যে সকল ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আয়তন- ছোট ও লেনদেনের সংখ্যা কম, সে সকল প্রতিষ্ঠানে একতরফা দাখিলা পদ্ধতি অনুযায়ী হিসাব সংরক্ষণ করা হয়। এই পদ্ধতিতে কোনো লেনদেনের একটি পক্ষের, কোনো লেনদেনের দুটি পক্ষেরই এবং কোনো লেনদেনের কোনো পক্ষই লিপিবদ্ধ করা হয় না। প্রকৃতপক্ষে একতরফা দাখিলা বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি নয়। এই পদ্ধতিতে কিছু সম্পদ ও দায়ের হিসাব সংরক্ষণ করা হলেও আয় ও ব্যয় হিসাবগুলো সংরক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
সমগ্র বিশ্বব্যাপী ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানসমূহে হিসাব সংরক্ষণের জন্য নির্ভরযোগ্য, বিজ্ঞানসম্মত ও পূর্ণাঙ্গ পদ্ধতি হিসেবে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত এবং পরিচিত। দুতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে অর্থ বা আর্থিক মূল্যে পরিমাপযোগ্য প্রতিটি লেনদেনকে দ্বৈত স্বত্বায় প্রকাশ করা হয়। ব্যবসায়ের সঠিক ফলাফল ও প্রকৃত আর্থিক অবস্থা জানার জন্য দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির কোনো বিকল্প নেই।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
- লেনদেনের দ্বৈত স্বত্বা নীতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
- দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির ধারণাও বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
- দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির সুবিধাসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারব।
- লেনদেনে জড়িত দুটি পক্ষ অর্থাৎ ডেবিট ও ক্রেডিট পক্ষ শনাক্ত/চিহ্নিত করতে পারব।
- হিসাবচক্রের বিভিন্ন ধাপ ব্যাখ্যা করতে পারব।
- লেনদেনের জন্য উপযুক্ত হিসাবের বই চিহ্নিত করতে পারব।
- একতরফা দাখিলার ধারণা নিয়ে ব্যবসায়ের মুনাফা নির্ণয় করতে পারব।

Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!