একই ভাষা, সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক ক্ষমতা এবং ধর্মীয় নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে ‘ক’ রাষ্ট্রের সংবিধান রচনা করা হলো । এ রাষ্ট্রের সংবিধানে রাষ্ট্রের সকল কাজে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। । উক্ত রাষ্ট্রের আইন সভায় একটি বিল পাসের ব্যাপারে আইন সভার মোট ২১০ জন সদস্যের মধ্যে ১৪০ জনের সম্মতি না থাকায় বিলটি বাতিল হয়ে যায় ।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধান ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে সংবিধানের অধিকাংশ নিয়ম কোনো দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে না তাকে অলিখিত সংবিধান বলে। এ ধরনের সংবিধানের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- প্রথা ও রীতিনীতিভিত্তিক, চিরাচরিত নিয়ম ও আচার- অনুষ্ঠানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা। কোনো পরিষদ, সম্মেলন বা বিশেষভাবে গঠিত আইন পরিষদ কর্তৃক অলিখিত সংবিধান সৃষ্টি করা হয় না। লিখিত সংবিধান যেমন দুলিল আকারে পাওয়া যায়, অলিখিত সংবিধান সেরূপ পাওয়া যায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সংশোধনের ভিত্তিতে 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।
সংবিধান কোন পদ্ধতিতে সংশোধন করা যেতে পারে তার ওপর ভিত্তি করে সংবিধানকে সুপরিবর্তনীয় ও দুষ্পরিবর্তনীয় এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। সাধারণ আইন পাসের পদ্ধতিতে সুপরিবর্তনীয় সংবিধান অতি সহজে পরিবর্তন করা যায়। অন্যদিকে দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান সংশোধন সাধারণ আইন পাসের পদ্ধতি দ্বারা সম্ভব হয় না। আর উদ্দীপকের সংবিধানও যেহেতু সহজে পরিবর্তন করা যায় না সেহেতু এটিও দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'ক' রাষ্ট্রটির সংবিধান একই ভাষা, সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক ক্ষমতা এবং ধর্মীয় নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে রচনা করা হয়। রাষ্ট্রের আইনসভায় একটি বিল পাসের ব্যাপারে আইন সভার মোট ২১০ জন সদস্যের মধ্যে ১৪০ জনের সম্মতি না থাকায় বিলটি বাতিল হয়ে যায়, যা আমরা দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে দেখতে পাই। কেননা আমরা জানি, দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধানের কোনো বিধান সহজে সংযোজন, পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না। এক্ষেত্রে সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় করা যায় না। প্রয়োজন হয় বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সম্মেলন ও ভোটাভুটির। তাই বলা যায় সংশোধনের ভিত্তিতে 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানে বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।

সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দলিল। সংবিধানে নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্য, শাসকের ক্ষমতা, নাগরিক ও শাসকের সম্পর্ক কীরূপ হবে তা সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। আর বাংলাদেশের এ সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের সাথে উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই যে, একই ভাষা, সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক ক্ষমতা এবং ধর্মীয় নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধান রচিত হয়েছে। এ রাষ্ট্রের সংবিধানে রাষ্ট্রের সকল কাজে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। এ রাষ্ট্রের আইনসভায় একটি বিল পাসের ব্যাপারে আইনসভার মোট ২১০ জন সদস্যের মধ্যে ১৪০ জনের সম্মতি না থাকায় বিলটি বাতিল হয়ে যায়। অনুরূপভাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি করা হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এসব মূলনীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত ও প্রভাবিত হয়ে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। তাছাড়া 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের ন্যায় বাংলাদেশের সংবিধানও দুষ্পরিবর্তনীয়। এর কোনো নিয়ম পরিবর্তন বা সংশোধন করতে জাতীয় সংসদের মোট সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন হয় ।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানে বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
466

আমরা রাষ্ট্রে বাস করি। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। এসব নিয়মাবলির সমষ্টিকে সংবিধান বলে । সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় । সংবিধানকে বলা হয় রাষ্ট্রের দর্পণ বা আয়নাস্বরূপ । সংবিধানে নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, শাসকের ক্ষমতা এবং নাগরিক ও শাসকের সম্পর্ক কিরূপ হবে তা সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে । কাজেই রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সংবিধান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন । এ অধ্যায়ে আমরা সংবিধানের ধারণা, সংবিধানের গুরুত্ব, সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি, বিভিন্ন প্রকার সংবিধানের বৈশিষ্ট্য, বাংলাদেশের সংবিধান তৈরির ইতিহাস, এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য এবং বিভিন্ন সংশোধনী সম্বন্ধে জানব ।

এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা-

  •  সংবিধানের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  • সংবিধান প্রণয়নের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  •  উত্তম সংবিধানের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
  •  বাংলাদেশের সংবিধান রচনার ইতিহাস বর্ণনা করতে পারব।
  •  বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।       
  •  বাংলাদেশের সংবিধানের বিভিন্ন সংশোধনী বর্ণনা করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন যে অধিকার সনদ প্রণয়ন করেছিলেন তার নাম 'ম্যাগনাকার্টা'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.1k
উত্তরঃ

একটি রাষ্ট্রকে সঠিক ও যথার্থভাবে পরিচালনা ও রাষ্ট্রীয় জীবনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সুষ্ঠু সংবিধান প্রণয়ন অপরিহার্য।
সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দলিল। এর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। সংবিধানে নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, শাসকের ক্ষমতা এবং নাগরিক ও শাসকের সম্পর্ক কীরূপ হবে তা সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে। জনগণের মৌলিক অধিকার কী কী এবং কীভাবে সংরক্ষিত হবে তাও সংবিধান নির্দিষ্ট করে। সংবিধান ছাড়া একটি সভ্য রাষ্ট্র পরিচালনার কথা কল্পনা করা যায় না। তাই বলা যায়, রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বিক দিক পরিচালনা ও উন্নয়নের জন্য সংবিধান প্রণয়ন প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.5k
উত্তরঃ

'ক' সংগঠনটি পরিচালনার নিয়মাবলি অলিখিত সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অলিখিত সংবিধানের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- এটি ঐতিহাসিকভাবে উদ্ভূত সাধারণ প্রচলিত প্রথা, রীতি-নীতি, অভ্যাস-আচরণের ওপর ভিত্তি করে সৃষ্টি হয়। কোনো পরিষদ, সম্মেলন বা বিশেষভাবে গঠিত আইন পরিষদ কর্তৃক অলিখিত সংবিধান সৃষ্টি করা হয় না। লিখিত সংবিধান যেমন দলিল আকারে পাওয়া যায়, অলিখিত সংবিধান সেরূপ পাওয়া যায় না। অলিখিত সংবিধানের পরিবর্তন প্রক্রিয়াও সহজ। অলিখিত সংবিধান ব্যবস্থায় সাধারণ আইন-কানুন ও শাসনতান্ত্রিক আইনের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
উদ্দীপকের 'ক' নামক সামাজিক সংগঠনটি চিরাচরিত নিয়ম-কানুন অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এর নিয়মগুলো কোথাও লিপিবদ্ধ করা হয়নি। এতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়। এখানে মূলত অলিখিত সংবিধানের প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে। কেননা 'ক' নামক সংগঠনের নিয়মগুলোর বৈশিষ্ট্যে উপরে আলোচিত অলিখিত সংবিধানের বৈশিষ্ট্যেরই প্রতিফলন।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'ক' সংগঠন পরিচালনার নিয়মাবলির সাথে অলিখিত সংবিধানের বৈশিষ্ট্যেগুলো সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
898
উত্তরঃ

'খ' প্রতিষ্ঠানের নিয়মাবলির সাথে লিখিত সংবিধানের সাদৃশ্য রয়েছে। 'ক' ও 'খ' প্রতিষ্ঠান দুটির পরিচালনার নিয়মাবলির মধ্যে আমি 'খ' প্রতিষ্ঠানের নিয়মাবলি উত্তম বলে মনে করি।
লিখিত সংবিধানের অধিকাংশ ধারা লিখিত থাকে বলে এটি জনগণের নিকট সুস্পষ্ট ও বোধগম্য হয়। এতে সাধারণত সংশোধন পদ্ধতি উল্লেখ থাকে বিধায় খুব সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না। আবার লিখিত সংবিধান স্থিতিশীল বিধায় শাসক তার ইচ্ছামতো এটি পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে না। লিখিত সংবিধানের সকল ধারা জনগণ ও শাসক মেনে চলতে বাধ্য হয়। সংবিধান লিখিত থাকায় জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত হয়।
অন্যদিকে অলিখিত সংবিধান অস্পষ্টতা দোষে দুষ্ট। শাসক-শাসিতের সম্পর্ক বা অন্যান্য বিষয়গুলো এ সংবিধানে লিখিত থাকে না। সে কারণে শাসক ও শাসিত তাদের সুনির্দিষ্ট অধিকার, কর্তব্য ইত্যাদি বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা গ্রহণ করতে পারে না। ফলে শাসনব্যবস্থায় জটিলতা সৃষ্টি হয়। আবার অধিক পরিবর্তনশীলতার কারণে সংবিধানে স্থায়ী নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রতিকূলতা সৃষ্টি হয়। তাছাড়া অলিখিত সংবিধানে জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হবার আশঙ্কা থাকে।
উদ্দীপকের 'খ' নামক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও স্কুল পরিচালনায় সুস্পষ্টভাবে লিখিত নিয়মকানুন মেনে চলেন এবং যেকোনো ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সক্ষম হন। তাই আমি মনে করি 'ক' ও 'খ' প্রতিষ্ঠান দুটির নিয়মাবলির মধ্যে 'খ' প্রতিষ্ঠানের নিয়মাবলি উত্তম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
862
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধান ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
871
উত্তরঃ

যে সংবিধানের অধিকাংশ নিয়ম কোনো দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে না তাকে অলিখিত সংবিধান বলে। এ ধরনের সংবিধানের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- প্রথা ও রীতিনীতিভিত্তিক, চিরাচরিত নিয়ম ও আচার- অনুষ্ঠানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা। কোনো পরিষদ, সম্মেলন বা বিশেষভাবে গঠিত আইন পরিষদ কর্তৃক অলিখিত সংবিধান সৃষ্টি করা হয় না। লিখিত সংবিধান যেমন দুলিল আকারে পাওয়া যায়, অলিখিত সংবিধান সেরূপ পাওয়া যায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.8k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews