একটি বনভূমির বাস্তুতন্ত্রে রয়েছে সবুজ ঘাস, খরগোস, ময়ুর, ঘাসফড়িং, ব্যাঙ, ইঁদুর, সাপ, হরিণ ও বাঘ। অন্যদিকে একটি ধানক্ষেতের বাস্তুতন্ত্রে রয়েছে ধানগাছ, ঘাসফড়িং, সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, পেঁচা ও ঈগল।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ প্রজাতিগত বৈচিত্র্যতা হলো একটি নির্দিষ্ট বাস্তুতন্ত্রে বা ভৌগোলিক অঞ্চলে বিভিন্ন প্রজাতির জীবসমূহের উপস্থিতি ও আপেক্ষিক প্রাচুর্যের সামগ্রিকতা। এটি জীববৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক যা বাস্তুতন্ত্রের সুস্থতা নির্দেশ করে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

অমরা (Placenta) ভ্রূণের রেচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ভ্রূণের রক্ত থেকে রেচন বর্জ্য পদার্থ, যেমন ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড এবং ক্রিয়েটিনিন সংগ্রহ করে মাতৃরক্তে স্থানান্তরিত করে।

মাতৃরক্তে স্থানান্তরিত হওয়ার পর এই বর্জ্য পদার্থগুলো মায়ের রেচনতন্ত্র (urinary system) দ্বারা পরিস্রুত হয়ে শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়। এভাবে অমরা ভ্রূণের অভ্যন্তরীণ পরিবেশকে পরিষ্কার ও সুস্থ রাখে, যা ভ্রূণের সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম বাস্তুতন্ত্রটি হলো একটি বনভূমির বাস্তুতন্ত্র, যেখানে সবুজ ঘাস, খরগোস, ময়ুর, ঘাসফড়িং, ব্যাঙ, ইঁদুর, সাপ, হরিণ ও বাঘ বিদ্যমান। একটি বাস্তুতন্ত্রে বিভিন্ন জীবগোষ্ঠীর মধ্যে খাদ্য ও খাদকের সম্পর্কের ভিত্তিতে একাধিক খাদ্যশৃঙ্খল গঠিত হয়। যখন এই খাদ্যশৃঙ্খলগুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়ে একটি জটিল নেটওয়ার্ক তৈরি করে, তখন তাকে খাদ্যজাল (Food Web) বলে। বনভূমির এই জীবদের পারস্পরিক খাদ্যাভ্যাস বিশ্লেষণ করে একটি খাদ্যজাল বর্ণনা করা হলো।

এই বনভূমি বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যজালে সবুজ ঘাস হলো উৎপাদক, কারণ এরা সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের খাদ্য তৈরি করে। সবুজ ঘাসকে প্রাথমিক খাদক হিসেবে গ্রহণ করে খরগোস, ঘাসফড়িং, ইঁদুর এবং হরিণ। এরপর, ঘাসফড়িংকে ব্যাঙ এবং ইঁদুরকে সাপ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, যারা দ্বিতীয় স্তরের খাদক। অন্যদিকে, সাপকে ময়ুর ভক্ষণ করে, যা একটি তৃতীয় স্তরের খাদক। বাঘ হরিণ এবং খরগোসের মতো প্রাথমিক খাদকদের শিকার করে, ফলে এটিও উচ্চ স্তরের খাদক হিসেবে বিবেচিত হয়।

এইভাবে, বনভূমির বাস্তুতন্ত্রে সবুজ ঘাস থেকে প্রাপ্ত শক্তি বিভিন্ন খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে খরগোস, ঘাসফড়িং, ইঁদুর ও হরিণের মতো প্রাথমিক খাদকদের দেহে সঞ্চারিত হয়। সেখান থেকে এই শক্তি ব্যাঙ, সাপ, ময়ুর এবং বাঘের মতো উচ্চ স্তরের খাদকদের মধ্যে প্রবাহিত হয়। এই সকল জীব একে অপরের উপর খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল হওয়ায় একটি জটিল ও বহু-শাখা বিশিষ্ট খাদ্যজাল তৈরি হয়েছে, যা বাস্তুতন্ত্রের শক্তি প্রবাহ এবং ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের প্রতিটি জীব উপাদান খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যুক্ত এবং এই পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখে। উদ্দীপকের বনভূমি ও ধানক্ষেতের বাস্তুতন্ত্র থেকে ঘাসফড়িং, ব্যাঙ ও ইঁদুর অনুপস্থিত থাকলে খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে, যা বাস্তুতন্ত্র দুটিতে সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন আনবে।

ঘাসফড়িং ও ইঁদুর উভয়ই প্রাথমিক স্তরের খাদক যা যথাক্রমে সবুজ ঘাস/ধানগাছ ভক্ষণ করে। তাদের অনুপস্থিতিতে:

        
  • সবুজ ঘাস ও ধানগাছের মতো উৎপাদকদের সংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি পাবে, কারণ তাদের ভক্ষণ করার জন্য পর্যাপ্ত খাদক থাকবে না।
  •     
  • যেসব জীব ঘাসফড়িং (যেমন: ময়ুর, ব্যাঙ) এবং ইঁদুরকে (যেমন: সাপ, বাঘ, পেঁচা, ঈগল) খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, তারা খাদ্যাভাবে ভুগবে। এর ফলে ময়ুর, সাপ, বাঘ, পেঁচা ও ঈগলের সংখ্যা কমে যাবে, যা খাদ্যশৃঙ্খলের উচ্চ স্তরে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।

ব্যাঙ সাধারণত ঘাসফড়িংয়ের মতো প্রাথমিক খাদকদের ভক্ষণ করে, অর্থাৎ তারা দ্বিতীয় স্তরের খাদক। ব্যাঙের অনুপস্থিতিতে:

        
  • যদিও উদ্দীপকে ঘাসফড়িংও অনুপস্থিত, কিন্তু সাধারণত ব্যাঙের অনুপস্থিতি ঘাসফড়িংয়ের সংখ্যা বাড়িয়ে দিত। এখানে যেহেতু ঘাসফড়িং নিজেও অনুপস্থিত, তাই ব্যাঙের অনুপস্থিতি সরাসরি সাপ ও অন্যান্য শিকারী জীব যারা ব্যাঙকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, তাদের খাদ্যাভাব সৃষ্টি করবে।
  •     
  • ঘাসফড়িং, ব্যাঙ ও ইঁদুর এই তিনটি প্রাণীই খাদ্যশৃঙ্খলে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ স্থাপনকারী। এদের অনুপস্থিতিতে শক্তিপ্রবাহে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটবে।

উপরিউক্ত পরিবর্তনগুলোর ফলস্বরূপ, বাস্তুতন্ত্র দুটির খাদ্যজাল সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়বে। উৎপাদকদের সংখ্যা বাড়লেও, প্রাথমিক ও দ্বিতীয় স্তরের খাদকদের অনুপস্থিতি উচ্চ স্তরের খাদকদের খাদ্যাভাবের কারণে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দেবে। দীর্ঘমেয়াদে, এই বাস্তুতন্ত্রগুলো তাদের স্বাভাবিক রূপ ও কার্যকারিতা হারাবে এবং সম্পূর্ণ ভারসাম্যহীন হয়ে পড়বে, যা পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
225

জীবমাত্রই খাদ্য গ্রহণ করে, কারণ জীবের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্যের প্রয়োজন। তবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর খাদ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া ভিন্ন। জীবের পুষ্টির জন্য বিভিন্ন উপাদানের প্রয়োজন হয়। মানবদেহের জন্য খাদ্য, পুষ্টি ও পরিপাক প্রক্রিয়া এবং উদ্ভিদের পুষ্টি এ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়।

 

  • উদ্ভিদের পুষ্টির অতি প্রয়োজনীয় উপাদান বর্ণনা করতে পারব।
  •  উদ্ভিদে পুষ্টির অভাবজনিত লক্ষণ বিশ্লেষণ করতে পারব। 
  • প্রাণীর খাদ্যের প্রধান উপাদান ও উৎস বর্ণনা করতে পারব।
  • আদর্শ খাদ্য পিরামিড ব্যাখ্যা করতে পারব। খাদ্য গ্রহণের নিয়মনীতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পুষ্টির অভাবজনিত রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার বর্ণনা করতে পারব। 
  • কিলোক্যালরি ও কিলোজুল ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • পুষ্টি উপাদানে শক্তির পরিমাণ এবং ক্যালরি ও জুলে এদের রূপান্তর ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) ও বডি মাস রেশিওর (বিএমআর) গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • বিএমআই ও বিএমআরের হিসাব করতে পারব।
  •  বিএমআর এবং ব্যয়িত শক্তির সাথে সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারব। 
  • বয়স ও লিঙ্গভেদে বিএমআই হিসাব করতে পারব। 
  • সুস্থ জীবনযাপনে শরীরচর্চা ও বিশ্রামের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  খাদ্য সংরক্ষণে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব। খাদ্যে অতিমাত্রায় রাসায়নিক পদার্থ এবং রঞ্জক ব্যবহারের শারীরিক বিক্রিয়া বিশ্লেষণ করতে পারব।
  •  পৌষ্টিকতন্ত্রের প্রধান অংশ ও সহায়তাকারী অঙ্গের গঠন ও কাজ বর্ণনা করতে পারব। 
  • পৌষ্টিকতন্ত্রের প্রধান অংশের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করতে পারব। যকৃতের (Liver) কাজ বর্ণনা করতে পারব। 
  •  অগ্ন্যাশয়ের কাজ বর্ণনা করতে পারব। 
  • খাদ্য পরিপাকে উৎসেচকের (Enzyme) ভূমিকা মূল্যায়ন করতে পারব। 
  •  অস্ত্রের বিভিন্ন সমস্যাজনিত রোগ এবং এর প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়া বর্ণনা করতে পারব। 
  • পরিপাকতন্ত্রের রোগের বিষয়ে নিজে সচেতন হব এবং পরিবারের সদস্যদের সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করব। 
  • সাত দিনের গৃহীত খাদ্যের একটি তালিকা তৈরি করে এটিকে সুষম খাদ্যের সাথে তুলনা করতে পারব। 
  • স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে পুষ্টির অবদান বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পোস্টার অঙ্কন করতে পারব। 
  • স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে পুষ্টির অবদান বিষয়ে নিজে সচেতন হব অন্যদের সচেতন করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিভিন্ন ধরনের প্রাণিজ আমিষ যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, যকৃত ইত্যাদি উচ্চমানের আমিষ জাতীয় খাদ্য। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় সংখ্যক অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায় যার সবকয়টা উদ্ভিজ্জ আমিষে থাকে না। তাই প্রাণিজ আমিষের জৈবমূল্য অনেক বেশি। সে জন্য প্রাণিজ আমিষকে উচ্চমানের আমিষ বলে।

910
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জহির জাতীয় ফুটবল দলের নিয়মিত খেলোয়াড় হওয়ায় তাকে তার পেশার স্বার্থেই প্রতিদিন খেলাধুলা ও শারীরিক কসরতের মাধ্যমে শরীরের শক্তি ব্যয় করতে হয়। ফলে তার দেহে অধিক তাপ ও শক্তির যোগান দেবে এরূপ খাদ্যের চাহিদা অধিক থাকে। তাই তাকে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদনকারী চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে। যেমন- ঘি, মাখন, ডিম, দুধ, বাদাম, চর্বিযুক্ত মাংস ইত্যাদি খাবার গ্রহণের মাধ্যমে সে প্রচুর স্নেহ বা চর্বি উপাদানের সরবরাহ পাবে।

এছাড়া দুধ, ডিম, বাদাম, ডাল, মাংস ইত্যাদি খাবারের আমিষ তার দেহের ক্ষয়পূরণ করে দেহ গঠনে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া দেহে শক্তি উৎপাদনের অন্যতম উৎস হলো শর্করা জাতীয় খাবার। এজন্য ভাত, আলু, রুটি, চিনি, দুধ ইত্যাদি শর্করা যুক্ত খাবার জহিরকে পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে।

429
উত্তরঃ

আলোচ্য উদ্দীপকে জহির একজন ফুটবল খেলোয়াড় হওয়ায় তাকে প্রতিদিন প্রচুর দৌড়াতে ও শারীরিক কসরত করতে হয়। ফলে তার মৌল বিপাকের হার বেশি এবং অধিক সময় ধরে তার দেহের মাংসপেশি সংকোচিত প্রসারিত হয় তাই তার খাদ্যের চাহিদাও বেশি। কিন্তু তার বড় ভাই ড. রায়হান দিনের অধিকাংশ সময় গবেষণাগারে বসে সময় কাটান বলে জহিরের মতো তার দেহের মাংসপেশির সংকোচন-প্রসারণ হয় না। তাই শারীরিক পরিশ্রম কম করাতে তার উচ্চ শক্তি সরবরাহকারী খাদ্যের চাহিদাও কম। কাজেই BMR বা বেসাল মেটাবলিক রেট জহিরের তুলনায় ড. রায়হানের অনেক কম। এজন্য জহিরের মতো উচ্চ তাপশক্তি সরবরাহকারী চর্বিযুক্ত খাবার ও অন্যান্য উপাদানের খাবার যদি ড. রায়হান অধিক গ্রহণ করেন তবে তা তার শরীরে শক্তি উৎপাদনে ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। ফলে তা তার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমাবে এবং ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণ হবে। এজন্য ড. রায়হানের খাদ্য তালিকায় তার ছোট ভাইয়ের চেয়ে তুলনামূলক কম পরিমাণ খাবার থাকবে এবং জহিরের মতো চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া তার মোটেই উচিত হবে না।

403
উত্তরঃ

উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান অত্যন্ত কম পরিমাণে প্রয়োজন হয় তারাই হলো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট । 

850
উত্তরঃ

উদ্ভিদের প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে যার মধ্যে ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। এই ১৬টি পুষ্টি উপাদানকেই সমষ্টিগতভাবে 'অত্যাবশ্যকীয় উপাদান' বলা হয়। কারণ এদের যে কোন একটির অভাব হলেই উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত হয়ে এর অভাবজনিত লক্ষণ প্রকাশ পায় এবং পুষ্টির অভাব জনিত রোগের সৃষ্টি হয়।

1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews