এক সময় বাংলাদেশ খাদ্য ঘাটতির দেশ ছিল। প্রতিবছরই ১৫ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টন খাদ্য আমদানি করতে হতো। ইদানীং সরকার কৃষকদের বিভিন্নভাবে সাহায্য-সহযোগিতা, উৎসাহ ও পরামর্শ দিয়ে খাদ্য উৎপাদন পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। ফলে খাদ্যঘাটতি দূর হয়েছে।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যের প্রাপ্যতা বলতে কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সময়ে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যের প্রাপ্তিকে বোঝায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

নিরাপদ খাদ্য হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক বিষয় বা খাদ্যের রক্ষণাবেক্ষণ, তৈরি ও খাদ্যের মজুদকরণ বোঝায় এবং যা মানুষকে খাদ্যের কারণে অসুস্থতা থেকে রক্ষা করে। আমাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য নিরাপদ খাদ্য অত্যন্ত প্রয়োজন, কারণ নিরাপদ খাদ্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস করে, শিশু মৃত্যুহার হ্রাস করে, অতিরিক্ত ব্যয় হ্রাস করে, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো-

▶ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্রসেচ সম্প্রসারণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

▶ কৃষি গবেষণার মাধ্যমে পরমাণু ও জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করে লবণাক্ততা সহিষ্ণু, স্বল্প সময়ের শস্যের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

▶ শস্যমূল্য সহায়তার জন্য কৃষিবিমা ও কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

▶ কৃষি উপকরণে ভর্তুকি প্রদান ও সহজলভ্যকরণ ও যোগান নিশ্চিতকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

▶ প্রতিবছর অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

▶ কৃষিঋণ বিতরণ সহজতর করে বর্ধিত হারে কৃষি ও পল্লি ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে।

▶ কৃষিখাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

▶ দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন খাত ও উপখাতকে সংস্কার করা হয়েছে।

▶ প্রাণী সম্পদের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। স্বল্পমূল্যে হাঁস-মুরগির বাচ্চা সরবরাহ ও টিকা উৎপাদন ও বিতরণ, কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম ও রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

অতএব আমরা বলতে পারি, সরকার দেশের খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যা, বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি পদক্ষেপ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম। নিচে এই মতের পক্ষে যুক্তি প্রদান করা হলো-

বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সার্বিক ভূমিকা পালন করছে। এক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ অত্যন্ত কার্যকর। দেশে খাদ্যোৎপাদন লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি উপকরণে ভর্তুকি বৃদ্ধি এবং কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা হয়েছে। ফলে, কৃষিঋণের আওতা বৃদ্ধি ও প্রাপ্তি সহজীকরণ হয়েছে।
খাদ্যশস্যের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ কৃষিখাতের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ক্ষুদ্রসেচ সম্প্রসারণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, উচ্চফলনশীল বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। যার ফলে ২০১০ সালে যেখানে খাদ্য, উৎপাদন ছিল ২৬৬৬৩ হাজার মেট্রিক টন সেখানে ২০১৫ সালে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২৮৩১৪ হাজার মেট্রিক টন।

পরমাণু ও প্রাণ-প্রযুক্তি ব্যবহার করে লবণাক্ততা সহিষ্ণু, আবহাওয়া ও পরিবেশ উপযোগী এবং স্বল্প সময়ে (সর্বোচ্চ ১১০ দিন) ফসল পাওয়া যায় এরূপ উদ্ভাবন করা হয়েছে। ফলে দেশে খাদ্যের উৎপাদন এরূপ শস্যের জাত ও প্রযুক্তি অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।
পাশাপাশি কাবিখা, টিআর, ভিজিএফ, ভিজিডি, জিআর ও সরকারের গৃহীত অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে খাদ্যক্রয়ে অক্ষম লোকদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ফলস্বরূপ, তাদের খাদ্যের ও পুষ্টির চাহিদা সঠিক ভাবে পূরণ হচ্ছে।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি পদক্ষেপসমূহ অত্যন্ত কার্যকর ও সক্ষম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
41
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যা ভোক্তার নিকট ক্ষতিকর হবে না এবং যা ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহৃত হবে ভোগের জন্য তা-ই নিরাপদ খাদ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
73
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সময়ে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যের প্রাপ্তিকেই খাদ্যের প্রাপ্যতা বলা হয়। পর্যাপ্ত উৎপাদন এবং নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের যোগান খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে। কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের সরবরাহ নির্ভর করে সরকারি ও বেসরকারি খাদ্যশস্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনার উপর। কিছু কিছু জায়গায় পদ্ধতিগত দুর্বলতা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা ও প্রয়োজনীয় খাদ্যে সরকারি সহযোগিতার অভাবে খাদ্যের প্রাপ্যতা বাধাগ্রস্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
85
উত্তরঃ

উদ্দীপকে খাদ্যে ভেজালের কথা বলা হয়েছে। উক্ত বিষয়টি প্রতিরোধে সরকার যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

⇨ সরকার ভেজালবিরোধী আইনের মাধ্যমে সকল পর্যায়ে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে সংসদে ভেজালবিরোধী আইন পাশ করার পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেছে।

⇨ দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন বন্ধের পাশাপাশি বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ভেজালে সহায়তাকারী বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

⇨ ভেজাল প্রতিরোধে সরকার জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি প্রদানের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে।

অতএব বলা যায়, সরকারের সদিচ্ছা এবং আইনের কার্যকরী প্রয়োগ দ্রুত দেশের ভেজাল প্রতিরোধ করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
65
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। নিচে আমার মতামত উপস্থাপন করা হলো-

উন্নত বিশ্ব খাদ্যে ভেজালের বিষয়ে কোনোরকম ছাড় দিতে নারাজ, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে তারা নিরাপদ খাদ্য পেতে চায়। নিরাপদ খাদ্য পেতে তারা খরচের কথা চিন্তা করে না। ফলে তাদের খাদ্যের সরবরাহ ভালো। তাদের খাদ্য ক্রয়-বিক্রয়ও অনেক ভালো।
কিন্তু বাংলাদেশে ঠিক এর ব্যতিক্রম অবস্থা। বাংলাদেশে জনসংখ্যা অনেক বেশি হলেও এই খাদ্য সরবরাহ করার পরও মানুষ প্রচুর অপচয় করে। এই অপচয় রোধে বিক্রেতারা খাদ্যে পচনশীলতা দূর করতে ফরমালিনের মতো বিষও প্রয়োগ করে। বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ফল, সবজি, মাছ, মাংস ইত্যাদি সব খাদ্যে পচনশীলতা দূর করতে ফরমালিন প্রয়োগ করছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। খাদ্যের এই ভেজাল দিন দিন মনে হয় আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও আশু প্রতিক্রিয়া তেমন দেখা যাচ্ছে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
70
উত্তরঃ

খাদ্য নিরাপত্তা হলো নির্ভরশীল স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের পর্যাপ্ত যোগান যা ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বিদ্যমান থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
96
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী কর্তৃক শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদান প্রাপ্তির লক্ষ্যে নির্দিষ্ট খাদ্যদ্রব্য গ্রহণকেই খাদ্যের ব্যবহার বলে।

শরীরে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে যে সব খাদ্য গ্রহণ করা হয়, তার আত্তীকরণের উপর নির্ভর করে খাদ্যের ব্যবহার। খাদ্যভোগের ধরন, পুষ্টিমান, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়গুলো সামাজিক, সাংস্কৃতিক উপাদান; যেমন- খাদ্যে প্রাপ্যতা খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা এবং তার ব্যবহারের উপর নির্ভর করে। দারিদ্র্য, লিঙ্গ, বয়স, কাঠামো ও সামর্থ্য, ভৌগোলিক অবস্থান, সংস্কৃতি চর্চা খাদ্যভোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
76
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews