একজন আদর্শ মহাপুরুষ ৬ বছর পর ১৪০০ অনুসারি নিয়ে নিজ জন্মভূমি দর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল প্রিয় ভূমিদর্শন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা। পথিমধ্যে তিনি বিধর্মীদের দ্বারা বাঁধাপ্রাপ্ত হলে উভয়ের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আদর্শ মহাপুরুষ ধর্ম পালন না করে অনুসারিদের নিয়ে পূর্বের শহরে ফিরে যান।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

সাবা-আল-মুয়াল্লাকাত' শব্দের অর্থ- 'সপ্ত ঝুলন্ত কবিতা'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর ওফাতের পর মিথ্যা নবুয়াতের দাবিদারদেরকে ভন্ডনবি বলা হয়।
রাসুল (স)-এর ওফাতের পর ইসলামি সম্রাজ্যের সর্বত্র চরম অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সমগ্র আরবের বিভিন্ন স্থানে মুসায়লামা, তোলায়হা, বানু আসাদ, সাজাহসহ অনেকেই নবুয়ত দাবি করেন। তারা ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বকরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। কিন্তু আবু বকর (রা.) তাদের কঠোরভাবে দমন করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ইসলামের ইতিহাসে হুদায়বিয়ার সন্ধি একটি যুগান্তকারী ঘটনা। পবিত্র কুরআনে একে প্রকাশ্য বিজয় বলে ঘোষণা করা হয়েছে। মহানবি (স) ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে হজব্রত পালন করার জন্য ১৪০০ সাহাবি নিয়ে মক্কার উদ্দেশে রওয়ানা দেন। কিন্তু মক্কার কাফিরদের দুরভিসন্ধির কথা জানতে পেরে মহানবি (স) হুদায়বিয়া নামক স্থানে শিবির স্থাপন করেন। তারপর কুরাইশদের সাথে সন্ধি আলোচনার জন্য ওসমান (রা)-কে পাঠান। কিন্তু তারা হযরত ওসমানকে (রা) আটকিয়ে রাখে। ফলে হত্যার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। মহানবি (স) এই হত্যার বদলা নেওয়ার জন্য দৃঢ় শপথ করেন। যা দেখে কুরাইশরা সন্ধিচুক্তি করে। আর এ চুক্তিটি ইসলামের ইতিহাসে হুদায়বিয়ার সন্ধি নামে পরিচিত। এতে বেশকিছু শর্ত ছিল। নিম্নে তিনটি উল্লেখ করা হলো-

১. মুসলমানরা এ বছর (৬২৮) হজ পালন না করে মদিনায় প্রত্যাবর্তন করবে।
২. আগামী ১০ বছর যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ থাকবে।
৩. পরবর্তী বছর হজ পালন করতে পারবে। তবে বেশিদিন অবস্থান করতে পারবে না।
উদ্দীপকে দেখা যায় একজন আদর্শ মহাপুরুষ ১৪০০ অনুসারি নিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করার জন্য রওয়ানা হলে পথিমধ্যে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। যা হুদায়বিয়ার সন্ধিকে নির্দেশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাহ্যিক দৃষ্টিতে হুদায়বিয়ার সন্ধি মুসলমানদের পরাজয়কে তুলে ধরলেও পরোক্ষভাবে এটি ছিল মুসলমানদেরই প্রকাশ্য বিজয়

