এক সময় পৃথিবীতে দাস ব্যবস্থার প্রচলন ছিল। শক্তিশালী দেশ তাদের কৃষিকাজের জন্য দরিদ্র দেশ থেকে অশিক্ষিত লোকদেরকে এনে কৃষিকাজে নিয়োজিত করত। এদের অক্লান্ত পরিশ্রমের দ্বারা ধনী দেশ কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। তবে তাদের কোনো ব্যক্তির স্বাধীনতা ছিল না। বরং তাদের উপর নির্যাতন করা হতো। তারা তাদের প্রভুর কথা মেনে চলতে বাধ্য হতো। মত প্রকাশের অধিকার না থাকায় এক সময় তারা দুভাগে বিভক্ত হয়ে গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এ গৃহ যুদ্ধের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য 'X' দেশের সরকার সংবিধান প্রণয়ন করে দাসদের স্বাধীনতা প্রদান করে। এ পদক্ষেপের ফলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

হুদায়বিয়ার সন্ধি ৬২৮ খ্রিস্টাব্দে স্বাক্ষরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আইয়ামে জাহেলিয়া বলতে ইসলামপূর্ব আরবের অরাজক ও বিশৃঙ্খল সময়কালকে বোঝায়।
আইয়ামে জাহেলিয়া শব্দটি আরবি। এর বাংলা অর্থ অজ্ঞতা বা অন্ধকারের যুগ। মহানবি (স)-এর আবির্ভাবের পূর্বে আরবের প্রায় একশ বছর সময়কালকে আইয়ামে জাহেলিয়া বলা হয়। এ সময় মানুষের মধ্যে কোনো প্রকার নৈতিকতা, সততা, দায়িত্বজ্ঞান ও শালীনতা ছিল না। অন্যায়-অনাচারে সমাজ ভরপুর ছিল। এ জন্য এ সময়কালকে আইয়ামে জাহেলিয়া বা অন্ধকারের যুগ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রাক-ইসলামি যুগের আরবের দাস প্রথার করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে।

দাস প্রথা প্রাচীন বিশ্বের একটি কুপ্রথা। এ প্রথায় দেখা যায়, বিভিন্ন প্রয়োজনে দাসদেরকে ক্রয়-বিক্রয় করা হতো। এরপর তাদের ওপর কারণে- অকারণে অমানবিক নির্যাতন চালানো হতো। উদ্দীপকে এই দাস প্রথারই একটি দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়েছে, যা ইসলামপূর্ব আরবের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

ইসলামপূর্ব আরবে পণ্যদ্রব্যের মতো হাটে-বাজারে দাস-দাসী বিক্রি করা হতো। তাদের কোনো স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা ছিল না। দাস-দাসীদের ওপর নিষ্ঠুর আচরণ করা হতো। যদিও কোনো কোনো ক্ষেত্রে দাস-দাসীদের বিয়ে হতো, তবে তাদের সন্তান-সন্ততিও মনিবের দাস হিসেবে পরিগণিত হতো। তাদেরকে উপপত্নী হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। অমানবিক নির্যাতন সহ্য করে তাদের জীবনযাপন করতে হতো। উদ্দীপকেও দাসদের ওপর অনুরূপ নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এক সময় পৃথিবীতে দাসরা ছিল ইসলামপূর্ব আরবের ন্যায় অবহেলিত। তাদের ব্যক্তিস্বাধীনতা বা মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলতে কিছু ছিল না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি ইসলামপূর্ব আরবের দাস প্রথার চিত্রই উপস্থাপন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উক্ত ব্যবস্থা অর্থাৎ দাস প্রথা বিলুপ্তির ক্ষেত্রে উদ্দীপকে গৃহীত পদক্ষেপ ইসলামের ইতিহাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

দাস-দাসীরা আমাদের মতোই মানুষ। তাই তাদের স্বাধীনতা হরণ করা বা অধিকার থেকে বঞ্চিত করা উচিত নয়। এ প্রেক্ষিতেই বর্তমান বিশ্বে দাস প্রথার বিলোপ ঘটেছে। তবে ইসলামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এ প্রথার বিরুদ্ধে মহানবি (স)-এর অবস্থানই সামনে চলে আসে।
উদ্দীপকে 'X' দেশের গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষিতে সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে দাসদের স্বাধীনতা প্রদানের বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে 'X' দেশের দাসরা পূর্ণ মর্যাদা ও অধিকার ফিরে পায়। অথচ ইসলামের ইতিহাসে আজ থেকে ১৫০০ বছর আগেই মহানবি (স) দাস-দাসীদেরকে প্রাপ্য মর্যাদা দিয়েছিলেন। মহানবি (স) দাস প্রথাকে ঘৃণা করতেন এবং দাসমুক্তিকে উৎসাহিত করতেন। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, 'গোলামকে আজাদি দানের চেয়ে শ্রেষ্ঠতর কাজ আল্লাহর কাছে আর কিছুই নেই।' তিনি বিদায় হজের ভাষণে (৬৩২ খ্রি.) দাস-দাসীদের প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশ দানের মাধ্যমে তাদের অধিকার সুনিশ্চিত করেছিলেন। তিনি এ ভাষণে বলেছিলেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদ্ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করো না। তোমরা যা খাবে, তাদেরকেও তাই খাওয়াবে। তোমরা যা পরবে, তাদেরকেও তাই পরাবে- ভুলে যেও না তারাও তোমাদের মতোই মানুষ।' মূলত মহানবি (স)-এর এরূপ ভূমিকা সারা বিশ্বের জন্যই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
এর ফলেই আজ দাস প্রথার উচ্ছেদ সম্ভব হয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, দাস প্রথার বিলোপে ইসলামের ইতিহাসে গৃহীত পদক্ষেপ উদ্দীপকে গৃহীত উদ্যোগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
72

Related Question

View All
উত্তরঃ

পেপিরাস হলো নীল নদের তীরে জন্ম নেওয়া নলখাগড়া জাতীয় এক ধরনের ঘাস বা উদ্ভিদ, যা দিয়ে মিসরীয়রা কাগজ আবিষ্কার করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
145
উত্তরঃ

মিসরীয়রা চিত্রলিপিভিত্তিক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করে সভ্যতার বিকাশে বিশেষ অবদান রেখেছে।
মিসরীয়দের লিখন পদ্ধতি 'হায়ারোগ্লিফিক' (Hieroglyphic) নামে পরিচিত। হায়ারোগ্লিফিক অর্থ পবিত্র লিপি। এটি ছিল একটি লিখিত ভাষা। এ ভাষায় নানাপ্রকার দ্রব্য, প্রাকৃতিক বিষয় প্রভৃতির ছবি আঁকা থাকত, যার মাধ্যমে জিনিসগুলোর পরিচয় ও নাম জানা সম্ভব হতো। হায়ারোগ্লিফিক শিলালিপি প্রথমে তৈজসপত্র, ফলক এবং কবরের গায়ে খোদাই করা হতো। পরে মিসরে কাগজ আবিষ্কৃত হলে এতে এ লিপি উৎকীর্ণ করা হয়। এ লিখন পদ্ধতি তিনটি রূপে বিকাশ লাভ করেছে।
যথা: চিত্রভিত্তিক, অক্ষরভিত্তিক এবং বর্ণভিত্তিক। প্রায় ৭৫০টি চিত্রলিপির চিহ্ন দিয়ে প্রাচীন মিসরীয় লিপি পদ্ধতি তৈরি হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
130
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকের হোয়াংহো নদীর মতোই নীল নদ মিসরীয় সভ্যতার কৃষির অগ্রগতিতে ভূমিকা রেখেছিল।

প্রাচীন সভ্যতাসমূহের মধ্যে মিসরীয় সভ্যতা অন্যতম। মিসরকে নীল নদের দান হিসেবে অভিহিত করা হয়। কেননা মিসরীয় সভ্যতার বিকাশে নীল নদই সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল। মিসরের ক্ষেত্রে নীল নদের এ অবদানই চীনের হোয়াংহো নদীর ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।
হোয়াংহোকে চীনের দুঃখ বলা হলেও চীনা সভ্যতার বিকাশে এ নদী বিশাল ভূমিকা পালন করেছে। নদীর অববাহিকায় কৃষিকাজ ও প্রয়োজনীয় সেচের ব্যবস্থা, ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও হোয়াংহো নদী অবদান রেখেছে। মিসরীয় সভ্যতার ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষ করা যায়। এ সভ্যতার বিকাশে নীল নদের ভূমিকা অতুলনীয়। মিসরীয় সভ্যতার সূচনাকারী জনগণ পানির প্রাপ্যতা, কৃষি উৎপাদন, মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ, পশু পালনের জন্য তৃণভূমির সহজলভ্যতা ইত্যাদি বিষয় চিন্তা করে নীল নদের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহে বসতি স্থাপন করেছিল। আর এ ক্ষেত্রে তারা বেশ উপকৃতও হয়েছিল। ঘর-গৃহস্থালির কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য এমনকি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই নীল নদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মরুভূমিতে পরিণত হওয়া মিসর নীল নদের দানের ফলেই শস্য-শ্যামল ও সমৃদ্ধিশালী দেশে পরিণত হয়েছে। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লিখিত চীনা সভ্যতায় হোয়াংহো নদীর ভূমিকা মিসরীয় সভ্যতার ক্ষেত্রে নীল নদের অবদানেরই ইঙ্গিত বহন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
254
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সম্রাটের কফিন যেমন পাথরের দেয়াল দ্বারা সুরক্ষিত করা হয়েছে, তেমনি মিসরীয় সভ্যতায় ফারাও সম্রাটদের মৃতদেহ মমি করে সংরক্ষণ করা হতো।

মিসরীয়রা মৃত্যুর পরের জীবনে বিশ্বাস করত। আর তাদের এ ধর্ম বিশ্বাসের ছাপ পড়েছিল স্থাপত্যিক নিদর্শনে। তারা ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ছিল। পিরামিড ছিল তাদের স্থাপত্য শিল্পের অসাধারণ সৃষ্টি। ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই তারা নির্মাণ করেছিল প্রকাণ্ড সৌধের এ পিরামিডগুলো। আর এ ধরনের বিশ্বাস থেকে নির্মিত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কথাই উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে।
উদ্দীপকে সম্রাটের কফিন সুরক্ষিত রাখতে পাথরের নির্মিত সশস্ত্র সৈন্যের পাহারা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একইভাবে মিসরীয়রা তাদের ফারাও সম্রাটদের মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য পিরামিড নির্মাণ করেছিল। তারা বিশ্বাস করত ফারাওদের মৃত্যুর পর তাদের আত্মা স্বর্গে চলে যায় এবং সেখানে দেবতা হিসেবে আবির্ভূত হয়। কিন্তু মৃত ফারাওদের শরীর পচে গেলে এক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। এজন্য তারা মৃতদেহ প্রক্রিয়াজাত করে তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করত। এ মৃতদেহগুলোকে যেখানে কবর দেওয়া হতো, সেসব স্থান আগে থেকেই তৈরি করে রাখা হতো। এসব কবরে দেওয়া হতো সিন্দুকভর্তি অমূল্য গহনা, ধাতব তৈজসপত্র, মুদ্রা, দামি কাপড় প্রভৃতি। মৃত ফারাওদের দেহ ও মূল্যবান সামগ্রীর নিরাপত্তার জন্য মিসরীয়রা বড় বড় পাথরখণ্ড কেটে পিরামিড নির্মাণ করত। এগুলো ছিল জ্যামিতিক ত্রিভুজের আকৃতিতে তৈরি অতি উঁচু এক একটি সমাধিসৌধ।
পরিশেষে বলা যায়, ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই উদ্দীপকে বর্ণিত সম্রাটদের কফিন এবং মিসরীয় ফারাও সম্রাটদের মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হতো। তাদের উভয়ের ক্ষেত্রেই পাথরের দেয়াল দ্বারা মৃতদেহ সংরক্ষণের পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
141
উত্তরঃ

মালা হলো প্রাক-ইসলামি আরবের একটি রাজনৈতিক সংগঠন বা মন্ত্রণাসভা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
254
উত্তরঃ

আরবের উকাজ মেলায় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাতটি কবিতাকে সাবায়ে মুয়াল্লাকাত বা 'সপ্ত ঝুলন্ত' কবিতা বলা হতো।
মক্কার নিকটবর্তী উকাজের বার্ষিক মেলায় আরবের প্রখ্যাত কবিগণ কবিতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতেন। উকাজের বাৎসরিক সাহিত্য সম্মেলনে সাতটি কবিতাকে পুরস্কৃত করা হতো। সোনালি হরফে লিপিবদ্ধ করে এ কবিতাগুলো মক্কায় কাবার দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা হতো। এ কবিতাগুলোর বিষয়বস্তু ছিল প্রেম, যুদ্ধবিগ্রহ, বীরত্বপূর্ণ কাহিনি, বংশ গৌরব, আরব . সমাজের আতিথেয়তা, স্বাধীনচেতা মনোভাব ইত্যাদি। এ কবিতাগুলোই সপ্ত ঝুলন্ত কবিতা বা সাবায়ে মুয়াল্লাকাত নামে পরিচিত ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
398
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews