কোনো বস্তুতে পদার্থের মোট পরিমাণকে ঐ বস্তুর ভর বলে।
ভর ও ওজনের মধ্যে পার্থক্য হলো-
| ভর | ওজন |
| ১. বস্তুর মধ্যে পদার্থের মোট পরিমাণই হচ্ছে ভর। | ১. 'কোনো বস্তুকে পৃথিবী যে বলে তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে তা হলো বস্তুর ওজন। |
| ২. বস্তু যে পরমাণু ও অণু দিয়ে গঠিত তার সংখ্যা ও সংযুক্তির উপর ভর নির্ভর করে। | ২. অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর বস্তুর ওজন নির্ভর করে। |
| ৩. ভরের আন্তর্জাতিক একক হলো কিলোগ্রাম। | ৩. ওজনের আন্তর্জাতিক একক হলো নিউটন। |
উদ্দীপকে উল্লেখিত বস্তুর ভর, m = ১২০ কেজি
চাঁদে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণের ভাগ
চাঁদে অভিকর্ষজ ত্বরণ মিটার / সেকেন্ড২
আমরা জানি, কোনো বস্তুর ওজন, W = mg
চাঁদে বস্তুটির ওজন, W - mg
= ১২০ কেজি মিটার/সেকেন্ড'
= ১৯৬ নিউটন
চাঁদে বস্তুটির ওজন হবে ১৯৬-নিউটন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বস্তুর ভর, m= ১২০ কেজি
অভিকর্ষজ ত্বরণ, g= ৯.৮ মিটার / সেকেন্ড
আমরা জানি, পৃথিবীতে বস্তুটির ওজন হবে, W=mg
পৃথিবীতে বস্তুটির ওজন = ১২০ কেজি৯.৮ মিটার / সেকেন্ড'
= ১১৭৬ নিউটন
গ' হতে পাই, চাঁদে বস্তুটির ওজন ১৯৬ নিউটন।
সুতরাং চাঁদে বস্তুর ওজনের পরিবর্তন ১১৭৬ নিউটন। - ১৯৬ নিউটন
= ৯৮০ 'নিউটন
অর্থাৎ চাঁদে বস্তুটির ওজন ৯৮০ নিউটন কম হয়। চাঁদে বস্তুর ওজনের এই তারতম্য ঘটার কারণ হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ।
কারণ চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণের
মানের প্রায় ভাগ। অভিকর্ষজ ত্বরণ বস্তুর ভরের উপর নির্ভর করে। না। এটি নির্ভর করে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর দূরত্বের উপর। অর্থাৎ পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর দূরত্ব যত বাড়তে থাকে বস্তুর অভিকর্ষজ ত্বরণের মান তত কমতে থাকে। পৃথিবী থেকে চাঁদের এই দূরত্বের কারণেই অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম হওয়ায় চাঁদে বস্তুটির ওজনের এই পরিবর্তন ঘটল
Related Question
View Allকোনো বস্তুতে পদার্থের মোট পরিমাণকে ঐ বস্তুর ভর বলে।
বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণg এর উপর নির্ভর করে। g এর মান বৃদ্ধি পেলে বস্তুর ওজন বৃদ্ধি পায় এবং g এর মান হ্রাস পেলে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়। অন্যদিকে অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে g এর মানের পরিবর্তন হয়। মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম বলে সেখানে g এর মান সবচেয়ে বেশি। যার ফলে মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজনও সবচেয়ে বেশি হয়।

ঝুলন্ত বস্তুটির রশি ছিড়ে গেলে বস্তুটি ওজনহীন হয়ে পড়বে।নিচে যুক্তিসহ তা ব্যাখ্যা করা হলো-
পৃথিবীতে যেকোনো ব্যক্তি বা বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল থাকবেই। ফলে তার ওজন থাকবেই কিন্তু ব্যক্তি বা বস্তুটি সেই ওজন অনুভব করবে কেবলমাত্র তখনই যখন তার ওজনের সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া বল তার উপর প্রযুক্ত হবে। ঝুলন্ত অবস্থায় বস্তুটি পৃথিবীর কেন্দ্রমুখী আকর্ষণ বলের কারণে রশিটির উপর নিম্নমুখী বল প্রয়োগ করে। অন্যদিকে রশিটিও বস্তুটির উপর সমান ও বিপরীতমুখী (উর্ধ্বমুখী) প্রতিক্রিয়া বল প্রয়োগ করবে। যার ফলে ঝুলন্ত অবস্থায় বস্তুটির ওজন অনুভূত হবে। কিন্তু বস্তুটি রশি ছিড়ে মুক্তভাবে নিচে পড়তে থাকলে বস্তুটির ত্বরণ হবে (g-g) অর্থাৎ শূন্য।
ফলে বস্তুটি রশির উপর কোনো বল প্রয়োগ করবে না এবং বস্তুটির উপরও কোনোরূপ প্রতিক্রিয়া বল কাজ করবে না। এক্ষেত্রে বস্তুটির ওজন হবে শূন্য এবং বস্তুটি ওজনহীন অনুভূত হবে।
ভর হলো কোনো বস্তুতে পদার্থের মোট পরিমাণ। কোনো বস্তুর ভর ১০ কিলোগ্রাম বলতে বুঝায় বস্তুটিতে পদার্থের পরিমাণ ১০ কিলোগ্রাম। বস্তুর এই ১০ কিলোগ্রাম ভর নির্ভর করে যে পরমাণু ও অণু দ্বারা বস্তুটি গঠিত তার সংখ্যা ও সংযুক্তির উপর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!