বাহ্যিক দৃষ্টিতে হুদায়বিয়ার সন্ধি মুসলমানদের স্বার্থের পরিপন্থি বলে মনে হলেও দূরদৃষ্টি দিয়ে বিচার করলে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, এ সন্ধি মুসলমানদের অনুকূলে সম্পাদিত হয়েছিল। ইসলামের সর্বাত্মক বিজয় সংকেত এতে লুকায়িত ছিল। সম্বি স্বাক্ষর করে মহানবি (স) অসাধারণ প্রজ্ঞা ও কূটনৈতিক দক্ষতার পরিচয় দেন। এ চুক্তি বিশ্বে মুসলমানদের একটি স্থায়ী অবস্থান তৈরি করে। তাই পবিত্র কুরআন এ চুক্তিকে 'ফাতহুম মুবিন' বা প্রকাশ্য বিজয় হিসেবে আখ্যায়িত করা 'হয়েছে। স্বাধীন ও অবাধ গতিবিধির ফলে অনেক গোত্র ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হলে ইসলামের শক্তি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। হজরত মুহাম্মদ (স) আরব দেশের বাইরে সিরিয়া, মিসর, পারস্য, আবিসিনিয়া প্রভৃতি দেশে এবং আরব দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন গোত্রপতির নিকট দূত প্রেরণ করেন। উপরন্তু কুরাইশগণ নিরপেক্ষ হয়ে পড়ায় মহানবি (স) ইসলামের জাতশত্রু খাইবারের ইহুদিদের শাস্তি দেওয়ার সুযোগ পেলেন। এর ফলে একদিকে হযরতের ক্ষমতা বৃদ্ধি, অপরদিকে কুরাইশদের ক্ষমতা হ্রাস পেতে লাগল। এভাবে বিভিন্ন দিক দিয়ে বিচার করলে দেখা যাবে যে, হুদায়বিয়ার সন্ধি মুসলমানদের অনুকূলে থাকায় ইসলাম ধর্ম ও রাষ্ট্র হিসেবে আরবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং বহির্বিশ্বে এর সম্প্রসারণে সহায়তা করে। যথার্থ অর্থে এ সন্ধি ছিল ইসলামের "মহাবিজয়" বা "প্রকাশ্য বিজয়"। উদ্দীপকে দেখা যায়, একজন মহাপুরুষ ১৪০০ অনুসারি নিয়ে প্রিয় ভূমিদর্শন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে যাত্রা শুরু করেন। কিন্তু পথিমধ্যে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে সন্ধি স্থাপন করেন। যা হুদায়বিয়ার সন্ধিকে নির্দেশ করে।
পরিশেষে বলা যায়, বৃহৎ বিজয়ের পথ তৈরিতে হুদায়বিয়ার সন্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
27

Related Question

View All
উত্তরঃ

সততা ও বিশ্বস্ততার ধারক হওয়ায় মহানবি (স)-কে আল-আমিন বলা হয়।

আল আমিন' শব্দের অর্থ বিশ্বাসী। মহানবি (স) ছোটবেলা থেকেই এ গুণটির অধিকারী ছিলেন। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলতেন না। তাই সবাই তাঁকে প্রচণ্ড বিশ্বাস করত এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখত। এ মহান গুণের জন্য তাঁকে সবাই 'আল-আমিন' বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
131
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণে দেওয়া দাস-দাসীদের প্রতি সদয় আচরণের উপদেশটি মেনে চললে আশরাফ সাহেব অধীনদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না।

১০ম হিজরির ৯ জিলহজ (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) মহানবি (স) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যা বিদায় হজের ভাষণ নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মানবজাতির সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহারও ছিল এ ভাষণের একটি উপদেশ। কিন্তু আশরাফ সাহেব এ নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন।
আশরাফ সাহেব তার অধীন ড্রাইভার, পরিচারিকা, বাবুর্চির সাথে সমতাভিত্তিক আচরণ করেন না। তিনি তাদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তাদের চিকিৎসা, পোশাক, বাসস্থানের ব্যাপারেও তিনি উদাসীন। অথচ বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (স) বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করো না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে- ভুলে যেও না তারাও তোমাদের মতো মানুষ।'
রাসুল (স)-এর এ নির্দেশ মেনে চললে আশরাফ সাহেব তার অধীন কর্মচারীদের প্রতি অন্যায় আচরণ করতে পারতেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
73
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের নারীর প্রতি সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনার পরিপন্থি

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা। এ ভাষণে মানবজাতির মুক্তির নির্দেশনা দিতে গিয়ে রাসুল (স) বলেন 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের ওপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' কিন্তু জনাব আশরাফ এ নির্দেশ অমান্য করেছেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। তার এ কর্মকাণ্ড ইসলাম তথা রাসুল (স)-এর নির্দেশের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। কারণ ইসলাম নারীর সবধরনের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। মহান আল্লাহ স্ত্রীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুল (স)ও বিদায় হজের ভাষণে স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলাম নারীকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে তাদের সকল প্রকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই প্রত্যেকের কর্তব্য হলো ইসলামের এ নির্দেশ মেনে চলে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
80
উত্তরঃ

হিলফুল ফুজুল বলতে কিশোর বয়সে মহানবি (স) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তিসংঘকে বোঝায়।

মহানবি (স) ছিলেন শান্তির দূত। তাই বালক বয়সে যখন তিনি পাঁচ বছর স্থায়ী 'হারবুল ফুজ্জার' যুদ্ধের (৫৮৪-৫৮৮ খ্রি.) ভয়াবহতা দেখলেন তখন তাঁর অন্তর মানবতার জন্য কেঁদে উঠল। এ প্রেক্ষিতেই তিনি সমমনা কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামের শান্তিসংঘটি। সংগঠনটি গোত্রীয় যুদ্ধের অবসানসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করত। এটি প্রায় ৫০ বছর স্থায়ী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
344
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews