একজন চিকিৎসাবিজ্ঞানী যখন বিভিন্ন গাছগাছড়ার রোগ নিরাময় ক্ষমতার ভিত্তিতে এগুলোর বিন্যাস করেন, সেটি হবে নিজস্ব বা ব্যবহারিক। কারণ এখানে গাছগাছড়ার মৌলিক সাদৃশ্য বাদ দিয়ে বিশেষ ব্যক্তির নিজস্ব প্রয়োজনে তারই ইচ্ছামতো বা মনগড়া সৃষ্ট কতকগুলো বাহ্যিক সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে করা হয়। কিন্তু গাছগাছড়াকে যখন ফুলের ভিত্তিতে সপুষ্পক ও অপুষ্পক ইত্যাদি ভাগে ভাগ করা হয় তখন তা স্বাভাবিক বিন্যাস।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

পরমতম জাতি, প্রান্তস্থিত বস্তু, সীমিত জ্ঞানসম্পন্ন বস্তু, নিয়ত পরিবর্তনশীল বস্তু ও অতুলনীয় বস্তুর শ্রেণিকরণ সম্ভব নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জগতের এমন কিছু বিষয় আছে, যেগুলোর ক্ষেত্রে শ্রেণিকরণের প্রক্রিয়াটি প্রয়োগ করা যায় না। এ রকম দুটি সীমা নিচে উল্লেখ করা হলো-

১। উচ্চতম বা পরমতম জাতির শ্রেণিভুক্ত করা যায় না। উচ্চতম জাতির উর্ধ্বে কোনো জাতি নেই বলে তাকে কোনো জাতির অন্তর্ভুক্ত করা যায় না। 

২। প্রান্তিক দৃষ্টান্তের শ্রেণিকরণ সম্ভব নয়। কেননা প্রান্তিক দৃষ্টান্তের প্রকৃত চরিত্র সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত হতে পারি না। প্রান্তিক দৃষ্টান্তে বিভিন্ন শ্রেণির কিছু লক্ষণ আছে বলে তাকে কোনো বিশিষ্ট শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা যায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিধৃত বিষয়টি পাঠ্যক্রমের প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে। নিচে এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো-

কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বস্তুসমূহ বা ঘটনাবলিকে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে একত্রে সন্নিবেশিত করার মানসিক প্রক্রিয়াকে শ্রেণিকরণ বলে। শ্রেণিকরণ দুই প্রকার; যথা: প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণ। যে শ্রেণিকরণে বস্তু বা বিষয়সমূহ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে বিন্যস্ত করা হয় তাকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ বলা হয়। যেমন: প্রাণিজগতে মেরুদণ্ড থাকা বা না থাকার ভিত্তিতে প্রাণিকুলকে মেরুদন্ডী ও অমেরুদণ্ডী এ দুই শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা যায়। এই শ্রেণিকরণকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ বলার কারণ হচ্ছে, যে মৌলিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতে আমরা এ প্রকারের শ্রেণিকরণ করি সে মৌলিক ও অপরিহার্য সাদৃশ্যগুলো স্বয়ং প্রকৃতিতেই বিদ্যমান এবং সেগুলো আমাদের মনগড়া নয়।

অন্যদিকে শ্রেণিকরণে বিশেষ কোনো ব্যবহারিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বস্তু বা বিষয়সমূহকে বিন্যস্ত করা হলে তাকে কৃত্রিম শ্রেণিকরণ বলে। যেমন: যখন মালী ফুলের গাছগুলোর পরিচর্যার উদ্দেশ্য বড় ও ছোট গাছ হিসেবে শ্রেণিকরণ করে তখন তা হয় কৃত্রিম শ্রেণিকরণ। এ শ্রেণিকরণের মাধ্যমে কোনো বিশেষ ব্যবহারিক উদ্দেশ্য সাধিত হয় বলে একে ব্যবহারিক শ্রেণিকরণও বলা হয়।

মূলত প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণকে বৈজ্ঞানিক শ্রেণিকরণ ও কৃত্রিম  শ্রেণিকরণকে অবৈজ্ঞানিক শ্রেণিকরণও বলা হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য নিচে বর্ণনা করা হলো- 

⇨ প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের ভিত্তি হলো মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্য। কিন্তু কৃত্রিম শ্রেণিকরণের ভিত্তি হলো অবাস্তব ও বাহ্যিক সাদৃশ্য। 

⇨ প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের উদ্দেশ্য হলো সর্বজনীন জ্ঞান অর্জন। কিন্তু কৃত্রিম শ্রেণিকরণের উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তিবিশেষের বিশেষ প্রয়োজন মেটানো। 

⇨ প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের সাদৃশ্যের বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকৃতিতে বিদ্যমান থাকে। কিন্তু কৃত্রিম শ্রেণিকরণে সাদৃশ্যের বিষয়বস্তু মানুষের খেয়াল-খুশিমতো সৃষ্টি করা হয়। 

⇨ প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। এ জাতীয় শ্রেণিকরণে বস্তুসমূহ যথাযথভাবে বিন্যাস করা হয়। কিন্তু কৃত্রিম শ্রেণিকরণ একটি অবৈজ্ঞানিক ও ব্যবহারিক পদ্ধতি। 

⇨ প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের ক্ষেত্রে আমরা বস্তু বা ঘটনাবলি সম্পর্কে তত্ত্বগত জ্ঞান লাভ করি। কিন্তু কৃত্রিম শ্রেণিকরণে কেবল ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য সাধিত হয়। এতে জ্ঞান অর্জনের সম্ভাবনা কম। 

⇨ প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণে বস্তুসমূহের গুরুত্বপূর্ণ ও একান্ত প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্যগুলোকে শনাক্ত করতে হয়। এর জন্য আমাদের সংজ্ঞার উপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু কৃত্রিম শ্রেণিকরণ বাহ্যিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতেই করা হয়। এজন্য অনেক সময় একটি নমুনা নির্বাচিত করা হয় এবং এর সাথে মিল রেখেই বস্তুসমূহকে বিন্যস্ত করা হয়। 

⇨ প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ বিজ্ঞানসম্মত। তাই ব্যক্তিভেদে শ্রেণিকরণের মধ্যে কোনো তারতম্য ঘটে না। কিন্তু কৃত্রিম শ্রেণিকরণ ব্যক্তিবিশেষের উদ্দেশ্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় বলে এরূপ শ্রেণিকরণ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
104
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে জাগতিক বিষয়বস্তুকে তাদের মধ্যকার পারস্পরিক সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে মানসিকভাবে একত্রিত করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে শ্রেণিকরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
754
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণের স্বরূপ বিশ্লেষণ করলে এর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। যথা : (১) শ্রেণিকরণ এক ধরনের মানসিক প্রক্রিয়া। (২) শ্রেণিকরণের ভিত্তি হলো সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য। (৩) শ্রেণিকরণ হলো শৃঙ্খলাবদ্ধকরণ বা সুবিন্যস্তকরণ। (৪) শ্রেণিকরণে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য নিহিত থাকে। (৫) শ্রেণিকরণ প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যার সাথে জড়িত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
544
উত্তরঃ

উদ্ভিদবিদ্যার অধ্যাপক রহমান সাহেব সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাঁটতে এসে বিভিন্ন গাছপালা দেখেন। এর মধ্যে কিছু গাছে ফুল ফোটে, কিছু গাছে ফল ধরে, আবার কিছু গাছ ফুল-ফল ছাড়াই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। প্রকৃতির এ বৈচিত্র্যপূর্ণ গাছপালা দেখেই তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন যে, উদ্যানে দুই শ্রেণির উদ্ভিদ রয়েছে। যার কিছু সপুষ্পক উদ্ভিদ এবং কিছু অপুষ্পক উদ্ভিদ। রহমান সাহেব তার ব্যবহারিক সুবিধা বা বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য এই শ্রেণিকরণটি করেছেন।

