একটি ইলেকট্রন ও একটি প্রোটন আলাদাভাবে 0.98C বেগে গতিশীল।

[ইলেকট্রন ও প্রোটনের ভর যথাক্রমে  9.1 × 10-31 kg  1.67 ×10-27 kg]

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

স্থির পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে গতিশীল কাঠামোতে সময়ের পরিমাপ ভিন্ন হয় এবং তা দীর্ঘ বলে মনে হয়, এই ঘটনাকে কাল দীর্ঘায়ন (Time Dilation) বলে। অর্থাৎ, পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে গতিশীল কোনো বস্তু বা ঘটনার জন্য সময় ধীরে অতিবাহিত হওয়ার ঘটনাকে কাল দীর্ঘায়ন বলা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব অনুসারে, কোনো ভরসম্পন্ন বস্তু আলোর বেগে চলতে পারে না। কারণ, যখন কোনো বস্তুর বেগ আলোর বেগের কাছাকাছি পৌঁছায়, তখন এর ভর ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং দৈর্ঘ্য সংকুচিত হয়।

কোনো বস্তুকে আলোর বেগে পৌঁছাতে হলে অসীম পরিমাণ শক্তির প্রয়োজন হবে, যা বাস্তবে অসম্ভব। এই কারণে কেবলমাত্র ভরহীন কণা, যেমন ফোটন, শূন্যস্থানে আলোর বেগে চলতে পারে। যেকোনো ভরসম্পন্ন বস্তু কেবল আলোর বেগের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে, কিন্তু কখনোই আলোর বেগে চলতে পারে না।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ইলেকট্রনটি আলোর বেগের তুলনীয় বেগে গতিশীল। যখন কোনো কণা আলোর বেগের কাছাকাছি বেগে চলে, তখন তার শক্তি আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (Special Theory of Relativity) অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব অনুসারে, একটি গতিশীল কণার মোট শক্তি (Total Energy) তার স্থির ভর শক্তি (Rest Mass Energy) এবং গতিশক্তির সমষ্টি। এটি লোরেনৎস ফ্যাক্টর (\(\gamma\)) ব্যবহার করে \(E = \gamma m_0 c^2\) সূত্র দ্বারা নির্ণয় করা হয়, যেখানে \(m_0\) হলো কণার স্থির ভর, \(c\) হলো আলোর বেগ এবং \(\gamma = \frac{1}{\sqrt{1 - \frac{v^2}{c^2}}}\) হলো লোরেনৎস ফ্যাক্টর, যা কণার বেগ \(v\) এবং আলোর বেগ \(c\) এর অনুপাতের উপর নির্ভরশীল।

উদ্দীপক থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইলেকট্রনের বেগ, \(v = 0.98C\) এবং এর স্থির ভর, \(m_0 = 9.1 \times 10^{-31} \text{ kg}\)। আলোর বেগ, \(c = 3 \times 10^8 \text{ m/s}\)।

প্রথমে লোরেনৎস ফ্যাক্টর (\(\gamma\)) নির্ণয় করি:

\(\gamma = \frac{1}{\sqrt{1 - \frac{v^2}{c^2}}} = \frac{1}{\sqrt{1 - (0.98)^2}} = \frac{1}{\sqrt{1 - 0.9604}} = \frac{1}{\sqrt{0.0396}} \approx \frac{1}{0.198997} \approx 5.0257\)

এবার ইলেকট্রনের মোট শক্তি নির্ণয় করি:

\(E = \gamma m_0 c^2\)

\(E = 5.0257 \times (9.1 \times 10^{-31} \text{ kg}) \times (3 \times 10^8 \text{ m/s})^2\)

\(E = 5.0257 \times 9.1 \times 10^{-31} \times 9 \times 10^{16} \text{ J}\)

\(E \approx 411.604 \times 10^{-15} \text{ J}\)

\(E \approx 4.116 \times 10^{-13} \text{ J}\)

সুতরাং, উদ্দীপকের ইলেকট্রনের মোট শক্তি হলো প্রায় \(4.116 \times 10^{-13} \text{ জুল}\)।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

সাধারণত, কোনো বস্তুর গতিশক্তি তার ভর ও বেগের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু যখন কোনো কণার বেগ আলোর বেগের কাছাকাছি হয় (যেমন, 0.98C), তখন সাধারণ গতিশক্তির সূত্র \(K = \frac{1}{2}mv^2\) ব্যবহার করা যায় না। এক্ষেত্রে আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (Theory of Relativity) অনুযায়ী কণার আপেক্ষিক গতিশক্তি (Relativistic Kinetic Energy) নির্ণয় করতে হয়। আপেক্ষিক গতিশক্তির সূত্র হলো \(K = (\gamma - 1)mc^2\), যেখানে \(m\) হলো বস্তুর স্থির ভর (rest mass), \(c\) হলো আলোর বেগ এবং \(\gamma\) হলো লরেন্টজ গুণক (Lorentz factor), যার মান \(\gamma = \frac{1}{\sqrt{1 - \frac{v^2}{c^2}}}\)।

উদ্দীপকে একটি ইলেকট্রন ও একটি প্রোটন উভয়েই \(0.98C\) বেগে গতিশীল। এখানে, কণাগুলোর বেগ আলোর বেগের (c) অত্যন্ত কাছাকাছি, তাই আপেক্ষিক গতিশক্তির সূত্র ব্যবহার করতে হবে।

দেওয়া আছে,

        
  • ইলেকট্রনের স্থির ভর, \(m_e = 9.1 \times 10^{-31} \text{ kg}\)
  •     
  • প্রোটনের স্থির ভর, \(m_p = 1.67 \times 10^{-27} \text{ kg}\)
  •     
  • উভয় কণার বেগ, \(v = 0.98c\)
  •     
  • আলোর বেগ, \(c = 3 \times 10^8 \text{ m/s}\)

প্রথমে, লরেন্টজ গুণক \(\gamma\) নির্ণয় করি:

\[ \gamma = \frac{1}{\sqrt{1 - \frac{v^2}{c^2}}} = \frac{1}{\sqrt{1 - \left(\frac{0.98c}{c}\right)^2}} = \frac{1}{\sqrt{1 - (0.98)^2}} \] \[ = \frac{1}{\sqrt{1 - 0.9604}} = \frac{1}{\sqrt{0.0396}} = \frac{1}{0.198997} \approx 5.0256 \]

এবার ইলেকট্রনের গতিশক্তি (\(K_e\)) নির্ণয় করি:

\[ K_e = (\gamma - 1)m_e c^2 = (5.0256 - 1) \times (9.1 \times 10^{-31} \text{ kg}) \times (3 \times 10^8 \text{ m/s})^2 \] \[ = 4.0256 \times 9.1 \times 10^{-31} \times 9 \times 10^{16} \] \[ = 4.0256 \times 81.9 \times 10^{-15} \approx 329.70 \times 10^{-15} \text{ J} \approx 3.297 \times 10^{-13} \text{ J} \]

এখন প্রোটনের গতিশক্তি (\(K_p\)) নির্ণয় করি:

\[ K_p = (\gamma - 1)m_p c^2 = (5.0256 - 1) \times (1.67 \times 10^{-27} \text{ kg}) \times (3 \times 10^8 \text{ m/s})^2 \] \[ = 4.0256 \times 1.67 \times 10^{-27} \times 9 \times 10^{16} \] \[ = 4.0256 \times 15.03 \times 10^{-11} \approx 60.50 \times 10^{-11} \text{ J} \approx 6.050 \times 10^{-10} \text{ J} \]

এবার প্রোটনের গতিশক্তি ইলেকট্রনের গতিশক্তির দ্বিগুণ কিনা তা যাচাই করি:

\[ 2 \times K_e = 2 \times 3.297 \times 10^{-13} \text{ J} = 6.594 \times 10^{-13} \text{ J} \]

যেহেতু \(K_p \approx 6.050 \times 10^{-10} \text{ J}\) এবং \(2K_e \approx 6.594 \times 10^{-13} \text{ J}\), অতএব দেখা যাচ্ছে যে প্রোটনের গতিশক্তি ইলেকট্রনের গতিশক্তির দ্বিগুণ নয়। বরং প্রোটনের গতিশক্তি ইলেকট্রনের গতিশক্তির চেয়ে অনেক গুণ বেশি (প্রায় 1835 গুণ বেশি, কারণ \(K_p/K_e = m_p/m_e\))।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
110

   ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতেন যে, পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে যা জানা দরকার তার অধিকাংশই তারা জেনে ফেলেছেন। নিউটনের গতিসূত্র ও তাঁর বিশ্বজনীন মহাকর্ষ সূত্র, তড়িৎ বিজ্ঞান ও চৌম্বক বিজ্ঞানকে একত্রিত করে ম্যাক্সওয়েলের তাত্ত্বিক কাজ এবং তাপগতিবিদ্যার সূত্র এবং গতি তত্ত্ব অনেক বৈচিত্র্যময় প্রতিভাসের ব্যাখ্যায় সফলতা লাভ করেছে। বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দুটি তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাঁপিয়ে দেয়। এগুলো হলো ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব। দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়।

     আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা তাই ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে। এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা হলো কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান, পরিসাংখ্যিক (Statistical) বলবিজ্ঞান, কঠিনাবস্থার পদার্থবিজ্ঞান (Solid state physics) প্রভৃতি।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews