এক ব্যক্তি কয়েক প্রকার সবজি কিনলেন। তাঁর স্ত্রী বললেন, "এইগুলি সবই হাইব্রিড সবজি যা কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন"।

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ

নিষেক ক্রিয়া ছাড়া ডিম্বাণু হতে ভ্রূণ তৈরির প্রক্রিয়াই হলো পার্থেনোজেনেসিস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

ভূণথলিতে ডিম্বাণু ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে দুটি পুংগ্যামিটের মিলনকে একত্রে দ্বিনিষেক বলে। একই সময়ে ডিম্বাণুর সাথে একটি পুংগ্যামিটের মিলন ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে অপর পুংগ্যামিটের মিলন ঘটে। এক্ষেত্রে, দুটি পুংগ্যামিটের একটি ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট এবং অন্যটি সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়ে সস্য নিউক্লিয়াস গঠন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নির্দেশিত কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়াটি হলো হাইব্রিডাইজেশন l
বা সংকরায়ন। নিম্নে প্রক্রিয়াটির ধাপসমূহ সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো-প্রজনক নির্বাচন, ইমাস্কুলেশন, ব্যাগিং, পরাগরেণু সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, ক্রসিং, লেবেলিং, পরিপক্ক বীজ সংগ্রহ ও জনু সৃষ্টি প্রভৃতি ধাপ অতিক্রমের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। কৃত্রিম সংকরায়নের শুরুতেই এমন প্রজনক নির্বাচন করতে হবে যাদের ভালো বৈশিষ্ট্য প্রচলিত জাতে অনুপস্থিত। অনাকাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য দূরীকরণের জন্য প্রজনকের স্বপরাগায়ন করা হয়। মাতৃপুষ্প উভলিঙ্গ হলে তার স্বপরাগায়ন রোধের জন্য পরিপক্ক হওয়ার আগেই পুষ্প থেকে পুংকেশর সরিয়ে ফেলাকে বলা হয় ইমাস্কুলেশন। স্ত্রী হিসেবে ব্যবহৃত প্রজনকের স্বপরাগায়ন রোধের জন্য ইমাস্কুলেশন করা হয়। ইমাস্কুলেশনের পর নির্বাচিত প্রজনক উদ্ভিদের পুষ্পিত অংশ পাতলা পলিথিন বা কাগজের ব্যাগ দিয়ে ঢেকে দিতে হয়। একে ব্যাগিং বলে। ব্যাগকৃত পুংফুল ফোটার পর পরাগরেণু বা পরাগধানী পেট্রিডিস বা কাগজের ব্যাগে সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত পরাগধানী ইমাস্কুলেশনকৃত ফুলের গর্ভমুণ্ডে নরম তুলির সাহায্যে ঘসে দিয়ে ক্রসিং করা হয়। ক্রসিং করার পর ফুল ব্যাগ দিয়ে পুনরায় ঢেকে দেওয়ার পর একটি ট্যাগ আটকে দেয়া হয়। বীজ পরিপক্ক হলে লেবেলসহ কাগজের প্যাকেটে বীজ সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত বীজ পরবর্তী মৌসুমে বপন করে নতুন জনু সৃষ্টি করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রক্রিয়াটি হলো কৃত্রিম প্রজনন। নিচে এর তাৎপর্য বিশ্লেষণ করা হলো-

বর্তমানকালে পৃথিবীর ক্রমবর্ধনশীল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিশ্চয়তা প্রদান বিজ্ঞানীদের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে আবাদি জমির পরিমাণ কমতে থাকায় এ সমস্যা অত্যন্ত প্রকট আকার ধারণ করেছে। স্বল্প জমিতে ফসলের ফলন বৃদ্ধি ছাড়া এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণের আশা অত্যন্ত ক্ষীণ। আমেরিকান বিজ্ঞানী G.H. Shull (১৯০৮) ভুট্টার সংকর তৈরি করে ফসল উৎপাদনে যে চমক সৃষ্টি করেন ইতোমধ্যে তা বিভিন্ন ফসলের উন্নয়নে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং বিভিন্ন ধরনের
ফসলের উন্নত জাত সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে BRRI থেকে ৭৮টি উফশী (উচ্চ ফলনশীল) জাতের ধান উদ্ভাবন করা হয়েছে। তার মধ্যে চান্দিনা (বি আর-১), বিপ্লব (বি আর-৩), আশা (বি আর-৮), মুক্তা (বি আর-১১), গাজী (বি আর-১৪), শাহীবালাম (বি আর-১৬), নয়া পাজাম (বি আর-২৫), ব্রি ধান-২৮, ব্রি আর-৩১, ব্রি আর-৩২ কৃষকের কাছে জনপ্রিয়তা লাভকরেছে। সম্প্রতি ব্রি নতুন ১০টি জাতের ধান উদ্ভাবন করেছে। এদের মধ্যে ব্রি-৭৮ বন্যা ও লবণসহিষ্ণু, ব্রি-৭১ খরা সহিষ্ণু, ব্রি-৭৩ লবণ সহিষ্ণু, ব্রি-৭৪ ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী, ব্রি-৭০ সুগন্ধি যুক্ত ও আকর্ষণীয়। গত ৪০ বছরে এশিয়ায় ধানের উৎপাদন ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। BARI থেকে ধান ছাড়া অন্যান্য ফসলের উন্নয়ন ঘটানো হয়। গম পৃথিবীর অনেক দেশে প্রধান খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। আমেরিকান বিজ্ঞানী Norman E. Borlaug জাপানী খাটো নোরিন জাতের জিন
স্থানান্তরের মাধ্যমে যে খাটো বসন্তকালীন জাত মেক্সিকান গম উদ্ভাবন করেন তার ফলে গম চাষে এক বিপ্লবের সূচনা হয়। পুনরায় এ জাতের সাথে বিভিন্ন দেশের প্রচলিত জাতের সংকরায়ন করে নতুন নতুন উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ কৃতিত্বের জন্য তাঁকে ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ২১টি উফশী জাতের গম উদ্ভাবন করেছে। এর মধ্যে বলাকা, আনন্দ, কাঞ্চন, আকবর, বরকত, সওগাত বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তাছাড়া তৈলবীজ, ডাল, আঁশ জাতীয় ফসল, আঁখ, শাকসবজি ও ফলজ উদ্ভিদের উন্নয়নেও নানামুখী অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
22

উদ্ভিদ প্রজননঃ প্রজনন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যা দ্বারা উদ্ভিদ এবং প্রাণী তার প্রতিরুপ বা বংশধর সৃষ্টি করে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অপেক্ষাকৃত বড় ও নিশ্চল স্ত্রীগ্যামিটের সাথে ছোট ও সচল পুংগ্যামিটের যৌন মিলনই হলো নিষেক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
35
উত্তরঃ

পুংকেশরের কাজগুলো হলো-
i.পুংকেশর পুংজনন স্তবক গঠন করে থাকে।
ii.এরা পরাগধানীকে ধারণ করে।
iii. পুংকেশরের মাথায় অবস্থান করা পরাগধানী পরাগরেণু তৈরি করে, যা পরাগায়নে সহায়তা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
38
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র 'A' হলো পুংগ্যামিটোফাইট। পুংগ্যামিটোফাইটের প্রথম কোষ হলো পরাগরেণু।
পরাগরেণুর নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুটি অসম নিউক্লিয়াস তৈরি করে। বড়টিকে বলা হয় নালিকা নিউক্লিয়াস এবং ছোটটিকে বলা হয় জনন নিউক্লিয়াস। পরাগায়নের ফলে পরাগরেণু স্ত্রীকেশরের গর্ভমুণ্ডে পতিত হয় এবং অঙ্কুরিত হয়, অর্থাৎ ইনটাইন বৃদ্ধি পেয়ে জার্মপোর দিয়ে নালিকার, আকার বাড়তে থাকে। এ নালিকাকে পোলেন টিউব বলে। পোলেন টিউবের ভিতরে নালিকা নিউক্লিয়াস এবং পরে জনন নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে। নালিকাটি গর্ভদণ্ডের ভেতর ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং গর্ভাশয়ের ভিতরে ডিম্বকরন্দ্র পর্যন্ত পৌছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি করে। এভাবেই উদ্ভিদদেহে পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামিটোফাইট সৃষ্টি হয়। ডিম্বকরন্দ্র পর্যন্ত পৌছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি করে। এভাবেই উদ্ভিদদেহে পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামিটোফাইট সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
34
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র 'B' হলো স্ত্রীগ্যামিটোফাইট বা পূর্ণাঙ্গ ভূণথলি। নিষেকের পর ভ্রূণথলির বিভিন্ন অংশ পরিবর্তিত হয়।

নিষেকের পর ডিম্বকরন্দ্র পরিবর্তিত হয়ে বীজরন্দ্রে পরিণত হয়। ডিম্বকনাভী পরিবর্তিত হয়ে বীজনাভীতে পরিণত হয়। ডিম্বক নাড়ী পরিবর্তিত হয়ে বীজবৃত্তে পরিণত হয়। এক্সাইন ও ইন্টাইনে পরিবর্তিত হয়ে যথাক্রমে টেস্টা ও টেগমেন তৈরি করে। নিষেকের পরে জুণপোষক বা নিউসেলাস নষ্ট হয়ে যায় অথবা পেরিস্পার্মে পরিণত হয়। সস্য নিউক্লিয়াস পরিবর্তিত হয়ে সস্য বা এন্ডোস্পার্ম তৈরি হয়। সাহায্যকারী কোষ এবং প্রতিপাদ কোষ নষ্ট হয়ে যায়। নিষেকের পর গর্ভাশয় পরিবর্তিত হয়ে ফলে পরিণত হয়। গর্ভাশয় প্রাচীর পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয় ফলত্বক। ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে বীজে পরিণত হয়। ডিম্বকের বহিঃত্বক রূপান্তরিত হয়ে বীজ বহিঃত্বক এবং ডিম্বক অন্তঃত্বক রূপান্তরিত হয়ে বীজ অন্তঃত্বক তৈরি করে। ডিম্বাণু পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয় ভুণ। এটি বীজের অভ্যন্তরে থাকে। এভাবে চিত্রের বিভিন্ন অংশ পরিবর্তিত হয়ে ফল তৈরি করে। সপুষ্পক উদ্ভিদের জনন কোষ দুটি গঠিত হওয়ার পর এদের মিলন ঘটলে ফুলের গর্ভাশয়টি ফলে এবং ডিম্বকসমূহ বীজে পরিণত হয়। বীজ উদ্ভিদের বংশ রক্ষা করে এবং বংশ বৃদ্ধি করে। নিষেকের মাধ্যমে উত্ত পরিবর্তন না ঘটলে ফল ও বীজের সৃষ্টি হতো না। ফলে খাদ্যের অভাবে প্রাণিকুল বিশেষ করে মানবজাতি ধ্বংস হয়ে যেতো

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
43
উত্তরঃ

নিষেক ক্রিয়া ছাড়া ডিম্বাণু হতে ভ্রূণ তৈরির প্রক্রিয়াই হলো পার্থেনোজেনেসিস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
36
উত্তরঃ

ভূণথলিতে ডিম্বাণু ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে দুটি পুংগ্যামিটের মিলনকে একত্রে দ্বিনিষেক বলে। একই সময়ে ডিম্বাণুর সাথে একটি পুংগ্যামিটের মিলন ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে অপর পুংগ্যামিটের মিলন ঘটে। এক্ষেত্রে, দুটি পুংগ্যামিটের একটি ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট এবং অন্যটি সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়ে সস্য নিউক্লিয়াস গঠন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
37
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews