একটি গ্রামের জমিদার পুত্র পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামে বেড়াতে গেলে সেখানে সস্ত্রীক হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় এক অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করে, যা শেষপর্যন্ত ব্যাপক সংঘর্ষের রূপ পরিগ্রহ করে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

উড্রো উইলসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাস্তিল দুর্গ ছিল একটি দুর্গ কারাগার। এর অবস্থান ছিল প্যারিস নগরীর কাছে। বুরবোঁ রাজবংশের শোষণ ও অত্যাচারের প্রতীক ছিল এ দুর্গ। ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই সাধারণ জনতার হাতে বাস্তিল দুর্গের পতন হয়। এটি ছিল একটি বড় ঘটনা। কেননা, এটি ছিল রাজতন্ত্রের প্রতীক। এ দুর্গের পতন স্বৈরতন্ত্রের পতনকেই নির্দেশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।
১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার ভাবী উত্তরাধিকারী ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ড বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে স্ত্রী সোফিয়াসহ আততায়ীর গুলিতে নিহত হলে অস্ট্রিয়া সার্বিয়াকে দায়ী করে। জার্মানির সহায়তা নিয়ে ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। অন্যদিকে, ফ্রান্স ও রাশিয়া সার্বিয়াকে রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসে। ক্রমে এ যুদ্ধে ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলো জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে এ যুদ্ধ আমেরিকা ও এশিয়াতেও ছড়িয়ে পড়ে এবং তা বিশ্বযুদ্ধের রূপ পরিগ্রহ করে। সারায়েভোর হত্যাকান্ড এ যুদ্ধের আশু কারণ হলেও এর পিছনে আরও বহুবিধ কারণ বিদ্যমান ছিল। এ যুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছে একশত বছর ধরে। ফরাসি বিপ্লব ও এ বিপ্লবের প্রতি অপরাপর ইউরোপীয় রাজন্যবর্গের প্রতিক্রিয়া প্রথমে বিশ্বযুদ্ধের বীজ বপন করেছিল। এছাড়াও ভিয়েনা কংগ্রেসের ত্রুটি, উগ্র জাতীয়তাবাদের উত্থান, বাণিজ্যিক ও উপনিবেশ বিস্তারের প্রতিযোগিতা, কাইজার দ্বিতীয় উইলিয়ামের পররাষ্ট্র নীতি, বিসমার্কের কূটনীতি, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বেকার কতিপয় আন্তর্জাতিক সংকট ইত্যাদি ছিল প্রথ বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম কারণ।

উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি গ্রামের জমিদার পার্শ্ববর্তী গ্রামে বেড়াতে গেলে সস্ত্রীক তাকে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকে কেন্দ্র করে অনেক দেশ মারাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, যা পরবর্তীতে ভয়াবহ রূপধারণ করে। উদ্দীপকের এ ঘটনার সাথে উপরে বর্ণিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ঘটনার মিল রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উক্ত ঘটনাই অর্থাৎ অস্ট্রিয়ার যুবরাজ এবং তার স্ত্রীর হত্যাকাণ্ড প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে বিবেচিত বলে আমি মনে করি।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয় অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফার্ডিনান্ড ও তার স্ত্রী সোফিয়ার হত্যাকণ্ডকে কেন্দ্র করে। ১৯১৪ সালে ২৮ জুন সকাল ১১ টায় যুবরাজ ফার্ডিনান্দ বসনিয়ার সারায়েভোতে স্ত্রী সোফিয়াসহ ভ্রমণ করার সময় সার্ব আততায়ীর হাতে নিহত হন। এ হত্যাকান্ডের ফলে অস্ট্রিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। অস্ট্রিয়া সার্বিয়াকে এজন্য দোষারোপ করে এবং এর প্রতিবাদে তিনটি দাবি সংবলিত একটি চরমপত্র দেয়।

অস্ট্রিয়া ১৯১৪ সালের ২৩ জুলাই সার্বিয়া সরকারের কাছে একটি চরমপত্র পাঠিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এর দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য চাপ দেয়। সার্বিয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই প্রত্যুত্তর প্রদান করে। বিষয়গুলো মধ্যস্থতার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রস্তাব দেয়। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয় লঙ্ঘন করার দাবি যে অন্যায় সে সম্পর্কেও সার্বিয়া পত্রে উল্লেখ করে। স্বভাবতই অস্ট্রো-হাঙ্গেরিকে সার্বিয়ার বক্তব্য সন্তুষ্ট করেনি। অস্ট্রিয়া সার্বিয়ার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। এর মধ্যে শক্তিশালী জার্মানি অস্ট্রিয়াকে সমর্থন দেয়। অস্ট্রিয়া জার্মানির সমর্থন পেয়ে সার্বিয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে এবং ২৮ জুলাই সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড আক্রমণ করে দখল করে নেয়। এদিকে রাশিয়া ও ফ্রান্স সার্বিয়াকে রক্ষার জন্য এগিয়ে আসে। ক্রমে ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলো যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে বিশ্বিযুদ্ধের রূপ নেয়।
পরিশেষে বলা যায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অন্যান্য কারণ থাকলেও এর প্রত্যক্ষ কারণ ছিল অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফার্ডিনান্ড ও তার স্ত্রী সোফিয়ার হত্যাকাণ্ড।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
33
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

'লিজিয়ন অব অনার' হচ্ছে এক ধরনের উপাধি, যা ১৮০২ সালের ১৯ মে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট প্রবর্তন করেন। এটি ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মাননা। লিজিয়ন অব অনার পাঁচ ভাগে বিভক্ত। যথা- ১. নাইট, ২. অফিসার, ৩. কমান্ডার, ৪. গ্র্যান্ড অফিসার ও ৫. গ্র্যান্ড ক্রস

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
102
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনাটি আমার পাঠ্যপুস্তকের ভার্সাই সন্ধির সাথে সংশ্লিষ্ট।
সারায়েভো হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয় এবং প্রায় পুরো বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তিনটি মহাদেশের ৩৪টি দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। চার বছরের অধিককাল স্থায়ী এ যুদ্ধে জার্মানি পরাজিত হলে বিজয়ী বিশ্বশক্তি জোট ১৯১৯ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে জার্মানিকে একটি চুক্তি স্বাক্ষরে বাধ্য করে। সন্ধি স্বাক্ষরের পূর্বে ভার্সাই সন্ধির খসড়া জার্মানিকে দেওয়া হয়নি। তাই পরবর্তীতে জার্মানিরা এ সন্ধিকে চাপিয়ে দেওয়া সন্ধি বলে অভিহিত করে এবং প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি অনুষ্ঠান আয়োজনকে কেন্দ্র করে আড়পাড়া ও জামতৈল গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং তা দ্রুত অন্যান্য গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি মীমাংসার জন্য বসে একতরফাভাবে আড়পাড়াকে দায়ী করে এবং তার ওপর ক্ষয়ক্ষতির বোঝা চাপিয়ে দেয়, যা ভার্সাই সন্ধির ঘটনাকে ইঙ্গিত করে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ভার্সাই সন্ধির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
89
উত্তরঃ

উক্ত ঘটনার অর্থাৎ ভার্সাই সন্ধির প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী-উক্তিটি যথার্থ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের ফলে মিত্রশক্তি ১৯১৯ সালের ২৮ জুন জার্মানির কাঁধে ভার্সাই সন্ধি চাপিয়ে দেয়। এ সন্ধিতে প্রথম। বিশ্বযুদ্ধের যাবতীয় ক্ষতিপূরণ জার্মানিকে দিতে বাধ্য করা হয়।। যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে জার্মানির নিকট থেকে ১৩২ বিলিয়ন স্বর্ণমুদ্রা আদায় করা হয়। জার্মানির সৈন্য সংখ্যা এক লাখে সীমিত করা হয়। যুদ্ধের সরঞ্জাম উৎপাদন, আমদানি-রপ্তানি নিষিদ্ধ করা

হয়। রাইন নদীর ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সকল জার্মান দূর্গ। সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। সন্ধি অনুযায়ী জার্মানি তার আলসাস
লোরেন ও খনিসমৃদ্ধ সার অঞ্চল ১৫ বছরের জন্য ফ্রান্সকে ছেড়ে দেয়। জার্মানি ভার্সাই সন্ধির কঠোরতায় ন্যুব্জ হয়ে পড়েছি জার্মানবাসী ভেতরে ভেতরে ফুসছিল এ সন্ধির নাগপাশ থেকে মুরি পাওয়ার জন্য। এ সময় উগ্র জাতীয়তাবাদী হিটলাটের আবির্ভাব ঘটে হিটলার ভার্সাই সন্ধির নিষ্ঠুরতা থেকে জার্মানবাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং জার্মানির আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য মিত্রশক্তির বিরূদ্দে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এভাবেই ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয় এবং বিশ্ব আবার বিপর্যয়ের মুখে পতিত হয়।
পরিশেষে বলা যায়, ভার্সাই সন্ধির ক্ষতিকর প্রভাবই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে অনিবার্য করে তুলেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
87
উত্তরঃ

উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে জার্মান দার্শনিক, পণ্ডিত ও ঐতিহাসিকগণ এ কথা প্রচার করতে থাকেন যে জার্মানগণ হচ্ছে বিশুদ্ধ আর্য এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জাতি। ক্রমে এ জাতীয়তাবাদী ধারণা ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, রাশিয়া প্রভৃতি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। জার্মান জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য অস্ত্রের ভাষা প্রয়োগ করে। ইউরোপের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার জাতিগত বিদ্বেষ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ অবস্থাকে উগ্র জাতীয়তাবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
100
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews