একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার শিরোনাম 'আজ চৈত্রসংক্রান্তি- শুরু হচ্ছে সান্দ্রে উৎসব'। শিরোনামটি দেখে নাদিরা পুরো সংবাদটুকু পড়ে। সংবাদটি পড়ে নাদিরা জানতে পারে 'সান্দ্রে' বাংলাদেশে বসবাসরত একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় উৎসব যা অনবরত তিন দিন পর্যন্ত চলে। তবে উক্ত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসন্ত উৎসবেরও আয়োজন করে থাকে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ভূখণ্ডে এ পর্যন্ত মোট ৫৭টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিচয় পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বর্তমানে সাঁওতালদের জীবিকার প্রধান উপায় হলো কৃষিকাজ এরা স্ত্রী-পুরুষ সকলেই কর্মঠ এবং মাঠে ময়দানে কাজ করে। তাছাড়া কিছু কিছু সাঁওতাল জেলে ও কুলি হিসেবে কাজ করে। এছাড়া কিছু সাঁওতাল চা বাগানে মাটি কাটার কাজও করে থাকে। অনেকে ঘরে বসে শালপাতা, বাঁশ ও বেত দ্বারা মাদুর, ছাতা ইত্যাদি কুটির শিল্পজাত দ্রব্য তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো রাখাইন। কেননা একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার শিরোনাম 'আজ চৈত্রসংক্রান্তি- শুরু হচ্ছে সান্দ্রে উৎসব' শিরোনামটি দেখে নাদিরা সম্পূর্ণ সংবাদটি পড়ে এবং সংবাদটি পড়ে সে জানতে পারে 'সান্দ্রে' বাংলাদেশে বসবাসরত একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় উৎসব যা অনবরত তিন দিন পর্যন্ত চলে। নাদিরা আরও জানতে পারে যে, উক্ত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসন্ত উৎসবেরও আয়োজন করে থাকে যা বাংলাদেশে বসবাসরত রাখাইন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে নির্দেশ করে। নিচে রাখাইন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ও বাসস্থানের বর্ণনা দেওয়া হলো- মং উশান উল্লেখ করেন যে, ১৯৭৯ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী পটুয়াখালী ও বরগুনায় রাখাইনদের জনসংখ্যা ছিল ৩,৭১৩। অবশ্য কক্সবাজারের রাখাইনদের জনসংখ্যা সম্পর্কে এ যাবৎ কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া না গেলেও এর কয়েক গুণ হবে। ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে রাখাইনদের সংখ্যা প্রায় ১৭,০০০। বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় রাখাইনরা অধিক সংখ্যায় বাস করছে। তাছাড়া বান্দরবান, বরিশাল, কক্সবাজার এবং বরগুনা জেলায়ও তাদের বসবাস রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উক্ত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো রাখাইন। নিচে রাখাইনদের পোশাক- পরিচ্ছদ ও পারিবারিক জীবন আলোচনা করা হলো-

পোশাক-পরিচ্ছদ: রাখাইনদের সমাজে পোশাক পরিচ্ছদে তেমন কোনো বিশেষ বৈচিত্র্য নেই। পুরুষরা লুঙ্গি ও ফতুয়া পরে। উক্ত পোশাকের সাথে জ্যাকেটের একটি প্রাংখেং চাপিয়ে নিজেদের গাম্ভীর্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া মন্দিরে প্রার্থনাকালীন বিভিন্ন ধর্মীয় ও লোকজ অনুষ্ঠানাদি পর্বে মাথায় পাগড়ি পরে যা তাদের ঐতিহ্যের প্রতীকও বটে। তাদের মহিলারা স্বহস্তে বাটিক করা তৈরিকৃত লুঙ্গি পরে এবং এর উপর ব্লাউজ পরিধান করে। তাছাড়া মেয়েরা হাতে, কানে, গলায়, নাকে, কোমরে ও পায়ে সূক্ষ্ম- কারুকাজ খচিত বর্ণাঢ্য নকশার স্বর্ণ-রোপ্য নির্মিত অলঙ্কার পরে। চুলে বিভিন্ন ধাঁচের বেণি ও খোপা বাঁধে। খোপায় তাজা ফুল গোঁজানো তারা খুবই পছন্দ করে। এছাড়া পায়ে নকশী এঁকে আলতা পরা, কপালে টিপ দেওয়া এবং পান খেয়ে ঠোঁট লাল করতে তারা অধিক আগ্রহী।

পারিবারিক জীবন: রাখাইনদের সমাজকাঠামো পিতৃতান্ত্রিক। তাই পিতাই তাদের পরিবারের প্রধান। অবশ্য মেয়েদের তারা অবহেলা করে না। তাই তাদের মধ্যে মেয়েদের অধিকার পুরুষদের সমান। অর্থাৎ কোনো পরিবারে বাবা কিংবা মা মারা গেলে পুত্র ও কন্যারা সমান হারে সম্পত্তির অংশ পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
500
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক সমাজবিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত হয়।

চল্লিশের দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী লেখক রাধাকমল মুখার্জি, ডি এন মজুমদার, নির্মল কুমার বসু ও বিনয় কুমার সরকার বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সে সময় কয়েকজন মার্কসবাদী বাঙালি সমাজবিজ্ঞানীর লেখা পাওয়া যায়। এসব সমাজচিন্তাবিদগণ বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক অনেক আলোচনা সমালোচনা করেন এবং সমাজ পরিবর্তনের কথা বলেন। যার ফলে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমি নির্মিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.8k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বর্ণনা অনুসারে 'ক' দ্বারা সমাজবিজ্ঞান বিষয়কে নির্দেশ করা হচ্ছে।

১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক সমাজবিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত হয়। ১৯৪৮ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ দখলকারী ব্রিটিশদের হাত থেকে মুক্তি অর্জনের আগে চল্লিশের দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী লেখক রাধাকমল মুখার্জি, ডিএন মজুমদার, নির্মল কুমার বসু ও বিনয় কুমার সরকার বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সে সময় কয়েকজন মার্ক্সবাদী বাঙালি সমাজবিজ্ঞানীদের লেখা পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- এমএন রায়, মোজাফফর আহমদ, সুশোভন সরকার, গোপাল হালদার ও বিনয় ঘোষ। এসব সমাজচিন্তাবিদ বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক অনেক আলোচনা সমালোচনা করেছেন এবং সমাজ পরিবর্তনের কথা বলেছেন। এসব সমাজচিন্তাবিদদের মাধ্যমে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমি নির্মিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
284
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, সমাজবিজ্ঞান বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠী নিয়ে আলোচনা করে। এ বর্ণনার আলোকে বলা যায়, এখানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে।

সাধারণ অর্থে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বলতে একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে বোঝায়। নৃবিজ্ঞানী ই. বি. টেইলর সাধারণ সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে স্বতন্ত্র গোষ্ঠীকেই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। অন্যদিকে জেরি ও জেরির ভাষায়, 'ক্ষুদ্র গোষ্ঠী হলো মানুষের এমন এক গোষ্ঠী যারা স্বতন্ত্র ইতিহাসের সম্মিলিত অনুভূতি থেকে উৎসারিত একটি পরিচয় বহন করে'। প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরই নিজস্ব সংস্কৃতি, প্রথা, আদর্শ, মূল্যবোধ, বিশ্বাস ও ঐতিহ্য থাকে। নৃবিজ্ঞানী ন্যারোল-এর মতে, অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক বিভাজন সম্পর্কে দলীয় সচেতনতা হলো ক্ষুদ্রগোষ্ঠীর সদস্যদের মূল উপাদান। অন্যদিকে, নৃবিজ্ঞানী কোহেন ও ইয়ামস ক্ষুদ্র সম্প্রদায় তথা উপজাতি বলতে এমন এক জনগোষ্ঠীকে বুঝিয়েছেন, যারা তাদের জীবিকার জন্য খাদ্যসংগ্রহ, উদ্যান, কৃষি ও পশুপালনের ওপর নির্ভরশীল। আবার উইলিয়াম পি. স্কট-এর মতে, যে গোষ্ঠীর সাধারণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে এবং যারা নিজস্ব পরিচিতিসহ বৃহৎ কোনো সমাজের উপগোষ্ঠী হিসেবে বসবাস করে তারাই হলো ক্ষুদ্র গোষ্ঠী। এসব সংজ্ঞার আলোকে বলা যায়, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নিজস্ব সংস্কৃতির অধিকারী, তারা আধুনিক পেশাসহ এক ধরনের নির্দিষ্ট জীবিকা পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং তারা বাস করে একটি নির্দিষ্ট এলাকায়। সর্বোপরি তাদের জীবন একই ধরনের সামাজিক আচার-আচরণ, প্রথা, বিশ্বাস, বিচারব্যবস্থা, অনুসরণীয় রীতিনীতি ও মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
463
উত্তরঃ

গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো বলতে বোঝায়, যে ব্যবস্থা বা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গ্রামে ক্ষমতার বিকাশ ও প্রয়োগ ঘটে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর ও অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান বলেন, “শ্রেণিসমূহের অবস্থান ও পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের ভূমিকার প্রেক্ষাপটে গ্রামীণ সমাজে সামাজিক শক্তিসমূহ যে কাঠামোর মধ্য দিয়ে বিকশিত হয়, তাকে গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো বলা যেতে পারে।” উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ভূমি মালিক ও বর্গা চাষিদের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে উভয় শ্রেণিই গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোর অংশ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.9k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews