একটি রাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি অঙ্গরাজ্যসমূহের সরকারও নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করে। কেন্দ্রীয় সরকার ও অঙ্গরাজ্যের সরকারের মধ্যে ক্ষমতার বিভাজন হয়েছে সংবিধানের মাধ্যমে। কিন্তু অন্য একটি রাষ্ট্র কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের উপাদানগুলো হলো- ১. জনসমষ্টি ২. নির্দিষ্ট ভূ-খণ্ড ৩. সরকার ও ৪. সার্বভৌমত্ব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

গণতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ Democracy। যে শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শাসনকার্য পরিচালনা করে তাকে গণতন্ত্র বলে। গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার এবং জনকল্যাণ পরিচালনার জন্য সরকার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রথম রাষ্ট্রটির সরকারব্যবস্থা দ্বারা যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারকে নির্দেশ করে। নিচে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সফলতার শর্তগুলো আলোচনা করা হলো-

১. যুক্তরাষ্ট্রীয় মনোভাব: যুক্তরাষ্ট্রীয় মনোভাব বলতে বোঝায় যুক্তরাষ্ট্রগঠন করার প্রবল মানসিক ইচ্ছা, অর্থাৎ নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে মিলিত হওয়ার আগ্রহকে বোঝায়। এজন্য মিলিত হবার মানসিক প্রবণতা যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সফলতার অন্যতম শর্ত।

২. ভৌগলিক সংলগ্নতা: যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থাকে সুসংহত করার অন্যতম একটি শর্ত হলো যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীভূত এলাকাগুলোর ভৌগলিক সংলগ্নতা।

৩. সাংস্কৃতিক ঐক্য: জনসাধারণের মধ্যে বংশ, ধর্ম, ভাষা,সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অভিন্নতা যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সফলতার অন্যতম শর্ত। এ উপাদানগুলো যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে সফলতা এনে দেয়।

৪. সমতা বিধান: যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থার সফলতার অন্যতম ভশর্ত হলো যুক্তরাষ্ট্রভুক্ত প্রদেশ বা রাজ্যগুলোর ভিতর সমতা বজায় রাখা। কেননা বিভিন্ন প্রদেশ বা রাজ্যের মধ্যে যদি সমতা না থাকে তাহলে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থা সফলতা পাবে না।

৫. যোগ্য নেতৃত্ব: যোগ্য নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থার সফলতার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। কেননা যোগ্য নেতা তার যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে বিভিন্ন প্রদেশ বা রাজ্যের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থাকে সফলতা এনে দেয়।

উপরিউক্ত শর্তগুলোই যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থার সফলতার অন্যতম শর্ত হিসেবে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সরকার দুটি দ্বারা যুক্তরাষ্ট্রীয় এবং এককেন্দ্রীক সরকারকে বোঝানো হয়েছে। নিচে এ দুটি সরকারের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো

যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থায় শাসনতন্ত্র লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় হয়। কিন্তু এককেন্দ্রীক শাসনব্যবস্থায় শাসনতন্ত্র লিখিত বা অলিখিত, সুপরিবর্তনীয় বা দুষ্পরিবর্তনীয় হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার পদ্ধতিতে দুই ধরনের সরকার থাকে- কেন্দ্রীয়
সরকার এবং রাজ্য বা প্রাদেশিক সরকার এবং উভয় সরকারই নিজ নিজ এলাকায় স্বাধীনভাবে কাজ করে। এককেন্দ্রীক শাসনব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সর্বময় ক্ষমতা থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থায় আঞ্চলিক সরকারগুলো স্বাধীনসত্তা ও স্বাতন্ত্র্য স্বীকৃত। অন্যদিকে এককেন্দ্রীক সরকারব্যবস্থায় আঞ্চলিক সরকারগুলোর স্বাধীনসত্তা অস্বীকৃত।
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থায় সংবিধানের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত থাকে। আর এককেন্দ্রীক সরকারব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থায় সকল ক্ষমতার উৎস হলো একমাত্র শাসনতন্ত্র। কিন্তু এককেন্দ্রীক সরকারব্যবস্থায় সকল ক্ষমতার উৎস কেন্দ্রীয় সরকার।
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থায় সংবিধানের প্রাধান্য থাকে, যেজন্য কেন্দ্রীয় সরকার বা কোনো রাজ্য সরকার স্বৈরাচারী হতে পারে না।
আর এককেন্দ্রীক সরকারে কেন্দ্রীয় সরকার স্বৈরাচারী হতে পারে।
উপরিউক্ত আলোচনা কেন্দ্রীয় সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যকে প্রকাশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
81
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিচার বিভাগ জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করে। কিন্তু যদি এটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে, তবে অনেক ক্ষেত্রেই নিরপেক্ষভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারে না। বিচার বিভাগকে অনেক সময় সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিতে হয়। সরকারের অন্য কোনো বিভাগের অধীনে থেকে কাজ করলে সব সময় সরকারের বিরুদ্ধে যাওয়া সম্ভব হয় না। এজন্য ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিচার বিভাগকে স্বাধীন রাখতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
210
উত্তরঃ

A চিহ্নিত সংস্থাটি আইন প্রণয়নকারী সংস্থা বা আইনসভা।
রাষ্ট্রের তিনটি মৌলিক অঙ্গের মধ্যে আইনসভা বা আইন বিভাগ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা। সংসদীয় সরকারব্যবস্থাতে আইনবিভাগের গুরুত্ব ও ভূমিকা অনেক বেশি। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন প্রণয়ন করা। সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় আইনসভা শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট তাদের কাজের জন্য দায়ী থাকে। আইনসভা এখানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল অংশের কাজ করে। জনপ্রতিনিধিরা আইনসভায় জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন। আইন প্রণয়ন ছাড়াও সংবিধান প্রণয়ন, সংশোধন, আলোচনা, বিতর্ক, জনমত গঠন, আর্থিক বিবৃতি প্রণয়ন, তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, বিচারসংক্রান্ত কাজ, শাসনসংক্রান্ত কাজ, সমালোচনামূলক কাজ ইত্যাদি করে থাকে। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
192
উত্তরঃ

সরকারের তিনটি মৌলিক বিভাগের মধ্যে কাজ সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা আইন বিভাগের কাজ। আইন অনুসারে দেশ পরিচালনা করা শাসন বিভাগের কাজ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা বিচার বিভাগের কাজ।

উদ্দীপকে চিহ্নিত A এবং B-তে যথাক্রমে আইন ও শাসন বিভাগের কথা বলা হয়েছে। একটি দেশ পরিচালনা তথা নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্বে থাকে এই দুটি বিভাগ। একটি দেশের শাসন বিভাগ ব্যাপক অর্থে রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে গ্রামের চৌকিদার পর্যন্ত বিস্তৃত কর্মী বাহিনী নিয়ে গঠিত। শাসনকার্য পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, দেশরক্ষা, দেশের উন্নয়নমূলক কার্যাবলি পরিচালনা সবই শাসন বিভাগের হাতে ন্যস্ত। শাসন বিভাগ এসব কার্যাবলি সম্পন্ন করে আইন বিভাগ প্রণীত আইন অনুসারে।

শাসন বিভাগ তাদের কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। শাসন বিভাগের কার্যাবলিকে বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে আইন বিভাগ। অন্যদিকে বিচার বিভাগ ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য বিচার করে থাকে। কিন্তু বিচার বিভাগের রায়কে বাস্তবায়ন করার দায়িত্বও থাকে শাসন বিভাগের হাতে। আবার বিচার বিভাগের প্রদত্ত রায় বা শাস্তিকে মওকুফ বা মার্জনার ক্ষমতা শাসন বিভাগের হাতে আছে। এ দিক থেকে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণে আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগ মূল নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় থাকে। শাসন বিভাগের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে একটি রাষ্ট্র বিপন্ন হতে বাধ্য। আবার আইন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ না থাকলে শাসন বিভাগ বেপরোয়া হয়ে যেতে পারে।

এদিক থেকে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগ পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক, নিয়ন্ত্রক এবং সমন্বয় সাধনকারী। রাষ্ট্র পরিচালনায় এই দুটি বিভাগের ভূমিকাও অনেকটা তত্ত্বাবধায়কের ন্যায়। তাই আমি মনে করি, একটি রাষ্ট্র উদ্দীপকে চিহ্নিত A এবং B দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
189
উত্তরঃ

ব্রিটেনের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম হাউস অব লর্ডস এবং নিম্নকক্ষের নাম হাউস অব কমন্স।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
302
উত্তরঃ

সরকারের যে বিভাগ আইনসভা প্রণীত আইন অনুসারে রাষ্ট্রীয় শাসনকার্য পরিচালনা করে, তাকে শাসন বিভাগ বলে। অর্থাৎ আইন বিভাগ প্রণীত আইন অনুসারে যে বিভাগ দেশ শাসন বা পরিচালনা করে থাকে, তাই শাসন বিভাগ। সংকীর্ণ অর্থে শাসন বিভাগ হলো প্রজাতন্ত্রের নীতি ও কার্যক্রম নির্ধারণের দায়িত্ব প্রাপ্ত অংশ যেমন- প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রীবর্গ, আমলারা। আর ব্যাপক অর্থে আইন ও বিচার বিভাগ ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের সকল অংশীজন শাসন বিভাগের আওতাভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
1.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews