একটি আবদ্ধ পাত্রে অজৈব এসিডের উপস্থিতিতে ইথানল ও জৈব এসিডের বিক্রিয়া ঘটানো হলো, এক ঘণ্টা পর পরীক্ষা করে দেখা গেল ইথানল ও জৈব এসিড তখনো পাত্রে উপস্থিত।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যে বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থগুলো বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হয় এবং একই সাথে উৎপাদ বিক্রিয়া করে পুনরায় বিক্রিয়কে পরিণত হয় তাকে উভমুখী বিক্রিয়া বলে।

উত্তরঃ

যে বিক্রিয়ায় কোনো যৌগের অনুস্থ পরমাণুগুলো বা মূলকগুলোর পুনর্বিন্যস্ত হয়ে একই আণবিক সংকেত বিশিষ্ট নতুন যৌগ উৎপন্ন করে তাকে সামানুকরণ বা পুনবিন্যাস বিক্রিয়া বলে।

NH4CNO সমানুকরণ H2N - CO - NH2

অ্যানোমিয়াম সায়ানেট পুনর্বিন্যস্ত হয়ে ইউরিয়া উৎপন্ন করে এবং এরা উভয়ে পরস্পরের সমান তাই এই বিক্রিয়াটি একটি সমানুকরণ বা পুনর্বিন্যাস বিক্রিয়া।

উত্তরঃ

অজৈব এসিডের উপস্থিতিতে অ্যালকোহল ও জৈব এসিড বিক্রিয়া করে এস্টার উৎপন্ন করে। ইথানল একটি অ্যালকোহল, যার আণবিক সংকেত: CH3CH2OH এবং প্রদত্ত জৈব এসিড CH2COOH | CH3CH2OH ও CH3COOH এর বিক্রিয়ায় এস্টার উৎপন্ন হবার বিক্রিয়াটি হলো নিম্নরূপ-

উত্তরঃ

যে বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কসমূহ বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হয় এবং একই সাথে উৎপাদসমূহ বিক্রিয়া করে পুনরায় বিক্রিয়কে পরিণত হয় তাকে উভমুখী বিক্রিয়া বলে। বিক্রিয়ার সকল বিক্রিয়ক ও উৎপাদ যদি বিক্রিয়ার মাধ্যমে উপস্থিত থাকে তবে সাধারণত বিক্রিয়াটি উভমুখী বিক্রিয়ার ন্যায় আচরণ করে।

উদ্দীপকের বর্ণিত বিক্রিয়াটির সমীকরণ নিম্নরূপ-

এটি একটি উভমুখী বিক্রিয়া কারণ কোন বিক্রিয়ক বা উৎপাদে বিক্রিয়ার মাধ্যম ত্যাগ করে না। এ বিক্রিয়া সংঘটিত হবার এক ঘন্টা পর দেখা যায় পাত্রে তখনো উভমুখী বিক্রিয়া চলছে বিক্রিয়কসমূহ যখন বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হয়, ঠিক তখনই বিক্রিয়াটির উৎপাদ বিক্রিয়া করে বিক্রিয়কে পরিণত হয়। বিক্রিয়াটির ক্ষেত্রে,

হয়ে পুনরায় CH3CH2OH ও CH3COOH উৎপন্ন করছে। অর্থাৎ উভমুখী বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে বিক্রিয়াসমূহ কখনো সম্পূর্ণভাবে উৎপাদে পরিণত হতে পারে না।

147

আমরা জানি, পদার্থের প্রকৃতি, ধর্ম এবং তাদের পরিবর্তন রসায়ন পাঠের মূল বিষয়। আমাদের চারপাশে বিভিন্ন পদার্থ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। ভিন্ন অবস্থায় পরিণত হওয়াকে ভৌত পরিবর্তন এবং সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থে পরিণত হওয়াকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। এই পরিবর্তনগুলো ঘটে নানা ধরনের ভৌত পরিবর্তন ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণে। এই অধ্যায়ে রাসায়নিক বিক্রিয়ার প্রকারভেদ, রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

  • ভৌত পরিবর্তন ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার পার্থক্য করতে পারব ।
     
  • পদার্থের পরিবর্তনকে বিশ্লেষণ করে রাসায়নিক বিক্রিয়া শনাক্ত করতে পারব। 
  •  রাসায়নিক বিক্রিয়ার শ্রেণিবিভাগ, রেডক্স/নন-রেডক্স, একমুখী, উভমুখী, তাপ উৎপাদী, তাপহারী বিক্রিয়ার সংজ্ঞা দিতে পারব এবং বিক্রিয়ার বিভিন্ন প্রকার লনায় করতে পারব।
     
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থের পরিমাণকে লা-শাতেলিয়ারের নীতির আলোকে ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার প্রকার শনা করে পারব।
     
  • বাস্তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংঘটিত বিক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  •  বাস্তব ক্ষেত্রে সংঘটিত ক্ষতিকর বিক্রিয়াসমূহ নিয়ন্ত্রণ বা রোধের উপায় নির্ধারণ করতে পারব। (লোহার তৈরি জিনিসের মরিচা পড়া রোধের যথার্থ উপায় নির্ধারণ করতে পারব।
     
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার ব্যাখ্যা ও সংশ্লিষ্ট হারের তুলনা করতে পারব।
     
  • বিভিন্ন পদার্থ ব্যবহার করে বিক্রিয়ার গতিবেগ বা হার পরীক্ষা ও তুলনা করতে পারব। 
  • দৈনন্দিন কাজে ধাতব বস্তু ব্যবহারে সচেতনতা প্রদর্শন করতে পারব।
     
  • পরীক্ষার সাহায্যে বিক্রিয়ার হারের ভিন্নতা প্রদর্শন করতে পারব।
     
  • অম্ল-ক্ষার প্রশমন বিক্রিয়া এবং অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া প্রদর্শন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থগুলো উৎপাদে পরিণত হয়, কিন্তু উৎপাদ পদার্থগুলো পুনরায় বিক্রিয়কে পরিণত হয় না তাকে একমুখী বিক্রিয়া বলো হয়।

1.2k
উত্তরঃ

কোন বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বিক্রিয়ার বেগ বৃদ্ধি পায়। অতএব, একটি উভমুখী বিক্রিয়ার শুরুতে সম্মুখ বিক্রিয়ার বেগ সবচেয়ে বেশী থাকবে এবং সময়ের সাথে বিক্রিয়ার পরিমাণ কমতে থাকবে ও উৎপাদের পরিমাণ বাড়তে থাকবে। কাজেই সময়ের সাথে সম্মুখ বিক্রিয়ার বেগ কমতে থাকবে এবং বিপরীত বিক্রিয়ার বেগ বাড়তে থাকবে। এক সময় সম্মুখ ও বিপরীত বিক্রিয়ার বেগ সমান হবে। এই অবস্থাকে রাসায়নিক সাম্যাবস্থা বলে।

794
উত্তরঃ

আমরা জানি, কোন মৌল বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার উপাদান মৌলের অক্সাইডে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে দহন বিক্রিয়া বলে। এ বিক্রিয়াটি তাপোৎপাদী।

উদ্দীপকে উল্লেখিত অপু ও সেতু উভয়ের বাসায় রান্নার কাজে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়।

আমাদের দেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাস যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় তার রাসায়নিক নাম মিথেন। অর্থাৎ এক্ষেত্রে মিথেন গ্যাসকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে বা দহন করে তাপ উৎপন্ন করা হয়।
তাই সেতুর বাসায় জ্বালানির দহনে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ থাকায় জ্বালানির পূর্ণ দহনে দহন বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।

CH4(g) + 2O2 (g) → CO2(g) + 2H2O(g) + তাপশক্তি।

আবার অক্সিজেনের সরবরাহ কম হলে জ্বালানির আংশিক দহনেও দহন বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। তাই অপুর বাসায় মিথেনের দহনে বিক্রিয়াটিও দহন বিক্রিয়া।

CH4(g) + 32 O2(g) →CO(g) + 2H2O (g) + শক্তি

CH4(g) + O2 (g) → C(s) + 2H2O(g) + শক্তি

উপরিউক্ত সকল বিক্রিয়ায় প্রাকৃতিক গ্যাস মিথেনকে বায়ুর উপস্থিতিতে পোড়ানো হয়। কাজেই রান্নায় সময় বাসায় সম্পন্ন বিক্রিয়া মূলত দহন বিক্রিয়া।

640
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে অপুর বাসায় রান্নার সময় পাত্রের নিচে কালো দাগ পড়ে। কিন্তু সেতুর বাসায় পাত্রের নিচে কোনো দাগ পড়ে না।

আমরা জানি, প্রাকৃতিক গ্যাস মিথেনকে বায়ুর অক্সিজেনের সাথে পোড়ালে কার্বন-ডাই অক্সাইড, পানি ও প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। তবে দহনকালে অক্সিজেনের সরবরাহ কম হলে মিথেনের আংশিক দহনে কার্বন মনো অক্সাইড/কার্বন ও কম তাপ উৎপন্ন করে এবং পাত্রের নিচে কালো দাগ সৃষ্টি হয়।

CH4 g + 32O2 COg + 2H2O + শক্তি

CH4 g + O2 COg + 2H2O + শক্তি

অন্যদিকে অক্সিজেনের সরবরাহ পর্যাপ্ত হলে জ্বালানির পূর্ণ দহন হয় এবং উৎপাদ হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড, জলীয় বাষ্প ও প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয় কিন্তু পাত্রের তলায় কোন কাল দাগ সৃষ্টি করে না।

CH4 (g)+2O2 (g) CO2(g) + 2H2O + শক্তি।

তাই উপরিউক্ত আলোচনার আলোকে বলা যায় যে, অপুর বাসায় রান্নার কাজে গ্যাসের অপচয় হয়।

700
উত্তরঃ

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে তাপশক্তি উৎপন্ন হয় তাকে তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া বলে।

958
উত্তরঃ

যৌগ গঠনের সময় কোনো মৌলের অন্য মৌলের সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতাকে তার যোজনী বলে। অপরদিকে, কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা হলো মৌলটির চার্জযুক্ত যোজনী। ভিন্ন ভিন্ন যৌগে একই যোজনী বিশিষ্ট মৌলের জারণ মান ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। যেমন- CH4 এবং CCl4 উভয় যৌগে C এর যোজনী 4 কিন্তু CH4- এ C এর জারণ সংখ্যা -4 ও CCl4 এ +4 । অর্থাৎ, যোজনী ও জারণ সংখ্যা এক নয়।

769
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews