মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণ কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করার সময় ডেটার গোপনীয়তা রক্ষার্থে গৃহিত পদ্ধতিই ডেটা এনক্রিপশন।
জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য সংবলিত ডেটাবেজটি একটি রিলেশনাল ডেটাবেজ, যেখানে প্রত্যেক ব্যক্তির একটি করে মৌলিক পরিচয় পত্র নম্বর থাকে যা ডেটাবেজে প্রাইমারি কি হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ব্যক্তির নাম, পরিচয়, ঠিকানা এবং ব্যক্তিগত তথ্য' সংবলিত আরও অনেক ডেটাটেবিল ডেটাবেজে থাকে যা একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত।
তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে ২য় ছাত্রটির কৌশলের নাম সর্টিং।
সর্ট করা মানে হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো। এই ক্রমটি হতে পারে সংখ্যার ক্রম, নামের ক্রম বা অন্যকিছু। সর্টিং করার জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞানে বিভিন্ন ধরনের অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি রয়েছে। কোনোটি সহজ, কোনোটি জটিল, কোনোটি বেশ দ্রুত গতির আবার কোনোটি ধীর গতির। তবে ডেটাবেজে সর্টিং ব্যবহার করার সময় ডেটাবেজ সফটওয়্যার আসলে কীভাবে সর্টিংয়ের কাজটি করবে, তা নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় না, বরং কিসের ভিত্তিতে সাজাতে হবে, আর কোন ক্রমে (ছোট থেকে বড়, নাকি - বড় থেকে ছোট) সেটি বলে দিলেই হয়। সিলেক্ট কুয়েরির শেষে ORDER BY লিখে তারপরে কলামের নাম লিখলে সেই কলামের ডেটা অনুসারে ছোট থেকে বড় ক্রমে ডেটা আসবে। আর উল্টো ক্রমে (অর্থাৎ, বড় থেকে ছোট) ডেটা পেতে চাইলে শেষে DESC লিখতে হবে (Descending te শব্দের প্রথম চারটি অক্ষর)।
১ম ও ৩য় ছাত্রের কৌশল যথাক্রমে কুয়েরি কমান্ড এবং ইনডেক্সিং। কৌশল দুটির মধ্যে ইনডেক্সিং পদ্ধতি উত্তম।
কলেজের ফলাফলের ডেটাবেজ টেবিলে যখন অনেক বেশি ডেটা থাকে তখন বিভিন্ন কুয়েরির গতি অনেক কমে যায়, অর্থাৎ কুয়েরি চলতে অনেক বেশি সময় লাগে। এখন যদি সেখান থেকে নাম কিংবা রোল নম্বর দিয়ে একজন শিক্ষার্থীর তথ্য বের করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে সেই কুয়েরি চলতে বেশ সময় লাগবে। কারণ তখন লিনিয়ার সার্চের মাধ্যমে এক এক করে সবার তথ্য পরীক্ষা করা হবে এবং যাদের সঙ্গে মিল পাওয়া যাবে, তাদের তথ্য দেখানো হবে। টেবিলে যত বেশি রেকর্ড থাকবে, ততো বেশি সময় লাগবে।
ইনডেক্সিং হচ্ছে একটি বিশেষ পদ্ধতি, যার দ্বারা ডেটা সহজে ও দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়। ডেটা যদি সর্ট করা থাকে তাহলে বাইনারি সার্চ ব্যবহার করে খুব দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়। তেমনি কোনো বিশেষ কলামের ওপর ইনডেক্স তৈরি করলে সেই কলামের মান দিয়ে ডেটা খুঁজলে ডেটাবেজ সফটওয়্যার খুব দ্রুত সেটি বের করে দিতে পারে। ডেটাবেজ কীভাবে ইনডেক্স তৈরি করার কাজটি করবে, সেটি ব্যবহারকারীর জানতে হয় না, কেবল কোনো কলামের ওপর ইনডেক্স তৈরি করতে হবে, সেটি বলে দিতে হয়। প্রয়োজন হলে একাধিক কলামের ওপরও ইনডেক্স তৈরি করা যায়।.
উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায় যে, কুয়েরি কমান্ড ও ইনডেক্সিং এর মধ্যে ইনডেক্সিং বেশি উত্তম।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!