জলজ ক্ষুদ্র প্রাণীর নাম জুপ্ল্যাংকটন (Zooplankton
পরিবেশের প্রধান উপাদান হচ্ছে মাটি।
ভূমিতে অধিক পরিমাণ সার প্রয়োগ এবং কীটনাশক ব্যবহার করা হলে মাটি দূষিত হয়। এছাড়া একই জমিতে বারবার একই ফসল চাষ এবং মাটির জৈব উপাদান হ্রাসের ফলেও মাটি দূষিত হয়ে থাকে।
শিক্ষার্থীরা শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌভ্রমণে যায়। সেখানে তারা নদীর পানির রং অস্বাভাবিক দেখে। এর পেছনে কতগুলো কারণ রয়েছে।
যেমন-
নদীর তীরবর্তী এলাকায় ফসল উৎপাদিত হয়। ফসলী জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। উক্ত কীটনাশক বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে নদীর পানিতে মিশে যায়। শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত রং, গ্রীজ, রাসায়নিক দ্রব্য, উষ্ণ পানি ইত্যাদি নদীর পানিতে যুক্ত হয়। এছাড়াও আবাসস্থলের বর্জ্য, নদীর পাড় দখল ইত্যাদির দ্বারা পানি দূষিত হয়ে শীতলক্ষা নদীর পানির স্বাভাবিক রং নষ্ট হয়ে গেছে।
সুতরাং বলা যায় যে, মানুষের সামগ্রিক কর্মকান্ডের ফলে নদী তার স্বাভাবিক রং হারিয়ে ফেলেছে।
দূষণের ফলে শীতলক্ষ্যা নদীর পানির স্বাভাবিক রং নষ্ট হয়ে গেছে। এ নদীর পানির স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা
যেতে পারে। যেমন-
i. নদীর তীরবর্তী ফসলী জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ বন্ধ করতে হবে।
ii. লঞ্চ, স্টিমার, ইঞ্জিন চালিত নৌকা প্রভৃতির নির্গত বর্জ্য যাতে নদীর পানিতে না মিশে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।iii. শিল্পকারখানার রং, গ্রিজ, রাসায়নিক দ্রব্য, উষ্ণ পানি যাতে নদীতে না মিশে সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
iv. আবাসস্থলের বর্জ্য নদীর পানিতে ফেলা যাবে না।
V. নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত ড্রেজিং এর ব্যবস্থা নিতে হবে।
উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ এবং তার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা গেলে পানি দূষণ অনেকটাই কমে যাবে। এর ফলে নদীর পানির স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!