'এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়'। সোহেল আবৃত্তি করছিল এ কবিতাটি। তার বাবা কবিতাটি শুনে বললেন, এটি কবি হেলাল হাফিজের লেখা কবিতা। প্রবল আন্দোলনরত ছাত্রদের মিছিলকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ গুলি করে ছাত্রনেতা আসাদকে। শহিদ আসাদের স্মরণেই তিনি কবিতাটি লিখেছেন। তিনি আরও বলেন শহিদ আসাদের আত্মত্যাগের কারণে আন্দোলনটি সফল হয়। পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনেও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৯ সালে ঢাকায় রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু” উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

দ্বি-জাতি তত্ত্বের মূলকথা ছিল ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা। ১৯৩৯ সালে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বি-জাতি তত্ত্ব ঘোষণা করেন। এর মূলে ছিল হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে হবে হিন্দুস্থান এবং মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে হবে পাকিস্তান বা জাতিভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা। ইতিহাসে এটিই দ্বি-জাতি তত্ত্ব হিসেবে পরিচিত লাভ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সোহেলের বাবা ১৯৬৯ সালে সংঘটিত আইয়ুব খান বিরোধী গণঅভ্যুত্থানের কথা বললেন। এ আন্দোলনের পটভূমি নিম্নরূপ- মৌলিক গণতন্ত্র, ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা ও আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একসময় পাকিস্তানের উভয় অংশে দুর্বার গণআন্দোলন শুরু হয় এবং তৎকালীন পাকিস্তান সরকার অর্থাৎ আইয়ুব খান ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন। পশ্চিম পাকিস্তানে এক ইউনিট বাতিল এবং পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সব বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধ হয়। এ সময় পশ্চিম পাকিস্তানে পুলিশের গুলিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদ শহিদ হন। এ হত্যার প্রতিবাদে সারা দেশে শুরু হয় গণআন্দোলন। বিরোধী দলগুলো গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ (DAC) গঠন করে। শুরু হয় দেশব্যাপী তীব্র ছাত্র-গণআন্দোলন। আইয়ুব খানের পদত্যাগ, ১৯৬২ সালের সংবিধান বাতিল, 'এক ব্যক্তি এক ভোটের' ভিত্তিতে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, আগরতলা মামলা প্রত্যাহার প্রভৃতি দাবিতে দেশব্যাপী গড়ে ওঠা আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানের রূপ নেয়। আন্দোলনের ভয়ে ভীত হয়ে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করেন। উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট যে, সোহেলের আবৃত্তি শুনে তার বাবা ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের কথা বলেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত আন্দোলন তথা '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে পাকিস্তানের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাঙালি জনগণ ব্যাপকভাবে সাড়া দেয়। ভয়ে ভীত হয়ে আইয়ুব খান ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করেন। ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ আইয়ুব খান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে রাজনীতি থেকে বিদায় গ্রহণ করেন। এই আন্দোলনের ফলে রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপের ওপর বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ আন্দোলনের প্রভাবেই পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীকে প্রত্যাখ্যান করে। উক্ত নির্বাচনে সর্বমোট ৩১৩ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ ১৬৯টি এলাকাভিত্তিক আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসনে জয়ী হয়।

উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের ফলেই বাঙালি তাদের অধিকার আদায়ের বিষয়ে চূড়ান্তভাবে সোচ্চার হয়ে উঠেছিল, যার প্রতিফলন দেখা যায় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
175
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিবাহ বিহীন পরিবার গঠন দিবালোকে স্বপ্ন দেখার মতো। এমন কোনো পরিবারের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি যারা বিবাহ বহির্ভূত পরিবার গঠন করেছে। এজন্য পরিবারের ভিত্তি বলা হয় বিবাহকে। যখন একজন পুরুষ ও একজন স্ত্রীলোক একত্রে বৈধভাবে বসবাস করে তখন তাকে পরিবার বলে। এ সংজ্ঞা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, পরিবার গঠনের পূর্বশর্ত বিবাহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
474
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ভাষা আন্দোলনের কথা বলা হয়েছে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই বাঙালিদের সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বশ্যতা স্বীকার করানোর জন্য পাকিস্তানিরা উঠে পড়ে লাগে। ১৯৪৭ সালেই উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব আসলে বুদ্ধিজীবীরা নানা রচনার মাধ্যমে তার প্রতিবাদ জানান। ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় বলেন, "উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।" বাংলার নির্ভীক ছাত্রসমাজ সাথে সাথে এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। তারপর ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন ঢাকার এক জনসভায় আবারও ঘোষণা করেন, "উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।" এ ঘোষণা শোনা মাত্রই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ভাষা আন্দোলনের গতিকে তীব্রতর করতে গঠিত হয় 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'। তীব্র আন্দোলন চলার এক পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্ররা মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশ বাহিনী গুলি করলে বরকত, জব্বার, রফিক প্রমুখ শহিদ হন।

উদ্দীপকের আইদান প্রভাত ফেরীতে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে বাবাকে জিজ্ঞেস করে, আমরা শহিদ মিনারে কেন ফুল দেই? বাবা বলেন, এই দিনে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ছাত্রজনতা বুকের রক্ত রাজপথে ঢেলে দিয়েছিল। তাদের স্মরণে আমরা শহিদ মিনারে ফুল দেই। পূর্বোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, আইদানের বাবার বক্তব্যে ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবিই ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
681
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দিবসটি অর্থাৎ শহীদ দিবসের মতোই স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ইত্যাদি বাংলাদেশের নগর সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে।

বাঙালির বিভিন্ন দিবস পালনকে সাংস্কৃতিক অথবা আর্থ-সামাজিক যেভাবেই বিবেচনা করি না কেন, তার গুরুত্বকে অস্বীকার করা যায় না। গ্রামীণ ও নগর সংস্কৃতিতে এসব দিবস পালনের অনুষ্ঠানে ভিন্নতা দেখা যায়। স্বাভাবিকভাবেই গ্রামীণ সংস্কৃতি অপেক্ষা নগর সংস্কৃতিতে যেকোনো দিবস ঘটা করে পালন করা হয়। যেমন ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। এ দিনটি উপলক্ষে নগরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড হাতে নেওয়া হয়। যেমন- আনন্দ র‍্যালি বের করা, বিভিন্ন সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, ইত্যাদি করা হয়। এসব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সবসময়ই নগরবাসীকে অনুপ্রেরণা যোগায়। এ কারণে নগর সমাজের মানুষ জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দিবসের অনুষ্ঠানে আগ্রহ সহকারে অংশগ্রহণ করে। এছাড়া এ জাতীয় অনুষ্ঠান নগর সমাজের শিশুরা খুব কাছে থেকে উপভোগ করে বলে তাদের মধ্যে গভীর দেশপ্রেম দানা বাঁধতে থাকে। ফলে দেশের প্রতি তাদের মনে গভীর ভালোবাসার সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, এসব দিবস উদযাপন নগর সমাজের সব শ্রেণি ও পর্যায়ের মানুষের মধ্যে এক ধরনের জাতীয়তাবাদী চেতনা তৈরি করে।

উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, বাঙালির বিভিন্ন দিবস উদযাপন নগর সংস্কৃতি বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
335
উত্তরঃ

সাঁওতালরা মূলত এ দেশে আসে কৃষি মজুর হয়ে, জমি পরিষ্কার করে চাষাবাদ করার জন্য, রেললাইন বসাতে এবং চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে। ধারণা করা হয়, বর্তমান সাঁওতালদের পূর্বপুরুষরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার রাজ্য ও অন্যান্য পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে এসে এখানকার পার্বত্য এলাকা ও আশপাশের বন-জঙ্গলে ও পতিত জমিতে বসতি স্থাপন করে। পরে তারা এসব বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে পতিত জমিকে চাষযোগ্য করে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
493
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews