এই ডাঙা ছেড়ে হায় রূপ কে খুঁজিতে যায় পৃথিবীর পথে। বটের শুকনো পাতা যেন এক যুগান্তের গল্প ডেকে আনে, ছড়ায়ে রয়েছে তারা প্রান্তরের পথে পথে নির্জন অঘ্রাণে; তাদের উপেক্ষা ক'রে কে যাবে বিদেশে বলো- আমি কোনো মতে বাসমতী ধানখেত ছেড়ে দিয়ে মালাবারে- উটির পর্বতে যাব নাকো, দেখিব না পামগাছ মাথা নাড়ে সমুদ্রের গানে কোন দেশে, কোথায় এলাচিফুল দারুচিনি-বারুণীর প্রাণে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

কবির চোখের পাতায় শীতের বিন্দু জমবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ট্রেন ধরার জন্য নির্ধারিত সময়ে কবি স্টেশনে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রত্যাবর্তকের মুখ পরাজিতের মতো।
কবি যখন ট্রেন ধরার ক্ষেত্রে গড়িমসি করে ঘুমিয়ে পড়ছিলেন তখন তাঁর মা-বাবা সন্দেহ পোষণ করেছিলেন যে, তিনি সঠিক সময়ে স্টেশনে পৌছাতে পারবেন না। তাদের সন্দেহকে সত্য প্রমাণিত করে নিজের পরাজয় স্বীকার করে কবি নত মস্তকে আবার গ্রামের আটচালা ঘরের দিকে পা বাড়ান। ফলে তাঁর প্রত্যাবর্তন অনেকটা পরাজিতের আবহ তৈরি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

'তাদের উপেক্ষা করে কে যাবে বিদেশে বলো।'- চরণটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার গ্রামের প্রকৃতিমগ্নতার দিকটির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহর যাত্রায় ব্যর্থ হয়ে গ্রামে ফিরে যান। ফিরতি পথের বর্ণনায় গ্রাম বাংলার চিরচেনা পরিবেশের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। কুয়াশার পর্দা, শিশিরে পাজামা ভিজা, চোখের পাতায় শিশির, নদী, ছড়ানো ছিটানো গ্রাম-ঘরবাড়ি, উড়ে যাওয়া বকের ঝাঁক, কলার ছোটো বাগান আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির প্রতিচ্ছবি। গ্রামে ফিরে তিনি গ্রামীণ পরিবেশে মায়ের কাছে আশ্রয় নেন। কবি তাঁর পরিচিত নৈসর্গিক পরিবেশে ফিরে প্রকৃতির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে সমর্থ হন।
উদ্দীপকে বাংলার এক অপরূপ রূপ দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। বাংলার গ্রামীণ জীবনের মায়া ছেড়ে পৃথিবীর অন্য কোথাও কারো যাওয়ার বাসনা জাগে না। এখানকার শুকনো বটের পাতাও যেন যুগান্তের গল্প ডেকে আনে। এছাড়া ধানখেত, অপরূপ গাছপালার দৃশ্যও এখানে জীবন্ত হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায়ও আমরা গ্রামের এমন অসাধারণ দৃশ্য খুঁজে পাই। এখানে গাছ ও লতাপাতা এক মায়াময় আবহ তৈরি করে। নদী ও পাখিদের উপস্থিতি তাতে স্বপ্নের মতো সৌন্দর্য ছড়ায়। উদ্দীপকের এ দিকটিই আলোচ্য কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় শহরমুখিতা, ব্যর্থতা, পারিবারিক জীবন, মায়ের মমৃতা প্রভৃতি থাকায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন, গ্রামীণ পরিবেশ, মমতা প্রভৃতি প্রস্ফুটিত হয়েছে। জীবনের প্রয়োজনে শহর অভিমুখে যাত্রা করেও ব্যর্থ হয়ে তিনি গ্রামে ফিরেন। ফলে তাঁর মনে হতাশাব্যঞ্জক অভিব্যক্তি জাগ্রত হয়। ফেরার পথের বর্ণনায় শাশ্বত গ্রামবাংলার প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়। গ্রামে ফিরে আসলে কবির মা আনন্দিত হন। মায়ের স্নেহ-মমতা কবির শহরে যেতে না পারার গ্লানি-হতাশা ভুলিয়ে তাঁকে গ্রামীণ পরিবেশে আপন করে নেয়। কবি তাঁর চিরপরিচিত প্রাকৃতিক পরিবেশে স্বচ্ছন্দে ফিরে একাত্মতা প্রকাশ করতে সক্ষম হন।
উদ্দীপকে বাংলার একটি চমৎকার দৃশ্যপট জেগে উঠেছে। এখানে দেখা যায়, বাংলার মাটির মায়া ছেড়ে কেউ সহজে বিদেশ যেতে চায় না। এখানকার বটের শুকনো পাতাও বহু গল্প তৈরি করে। এছাড়া এখানকার গাছপালা, ধানখেত এক অভূতপূর্ব সৌন্দর্যে উদ্ভাসিত। সর্বোপরি উদ্দীপকে প্রকৃতি-বন্দনার মধ্য দিয়ে স্বদেশের প্রতি মমতা ও ভালোবাসার দিকটি বড়ো হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায়ও বাংলার সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে। এখানেও আমরা দেখি, নদী আর পাখির কলকাকলি, গাছপালা, লতাপাতার চমৎকার দৃশ্যপট। কিন্তু আলোচ্য কবিতার মূল বিষয় গ্রামীণ সৌন্দর্য ও গ্রাম্যজীবনের পারিবারিক দৃঢ়তা। কিন্তু উদ্দীপকের মূল বিষয় কেবল গ্রামবাংলার অপরূপ সৌন্দর্য। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
37

শেষ ট্রেন ধরবো বলে এক রকম ছুটতে ছুটতে স্টেশনে পৌঁছে দেখি

নীলবর্ণ আলোর সংকেত।

 হতাশার মতোন হঠাৎ দারুন হুইসেল দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে। 

যাদের সাথে, শহরে যাবার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখ জানালায় উবুড় হয়ে আমাকে দেখছে। হাত নেড়ে সান্ত্বনা দিচ্ছে।

আসার সময় আব্বা তাড়া দিয়েছিলেন, গোছাতে গোছাতেই

তোর সময় বয়ে যাবে, তুই আবার গাড়ি পাবি। 

আম্মা বলছিলেন, আজ রাত না হয় বই নিয়েই বসে থাক

কত রাত তো অমনি থাকিস।

আমার ঘুম পেলো। এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।

অথচ জাহানারা কোনদিন ট্রেন ফেল করে না। ফরহাদ

আধ ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। 

লাইলী মালপত্র তুলে দিয়ে আগেই চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়।

 নাহার কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত যেতে পারে না। আর আমি এদের ভাই

সাত মাইল হেঁটে শেষ রাতের গাড়ি হারিয়ে

এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রত্যাবর্তিত কবিকে দেখে তাঁর বাবা পড়বেন, 'ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান...'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
197
উত্তরঃ

'আর আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে ঘষে ঘষে তুলে ফেলবো'- বলতে বোঝানো হয়েছে, মায়ের সান্নিধ্যে সন্তান তার সকল প্রকার দুঃখ-বেদনা-ব্যর্থতা-লজ্জা ভুলে গিয়ে পরম শান্তি লাভ করে।
শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হয়ে একরকম পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে কবি বাড়ির পথে পা বাড়ান। তাঁর মনে পড়ল বাবা-মায়ের সচেতনতামূলক কথাগুলো। মনে পড়ল ভাই-বোনের সতর্ক প্রস্তুতির কথা। লজ্জায় তাঁর হৃদয় ভারী হয়ে উঠল। কিন্তু তাঁর এই ফিরে আসায় মা আনন্দিত হলো। মাকে জড়িয়ে ধরে সমস্ত লজ্জা কোথায় যেন হারিয়ে গেল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
107
উত্তরঃ

উদ্দীপক-২ এর 'ধনে মানে লোকের টানে ভুলিয়ে নিতে চায় যে আমায়' চরণটিতে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার গতানুগতিক নাগরিক জীবনের মোহ থেকে মুক্তির বিষয়টির ইঙ্গিত বহন করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, অস্থির মানব হৃদয় শান্তির জন্য ছুটে বেড়ায় দেশ-বিদেশে। কিন্তু এ ছুটে চলায় কোথাও শান্তির পরশ মেলে না। ধন-সম্পদের লোভের ফাঁদে মানবজীবন ক্রমশই শুধু অশান্ত চঞ্চল হতে থাকে। প্রকৃত শান্তি মেলে তার মায়ের কোলে, তার চিরচেনা প্রকৃতির সান্নিধ্যে। আর যে কারণেই সব মোহ ত্যাগ করে, ভয়কে জয় করে ফিরতে চায় আপন আলয়ে।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরের মোহে যাত্রা করলেও শেষ ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হয়। ব্যর্থতার গ্লানি বুকে চেপে তিনি ঘরের পানে পা বাড়ালেন। তাঁর এ ফিরে আসা মাকে আনন্দিত করল। কবি মাকে জড়িয়ে ধরে প্রত্যাবর্তনের সমস্ত লজ্জা মুছে ফেললেন। তিনি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করলেন, নাগরিক জীবনের চাকচিক্যের চাইতে মাতৃতুল্য, গ্রামীণ সহজ-সরল জীবন পরম মমতার-শান্তির।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
67
উত্তরঃ

নগর জীবনের মোহ নয়, গ্রামীণ সহজ-সরল জীবনেই রয়েছে প্রকৃত শান্তির পরশ- এই বিষয়টিই উদ্দীপক এবং কবিতার মূল বিষয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ১ ও ২ মিলে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার ভাববস্তু প্রকাশে সক্ষম।
উদ্দীপকদ্বয়ে মা-মাতৃভূমির প্রতি কবির গভীর ভালোবাসা প্রকাশিত হয়েছে। মায়ের দরিদ্র দশা কবির নিকট মহামূল্য ধন-রত্নতুল্য। তাই তিনি আর কিছু চান না, কারো ধার ধারেন না। ধনদৌলতের মোহে যে যেখানে খুশি চলে যাক- কবি তাঁর মায়ের ছেঁড়া কাঁথায় পরম মমতায় মাখামাখি করে পরম সুখ অনুভব করেন।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবিকে শহরের চাকচিক্য হাতছানি দিয়ে ডাকলেও ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হওয়ার অজুহাতে তিনি মায়ের টানে গ্রামের পানেই পা বাড়িয়েছেন। মা তাঁকে দেখে আনন্দিত হয়েছেন। মাকে জড়িয়ে ধরে তিনি পরম সুখলাভ করেছেন। ব্যর্থতার গ্লানি উবে গিয়েছে। কীসের লজ্জা কীসের ভয়? যেন তিনি সবকিছুই জয় করেছেন।
উদ্দীপক এবং কবিতা উভয় ক্ষেত্রেই লক্ষ করি, সন্তানের জন্য মায়ের কোল যেমন নিরাপদ এবং শান্তির স্থান- তেমনি মাতৃতুল্য তাঁর মাতৃভূমিও বটে। একজন মানুষ অর্থ-সম্পদের মোহে বিদেশে যেতে বাধ্য হলেও প্রকৃতপক্ষে তার মন কাঁদে মা এবং মাতৃভূমির জন্য। শেকড়ের সাথে বৃক্ষের যেমন সম্পর্ক- তেমনি মা-মাতৃভূমির সাথে প্রতিটি মানুষের সম্পর্ক প্রগাঢ়। শহর জীবনের কৃত্রিম চাকচিক্যময় পরিবেশে মানুষ হাঁপিয়ে ওঠে। গ্রাম্য প্রকৃতির স্নিগ্ধ মায়াময় পরিবেশই মানবজীবনকে করে তোলে মধুময়-গীতিময়-ছন্দময়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
86
উত্তরঃ

কবিতায় যাদের সাথে কবির শহরে যাওয়ার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখের কথা বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
88
উত্তরঃ

প্রশ্নোক্ত চরণে কবির ট্রেন ধরতে না পারার হতাশাগ্রস্ত মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে।
কবি শহরমুখী ট্রেন ধরার জন্য স্টেশনের দিকে ছুটে যান। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পৌছাতে ব্যর্থ হন। কবিকে স্টেশনে রেখে ট্রেন নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যের দিকে ছুটে যায়। কবি হতাশ হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সে দৃশ্য দেখেন। এই দৃশ্যের অসহ্য যন্ত্রণা কবিকে বিদ্ধ করেছে। কবিকে রেখেই ট্রেন' হুইল বাজিয়ে শহর অভিমুখে তাঁর সহযাত্রীদের নিয়ে নির্দয়ভাবে চলেছে। এই হতাশাব্যঞ্জক অভিব্যক্তিই কবি ফুটিয়ে তুলেছেন আলোচ্য চরণে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
74
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews