উল্লিখিত পূর্বশর্তের ফলাফল ও গুরুত্ব সম্পর্কে তোমার মতামত দাও। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যৌনজননের পূর্বশর্ত অর্থাৎ নিষেকের কথা বলা হয়েছে।
নিষেকের ফলে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড জাইগোট গঠিত হয়। নিষেকের ফলে ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজমে বিভিন্ন উপাদানের বিস্তৃতি ঘটে এবং ডিম্বাণুর গোলাকার ধারণ করার প্রবণতা দেখায়। নিষেকের ফলে ডিম্বাণুর বিভিন্ন আবরণীর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া নিষেকের ফলে ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজম ও কুসুমের বিস্তৃতি এবং বিন্যাসের পরিবর্তন ঘটে। এ নিষেক ক্রিয়া জীবের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে আমার মনে হয়। কারণ নিষেক জীবের ডিপ্লয়েড সংখ্যাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে এবং নিষেকের কারণেই ডিম্বাণু পরবর্তী পর্যায়ের বৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত হয়। পিতামাতার বৈশিষ্ট্যকে সমন্বিত করার ক্ষেত্রে নিষেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিষেকের ফলে জাইগোটে জিনের নতুন সমন্বয় ঘটে এবং এতে জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টি হয়। নিষেকের মাধ্যমে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। এছাড়া জীবের বংশ রক্ষা ও ধারাবাহিকতার নিশ্চয়তা প্রদানে নিষেকের ভূমিকা অপরিসীম বলে আমি মনে করি। সুতরাং নিষেকের ফলাফল জীবের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং জীবের অস্তিত্ব তথা বংশ রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
36

প্রজনন প্রক্রিয়ায় জীব নিজ সত্তাবিশিষ্ট অপত্য বংশধর সৃষ্টি করে নিজ প্রজাতির স্থায়িত্ব বজায় রাখে। মানুষের বংশবৃদ্ধি যৌন জনন প্রক্রিয়ায় সাধিত হয়।

Related Question

View All
উত্তরঃ

শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসের একীভবনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টির প্রক্রিয়াই হলো নিষেক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
35
উত্তরঃ

গ্যামেট বা জননকোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে গ্যামেটোজেনেসিস বলে।
এ প্রক্রিয়ায় জনন মাতৃকোষ হতে স্ত্রী জনন অঙ্গে ডিম্বাণু ও পুরুষের জনন অঙ্গে শুক্রাণু তৈরি হয়। এক্ষেত্রে মিয়োসিস কোষবিভাজনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃজনন কোষ থেকে হ্যাপ্লয়েড (n) জননকোষ উৎপন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
44
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম গঠনটি মানবভূণের ব্লাস্টুলা দশা। নিষেকের পর ৬ থেকে ৯ দিনের মধ্যে যে প্রক্রিয়ায় জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে সংস্থাপিত হয় তাকে ইমপ্লান্টেশন বলে। নিষিক্ত জাইগোট মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে দ্রুত বিভক্ত হয়ে মরুলা দশা পার করে উদ্দীপকের ব্লাস্টুলা দশা বা ব্লাস্টোসিস্ট এ পরিণত হয়। ডিম্বনালিতে সৃষ্ট এ ব্লাস্টোসিস্ট ৪-৫ দিনের ভেতর জরায়ুতে এসে পৌঁছালে দু'দিনের ভেতর এর জোনা পেলুসিডা আবরণ অদৃশ্য হয়ে যায়। তখন এর ট্রফোব্লাস্ট কোষ ও জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়াম কোষের মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হয়। ব্লাস্টোসিস্ট এন্ডোমেট্রিয়ামের যেখানে গ্রোথিত হয় সেখানকার আবরণি টিস্যু ট্রফোব্লাস্ট থেকে নিঃসৃত এনজাইমের প্রভাবে বিগলিত হয়। তখন ব্লাস্টোসিস্টটি সেখানে যুক্ত হয়। এভাবে নিষেকের ষষ্ঠ থেকে নবম দিনের মধ্যে নিষিক্ত ডিম্বাণু বা জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে প্রতিস্থাপিত হয় যা ইমপ্ল্যান্টেশন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
40
উত্তরঃ

পূর্ণাঙ্গ মানব শিশুর দেহ গঠিত হয় ভ্রূণীয় বিভিন্ন পরিবর্তনীয় ধাপের মাধ্যমে। এর মধ্যে উদ্দীপকের দ্বিতীয় গঠন অর্থাৎ গ্যাস্টুলা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
যে প্রক্রিয়ায় একস্তরী ব্লাস্টুলা থেকে ত্রিস্তরী প্রাণিদের ত্রিস্তরী গ্যাস্টুলা গঠিত হয় তাকে গ্যাস্ট্রলেশন বলে। গ্যাস্টুলেশন পর্যায়ে এর কোষগুলোর পরিযানের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় তিনটি কোষীয়স্তর, যথা-বহিঃস্থ এক্টোডার্ম, মধ্যস্থ মেসোডার্ম এবং অন্তঃস্থ এন্ডোডার্ম। গ্যাস্টুলায় সৃষ্ট এ তিনটি স্তর থেকেই অঙ্গকুড়ি সৃষ্টি হয় যা অর্গানোজেনেসিস নামে পরিচিত। এর মধ্যে এক্টোডার্মের কোষগুলো পরিণত হয় ত্বক, চুল, নখ, বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ ইত্যাদি গঠন করে। মেসোডার্মের কোষগুলো পরবর্তীতে দেহের পেশি, যোজককলা, দেহগহ্বরের অন্তঃআবরণী প্রভৃতি সৃষ্টির মাধ্যমে মানব অজাসমূহের পূর্ণাঙ্গতা আনে। আর এন্ডোডার্মের কোষসমূহের পরিণতিতে পৌষ্টিক নালীর বিভিন্ন অংশ, রেচনতন্ত্রের বিভিন্ন অংশ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থি ইত্যাদি অঙ্গের সৃষ্টি হয়।
কাজেই দেহের বিভিন্ন অঙ্গের পূর্ণতা প্রাপ্তি গ্যাস্টুলার তিনটি স্তরের পরিণতির মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। এজন্য একথা অনস্বীকার্য যে, গ্যাস্টুলার বিভিন্ন স্তরের পরিবর্তন ছাড়া পূর্ণাঙ্গ দেহ গঠন অসম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
33
উত্তরঃ

যৌনজননক্ষম জীবে যে প্রক্রিয়ায় পুংজননকোষ ও স্ত্রীজনন কোষ মিলিত হয় সেই প্রক্রিয়াই হলো নিষেক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
37
উত্তরঃ

সেকেন্ডারি যৌন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভবসহ জননাঙ্গের সক্রিয় পরিস্ফুটনকালকে বয়ঃপ্রাপ্তি বা বয়ঃসন্ধিকাল বলে। এ কালটি পুরুষে ১৩-১৫ বছরের মধ্যে এবং নারীতে ১২-১৩ বছরের মধ্যে আবির্ভূত হয়। এ সময় বিভিন্ন হরমোনের প্রভাবে দৈহিক গঠন ও চরিত্রে নানান বৈশিষ্ট্য দেখা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
39
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews