দ্বারা গারো সম্প্রদায়কে নির্দেশ করা হয়েছে।
এ দুটি নৃগোষ্ঠীর প্রত্যেকেরই নিজস্ব অর্থনৈতিক জীবনধারা রয়েছে। তাদের অর্থনৈতিক জীবনব্যবস্থা কৃষিকেন্দ্রিক। এক সময় সাঁওতালরা শিকার করে জীবনযাপন করলেও বর্তমানে সাঁওতালরা কৃষিকাজে খুবই পারদর্শী। সাঁওতালদের প্রধান জীবিকা হলো কৃষি। বৃহত্তর রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় তারা মূলত কৃষি শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। তারা ধান, সরিষা, তামাক, মরিচ, তিল, ইক্ষু প্রভৃতি ফসলের চাষ করে। তাছাড়া বাঁশ, বেত, শালপাতা প্রভৃতি দ্বারা নানা প্রকার মাদুর, ঝাড়ু প্রভৃতি তৈরি করে নিজেদের প্রয়োজন মেটায় ও হাটে বিক্রি করে। অপরদিকে বাংলাদেশের গারোরা প্রধানত কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। পূর্বে জুম চাষে অভ্যস্ত হলেও বর্তমানে এরা হালচাষের মাধ্যমে প্রধানত ধান, নানা জাতের সবজি ও আনারস প্রভৃতি উৎপাদন করে।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত নৃগোষ্ঠী সাঁওতাল ও গারোদের অর্থনৈতিক জীবন খুবই সরল ও কৃষিভিত্তিক।
Related Question
View All'রাখাইন' শব্দের অর্থ হলো রক্ষণশীল জাতি।
চাকমা নৃগোষ্ঠীর পাড়ার প্রধানকে কারবারি বলা হয়। আর চাকমাদের জীবিকার প্রধান উপায় হচ্ছে কৃষিকাজ। যে পদ্ধতিতে তারা চাষ করে তাকে বলা হয় 'জুম'। তবে বর্তমান সময়ে তারা হালচাষেও অভ্যস্ত হয়েছে। চাকমারা বাঁশ ও বেত দিয়ে সুন্দর সুন্দর ঝুড়ি, পাখা, চিরুনি, বাঁশি এবং বাদ্যযন্ত্র তৈরি করে। এগুলো কেনাবেচা করে অনেকে জীবিকা নির্বাহ করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' কলামে যে নৃগোষ্ঠীর চিত্র ফুটে উঠেছে তারা হলো সাঁওতাল। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে বসবাসকারী নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি প্রধান নৃগোষ্ঠী হলো সাঁওতাল। সাঁওতালদের সাংস্কৃতিক জীবন বেশ সমৃদ্ধ। সাঁওতালদের প্রধান খাদ্য ভাত। তারা সাধারণত মাটির ঘরে বাস করে এবং খুবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করে। তাদের নিজস্ব উৎসবাদির মধ্যে 'সোহরাই' এবং 'বাহা' উল্লেখযোগ্য। ঝুমুর নাচ তাদের সংস্কৃতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। সাঁওতালদের বিবাহ অনুষ্ঠানে আয়োজিত হয় 'দৌন' ও 'ঝিকা' নাচ। সাঁওতালদের পোশাকের ক্ষেত্রে খুব একটা ভিন্নতা লক্ষ করা যায় না। মেয়েরা শাড়ি, হাতে ও গলায় পিতলের গয়না ব্যবহার করে থাকে। অন্যদিকে পুরুষেরা লুঙ্গি পরে এবং অনেকে গলায়, হাতে মালা, বালা ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!