বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকসমূহের জমার পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি 'করে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে। বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ দেশের মোট মুদ্রার যোগানের অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মোট অর্থের পরিমাণ যদি বেড়ে যায়, তাহলে দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের মোট মুদ্রার চাহিদা ও যোগানের মধ্যে যথাসম্ভব সমতা বিধান করে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করে। মুদ্রা সংকোচন ও মুদ্রাস্ফীতি এড়ানোর লক্ষ্যে এই ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
উদ্দীপকে সরকারি ব্যয়ের শিক্ষা খাতটি উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা। শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সরকার এদেশের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য প্রতি বছর শত শত কোটি টাকা খরচ করছে। যার জন্য বাংলাদেশ সরকারের বাজেট ঘোষণায় বাড়তি বরাদ্দ রাখতে। হয়। যা সরকারি ব্যয়ের শিক্ষা খাতকে নির্দেশ করে।
অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে সরকারি ব্যয়ের শিক্ষা খাতটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
উদ্দীপকের খাতটি ছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের আরও অনেক খাত রয়েছে বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা খাতের পাশাপাশি নানাবিধ গুরুত্বপূর্ণ খাতে অর্থ ব্যয় করে থাকে। বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকে। এছাড়া সরকারকে প্রশাসনিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক এবং অন্যান্য সেবাধর্মী কর্মকাণ্ডেও ব্যয় করতে হয়। সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা। সরকার দেশের বার্ষিক বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়নমূলক এ দুরকম ব্যয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে থাকে। আবার বাংলাদেশ. সরকার সচিবালয়, হিসাব নিরীক্ষা, জ্বালানি ও শক্তি, খনি, উৎপাদন এবং নির্মাণ প্রভৃতি কাজেও প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে। বাংলাদেশ সরকারকে প্রতিবছরই উপরিউক্ত খাতে প্রচুর পরিমাণে অর্থ ব্যয় করতে হয়। অনেক নতুন নতুন খাত ও ব্যয়ের পরিমাণ প্রতিবছর ক্রমশই বাড়ছে। যার জন্য সরকারকে অনেক সময় ঋণও গ্রহণ করতে হয়। তবে দেশের সার্বিক উন্নতির স্বার্থে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির পরিধি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
উদ্দীপকে সরকারের শিক্ষা খাতটির বিষয় উল্লেখ আছে। উপরের আলোচনা থেকে দেখা যায়, শিক্ষা খাত ছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের আরো অনেক খাত রয়েছে।
Related Question
View Allব্যাংকসমূহকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা- ১. কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ২. বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ৩. বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক প্রচলিত মুদ্রাই দেশের 'চিহ্নিত মুদ্রা'। দেশের কাগজি মুদ্রার প্রচলন ও মুদ্রাব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকে।
মামুন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। দারিদ্র্য নিরসনে এর বহুবিধ কার্যক্রম রয়েছে।
মামুন তার পৈতৃক সম্পত্তি চাষাবাদের কাজে একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য যে ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন সেটি হচ্ছে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক'। ব্যাংক কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। হালের বলদ, বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, পানি সেচের জন্য শক্তিচালিত পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন প্রভৃতি কাজের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে। বর্তমানে কৃষিকার্য ছাড়াও হাঁস-মুরগি ও পশুপালন, মৎস্য উৎপাদন, গুটি পোকার চাষ, ফলের চাষ, ফুলের চাষ ও কুটির শিল্পের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে যাচ্ছে।
উদ্দীপকে মামুন তার পৈতৃক সম্পত্তি চাষাবাদের কাজে একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করেছে। আর এ ধরনের ঋণ প্রদান করে বিশেষভাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। আর মামুনের নলকূপের পানি দিয়ে যেমন গ্রামের কৃষকেরা অধিক ফসল উৎপাদন করছে তেমনিভাবে এ থেকে অনেক কৃষক লাভবান হচ্ছে।
অতএব, দারিদ্র্য নিরসনে কৃষি ব্যাংকের কার্যক্রম অপরিসীম গুরুত্বের দাবিদার।
নাফিজ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। আর বাণিজ্যিক ব্যাংক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বর্তমান সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি, ভ্রমণকারীর ঋণপত্র ইত্যাদি বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। এছাড়া বাট্টা ধার্য করে হুন্ডি বা বিনিময় বিল ভাঙিয়ে দেওয়া বাণিজ্যিক ব্যাংকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক নিরাপদে এবং দ্রুত টাকা স্থানান্তর করে। এসব ব্যাংক চেক, ব্যাংক ড্রাফট, পে- অর্ডার, ভ্রমণকারীর চেক, টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার প্রভৃতি সহজ উপায়ে একস্থান থেকে অন্যস্থানে অর্থ প্রেরণে জনগণকে সহায়তা করে। এ এছাড়া বাণিজ্যিক ব্যাংক মূল্যবান অলংকার ও দলিলপত্র গঞ্ছিত রাখার কাজ করে থাকে। উদ্দীপকের বর্ণনায় দেখা যায়, নাফিজ বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে বাড়ি বন্ধক রেখে বিশ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে পোশাক উৎপাদন কারখানা স্থাপন করেছে। ফলে নাফিজের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে। পাশাপাশি সে গ্রামের প্রায় একশত লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। অর্থাৎ নাফিজ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে টাকা পাওয়ায় তাদের গ্রামের অর্থনীতিতে উন্নয়ন এসেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংক এভাবেই অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যা দ্বারা প্রশ্নোক্ত উক্তিটির যথার্থতার প্রমাণ পাওয়া যায়।
কৃষি ও পল্লি উন্নয়নের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বার্ষিক ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম হার শতকরা ২৫ ভাগ।
বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা।
শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!