সাধারণত ব্যবহারিক সুবিধা বা বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য গুরুত্বহীন ও বাহ্যিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতে জাগতিক বস্তু বা ঘটনাবলিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিন্যস্ত করার মানসিক প্রক্রিয়াকে কৃত্রিম শ্রেণিকরণ বলে। বস্তুত কৃত্রিম শ্রেণিকরণে কোনোরূপ প্রাকৃতিক বা বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুসরণ করা হয় না। এ জন্য একে অবৈজ্ঞানিক শ্রেণিকরণ বলা হয়। মূলত ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক সুবিধা সৃষ্টি করা হচ্ছে এরূপ শ্রেণিকরণের প্রধান কাজ।

সর্বোপরি সব দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, রহমান সাহেবের শ্রেণিকরণটি কৃত্রিম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
220
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের মধ্যকার পার্থক্যকে আমি যুক্তিসংগত বলে স্বীকার করি না। কারণ প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের পার্থক্যসমূহ গুণগত নয়, উদ্দেশ্যগত। এজন্য এদের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো রেখা টানাও ঠিক নয়। 

বস্তুত বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে এক অর্থে সব শ্রেণিকরণই প্রাকৃতিক, আবার অন্য অর্থে সব শ্রেণিকরণই কৃত্রিম। সব শ্রেণিকরণই প্রাকৃতিক হওয়ার কারণ হিসেবে বলা যায়, যেকোনো বিষয়ের শ্রেণিকরণ করতে গিয়ে প্রযোজ্য সাদৃশ্যের বিষয়গুলোকে আমরা আমাদের মনের উপর নির্ভরশীল বলে মনে করি। প্রকৃতপক্ষে সেগুলো প্রকৃতিতেই বিদ্যমান থাকে। অর্থাৎ এসব সাদৃশ্য মনবহির্ভূত এবং এগুলো বহির্জগতে স্বাধীন ও স্বতন্ত্রভাবে বিরাজ করে। আমাদের মন কেবল সাদৃশ্যের বিষয়গুলোকে নির্বাচন করে সেগুলোর ভিত্তিতে জাগতিক বস্তুসমষ্টি বা ঘটনাবলিকে শ্রেণিবদ্ধ করে মাত্র। অন্যদিকে সব শ্রেণিকরণকেই কৃত্রিম বলার কারণ হিসেবে বলা যায়, সব শ্রেণিকরণই মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট। অর্থাৎ মানুষই নিজেদের প্রযোজন অনুযায়ী প্রকৃতিতে বিদ্যমান বস্তু বা ঘটনাবলিকে নির্বাচন করে সেগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করে। কারণ প্রকৃতির এমন কোনো নিজস্ব শক্তি নেই, যার ফলে প্রকৃতির বস্তুসমষ্টি বা ঘটনাবলি নিজে নিজেই শ্রেণিবদ্ধ হতে পারে। এককথায়, প্রকৃতিতে বস্তু বা ঘটনাবলি যেভাবে থাকার সেভাবেই থাকে। এমনকি মানুষও তাদেরকে বিভিন্ন জায়গা থেকে তুলে এনে পাশাপাশি শ্রেণিবদ্ধ করে না; বরং এগুলোকে মানুষ শ্রেণিবদ্ধ করে মনে মনে। কাজেই শ্রেণিকরণটি ঘটে মানুষের মনে মনে, বাস্তবে নয়। আর এদিক থেকেই বলা যায়, সব শ্রেণিকরণই মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট, সুতরাং তা কৃত্রিম।

তাই প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের মধ্যে পার্থক্যকে আমি যথার্থ বলে মনে করি না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
230
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণের ভিত্তি হচ্ছে সংজ্ঞা, কিন্তু মতান্তরে লক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
299
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণের মাধ্যমে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে জাগতিক বস্তু বা ঘটনাবলিকে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা হয়। তবে অনেক সময় কয়েকটি শ্রেণির মধ্যে একই গুণ বিভিন্ন মাত্রায় বিদ্যমান থাকে। এ অবস্থায় সেই শ্রেণিগুলোকে আবার গুণের মাত্রা অনুসারে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। আর এভাবে শ্রেণিবিন্যাস করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে ক্রমিক শ্রেণিকরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
331
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews