একটি মহাসাগর যার পশ্চিম দিকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্বদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশটি অবস্থিত। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোেত ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রের বা সাগর ও মহাসাগরের পানির নির্দিষ্ট ও নিয়মিত প্রবাহকে সমুদ্রস্রোত বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ুর ওপর সমুদ্রস্রোতের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।
শীত অঞ্চলের কোনো দেশের উপকূলের কাছ দিয়ে উষ্ণস্রোত প্রবাহিত হলে সে স্থান উষ্ণ হয়ে ওঠে। আবার উষ্ণ অঞ্চলের পাশ দিয়ে শীতল স্রোত প্রবাহিত হলে সে স্থানের তাপমাত্রা অনেক হ্রাস পায়। ফলে এসব অঞ্চলে আবহাওয়া চরম হয় না। যেমন- মরক্কো ও মৌরিতানিয়ার পাশ দিয়ে শীতল ক্যানারি স্রোত প্রবাহিত হওয়ায় এ দেশগুলোর উপকূলভাগের আবহাওয়া অনেক বেশি আরামদায়ক।।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি হলো- ভারত মহাসাগর।
কারণ এর পশ্চিমে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-পূর্বে ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশ অস্ট্রেলিয়া অবস্থিত।

নিচে এ মহাসাগরটি মালচিত্রে প্রদর্শিত হলো-

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটি হলো ভারত মহাসাগর যার উত্তর অংশে উত্তর ভারত মহাসাগরীয় স্রোত প্রবাহিত হয়। যা মৌসুমি বায়ুর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে ঋতুভেদে দু ধরনের স্রোতের সৃষ্টি করে। যথা-গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি স্রোত ও শীতকালীন মৌসুমি স্রোত। নিচে এ সম্বন্ধে আলোকপাত করা হলো-

গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সোমালি স্রোত আফ্রিকার পূর্ব উপকূল হতে প্রথমে আরব সাগরে প্রবেশ করে। সেখান হতে এ স্রোত ভারতের পশ্চিম উপকূল দিয়ে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয় এবং শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পূর্ব দিক ঘুরে ভারতের পূর্ব উপকূল দিয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করে। তাই এটি গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি স্রোেত নামে পরিচিত। একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি স্রোতও বলা হয়। এ স্রোত বঙ্গোপসাগরের উত্তর দিকের স্থলভাগে বাধা পেয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয় এবং আন্দামান সাগর অতিক্রম করে সুমাত্রার পশ্চিম পাশে উপনীত হয়। এখানে এসে এ স্রোত অয়ন বায়ুর প্রভাবে পশ্চিম দিকে সামান্য বেঁকে দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের সাথে মিলিত হয়। এ সময় উত্তর ভারত মহাসাগরে অন্য কোনো স্রোত দেখা যায় না।
শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি স্রোতটি আর থাকে না। কিন্তু এর পথ অনুসরণ করে একটি বিপরীতমুখী স্রোতের সৃষ্টি হয়। সর্বপ্রথম মালয় ও সুমাত্রার মধ্য দিয়ে একটি স্রোত আন্দামান সাগরে প্রবেশ করে এবং পরিশেষে বঙ্গোপসাগরে উপনীত হয়। এখানে পৌছে এ স্রোতটি উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর অধীনে চলে যায় এবং সম্পূর্ণরূপে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি স্রোতের পথ অনুসরণ করে আরব সাগর ঘুরে আফ্রিকার সোমালিয়ার - দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত অগ্রসর হয়।
তাই বলা যায়, ভারত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোতগুলো ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
34
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমুদ্রের পানিরাশির একস্থান হতে অন্যস্থানে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হওয়াই সমুদ্রস্রোত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
94
উত্তরঃ

পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সমুদ্রস্রোতের উৎপত্তি।
আহ্নিক গতির জন্য পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর সর্বদা পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এ আবর্তনের জন্য সমুদ্রের উপরিভাগের তরল পানি পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
81
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' স্রোত দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতকে নির্দেশ করে।
বেঙ্গুয়েলা স্রোত যখন নিরক্ষরেখার দক্ষিণ দিক দিয়ে সোজা পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয় তখন তাকে দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত বলে।
দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ুর প্রভাবে এ স্রোতের গতিবেগ বৃদ্ধি পায়। মহাসাগরের সবচেয়ে উষ্ণতম অঞ্চলের উপর দিকে প্রবাহিত হয় বলে এটি একটি উষ্ণ স্রোত। এ স্রোতটি আটলান্টিক মহাসাগর অতিক্রম করে দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূলে এসে সেন্টরকে অন্তরীপে বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং দুটি শাখায় বিভক্ত হয়। প্রথম ও প্রধান শাখাটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূল দিয়ে ক্যারিবিয়ান সাগরে প্রবেশ করে এবং পরে মেক্সিকো উপসাগরে পৌছে উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতে পরিণত হয়। দ্বিতীয় শাখাটি দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল' দিয়ে প্রবাহিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
97
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের কথা বলা হয়েছে। যার দুটি স্রোত বিপরীত ধর্মী। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
উত্তর মহাসাগর হতে আগত সুমেরু শীতল স্রোত দুটি গ্রীনল্যান্ডের পূর্ব ও পশ্চিম পাশ দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের নিকট মিলিত হয়। এ মিলিত স্রোত শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত নামে পরিচিত। এ শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত আরও দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে নিউফাউন্ডল্যান্ডের নিকট দুটি শাখায় বিভক্ত হয়। এর একটি শাখা উপসাগরীয় স্রোতের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে এবং অপর শাখাটি উপসাগরীয় স্রোতের পশ্চিম পাশ দিয়ে উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূল বেয়ে দক্ষিণ দিকে চলে যায়। উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের নীল পানি উত্তর-পূর্ব দিকে এবং তার পাশ দিয়ে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের সবুজ পানি দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়। এ দুটি বিপরীত স্রোত পরস্পর বিপরীত দিকে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভব তাদের স্রোতের সীমারেখা সুস্পষ্টভাবে দৃষ্টিগোচর হয়। এ দুটি স্রোতের মধ্যবর্তী সীমারেখাকে হিমপ্রাচীর বলে l

উত্তর মহাসাগর হতে ল্যাব্রাডর স্রোতের সাথে অনেক হিমশৈল ভেসে আসে। উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের সংস্পর্শে ঐ সব হিমশৈল গলে যায়। এর ফলে হিমশৈলের সাথে বাহিত কাদা, বালি প্রভৃতি সমুদ্রতলে সঞ্চিত হয়ে বৃহৎ মগ্নচড়ার সৃষ্টি করে। নিউফাউল্যান্ডের নিকটবর্তী গ্র্যান্ড ব্রাঙ্ক এরূপে সৃষ্টি হয়েছে।
উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের ওপর দিকে প্রবাহিত বায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র হয়। অন্যদিকে ল্যাব্রাডর স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শুষ্ক ও শীতল হয়। এ বিপরীতধর্মী দুই বায়ুর সংমিশ্রণে এ অঞ্চলে প্রায়ই কুয়াশা ও ঝড়-তুফান লেগে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
98
উত্তরঃ

চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে নির্দিষ্ট সময় পর পর পর্যায়ক্রমে সমুদ্রের পানিরাশির স্ফীতি ও অবনমনকে জোয়ারভাটা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
94
উত্তরঃ

চন্দ্রের আকর্ষণে পানি ফুলে ওঠাকে মুখ্য জোয়ার বলে।
চন্দ্র এক স্থানে স্থির থাকে না। তা পৃথিবীর চারদিকে সর্বদা ঘুরছে। আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এ আকর্ষণে চারদিক হতে পানি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
182
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews