ইসিজি এর পূর্ণনাম হলো- Electrocardiogram.
আল্ট্রাসনোগ্রাফির স্বাস্থ্য ঝুঁকি আছে। আল্ট্রাসাউন্ড বা শ্রবণোত্তর শব্দ, তরফা একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো এটি কঠিন অস্থি ভেদ করতে পারে না। এতে অস্থির পেছনের অংশ সম্পূর্ণরূপে সর্বদা ধরা পড়ে না। একজন দক্ষ অপারেটর ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের উপস্থিতিতে আল্ট্রাসনোগ্রাফ করানোর মাধ্যমে ঝুঁকি অনেকটা এড়ানো যায়।
রোগীর মাথা ব্যথার কারণ জানতে তার মাথায় MRI বা Magnetic Resonance Imaging পদ্ধতি করতে হবে। এই কৌশল দ্বারা শরীরের যে কোনো অজোর, বিশেষশত নরম ও সংবেদনশীল অজ্যের পরিষ্কার ও বিস্তারিত ছবি তোলা সম্ভব। নিচে MRI-এর ক্রিয়া কৌশল ব্যাখ্যা করা হলো-
MRI-এ প্রধানত চৌম্বকক্ষেত্রকে কাজে লাগানো হয়েছে।
এক্ষেত্রে রোগীকে চৌম্বকক্ষেত্রে রেখে তার শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ চৌম্বক তরঙ্গ দেওয়া হয়। এর প্রভাবে মানব শরীরে থাকা পানি চৌম্বকায়িত হয়। ফলে পানির অণুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করে।
উদ্দীপকে ডাক্তারের গৃহীত ব্যবস্থাটি হলো ইসিজি। ইসিজির সাহায্য মানুষের হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক এবং পেশিজনিত কাজকর্মগুলো পর্যবেক্ষণ করা যায়। আমরা জানি, বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই হৃৎপিণ্ড ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরি করে এবং এর সংকেত পেশির ভেতর ছড়িয়ে পড়ে, যার কারণে হৃৎস্পন্দন হয়। ইসিজি যন্ত্র ব্যবহার করে আমরা হৃৎপিণ্ডের এই বৈদ্যুতিক সংকেতগুলো শনাক্ত করতে পারি। এর সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন হার এবং ছন্দময়তা পরিমাপ করা যায়। ইসিজি সংকেত হৃৎপিণ্ডের মধ্যে রক্তপ্রবাহের একটি পরোক্ষ প্রমাণ দেয়।
ইসিজি করতে হলে বৈদ্যুতিক সংকেতগুলো গ্রহণ করার জন্য শরীরে ইলেকট্রোড লাগাতে হয়। দুই হাতে দুটি, দুই পায়ে দুটি এবং ছয়টি হৃৎপিণ্ডের অবস্থান-সংলগ্ন বুকের উপর লাগানো হয়। প্রত্যেকটি ইলেকট্রোড থেকে বৈদ্যুতিক সংকেতকে সংগ্রহ করা হয়।
একজন সুস্থ মানুষের প্রত্যেকটি ইলেকট্রোড থেকে পাওয়া বৈদ্যুতিক সংকেতের একটা স্বাভাবিক নকশা থাকে। যদি কোনো মানুষের হূৎপিণ্ডে অস্বাভাবিক অবস্থা তৈরি হয়, তখন তার ইলেকট্রোড থেকে পাওয়া সংকেতগুলো স্বাভাবিক নকশা থেকে ভিন্ন হবে।
এভাবে ইসিজি ব্যবহার করে শরীরের ভেতরকার হৃৎপিন্ডের অবস্থার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!