হাতেম আলির বাল্যবন্ধুর কাছে যাওয়ার কারণ জমিদারি রক্ষায় তার কাছ থেকে টাকা ধার করা।
এমন মেয়েও কারও পেটে জন্মায় জানতাম না'- কথাটি ছারা তাহেরার আচরণ লক্ষ করে তার মাকে নিন্দা করা হয়েছে। তাহেরার সলো বহিপীরের বিয়ে হয়েছে। কিন্তু তাহেরা পীরকে দ্বামী হিসেবে মানতে নারাজ। সে লীরের হাত থেকে বাঁচতে বাড়ি থেকে পালিয়েছে। তার এই পালানোটা জমিদারগিরি খোদেজার কাছে খুব অন্যায় কাজ মনে হয়েছে। কারণ খোদেজা পীরভর, পীরের স্ত্রী হওয়া তার কাছে বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। অথচ তাহেরা পীরের বউ হতে রাজি নয়। ঘর থেকে পালানোর কারণে তার প্রতি খারাপ ধারণা সৃষ্টি হয়েছে খোদেজার মনে। এজন্যই তিনি উক্তিটি করেছেন।
সারকথা: তাহেরার বাড়ি ছেড়ে পালানো খোদেজার কাছে খুব অন্যায় কাজ মনে হওয়ায় তিনি প্রশ্নোত্ত উক্তিটি করেছেন।
উদ্দীপকের মামির সঙ্গে 'বহিপীর' নাটকের তাহেরার বাবার সাদৃশ্য রয়েছে।
আমাদের সমাজে নারীরা এখনও অসহায়। এ সমাজ তথা পরিবারের লোকজনই তাদের মূল্যায়ন করে না। এজন্য তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনেক কাজ করা হয়। তাদের চাওয়া-পাওয়ার মূল্যায়ন ঠিকমতো কেউ করে না। এ কারণে তাদের জীবন এলোমেলো হয়ে যায়।
উদ্দীপকের শাহেদা মামার বাড়িতে বড় হয়। কিন্তু মামি তাকে সংসারের বোঝা মনে করে এক বয়স্ক লোকের সঙ্গে বিয়ে দিতে চায়। শাহেদার জীবনের প্রান্তি কিংবা তার ইচ্ছা-অনিচ্ছার মূল্যায়ন সে করে না। ঠিক এমনই এক চরিত্র 'বহিপীর' নাটকের তাহেরার বাবা। সেও মেয়েকে বৃদ্ধ পীরের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে নারীসভার চরম অবমূল্যায়ন করেছে। তাহেরা মেয়ে বলে সে তার পছন্দ-অপছন্দের মূল্যায়ন। করেনি। পরকালের চিন্তা তার কাছে অধিক প্রাধান্য পেয়েছে। মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার কোনো চিন্তা ছিল না। যেমন চিন্তা করেনি। উদ্দীপকের শাহেদার মামি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মামির সঙ্গে তাহেরার বাবার সাদৃশ্য রয়েছে।
সারকথা: : উদ্দীপকের শাহেদার মামি এক বয়স্ক লোকের সাথে শাহেদার বিয়ে ঠিক করে তার জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। নাটকের 5 তাহেরার বাবাও বৃদ্ধ পীরের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়ে তার জীবনটাকে ভধ্বংস করে দিয়েছে। উভয় চরিত্রের সাদৃশ্য এখানেই।
উদ্দীপকের শাহেনা যেন 'বহিপীর' নাটকের তাহেরার অনুরূপ মন্তব্যটি যথার্থ।
ন্যায্য অধিকার আদায় করে নিতে হয়। কারণ এ সংসারে সবাই চায় অনাকে দমিয়ে রেখে নিজে শক্তিশালী অবস্থানে যেতে। তাই আপন সত্তাকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রয়োজনে প্রতিবাদী বা বিদ্রোহী হতে হয়।
উদ্দীপকের শাহেদা মামার বাড়িতে বড় হয়েছে। মামি তাকে সংসারের বোঝা মনে করে একজন বয়স্ক মানুষের সঙ্গে বিয়ে দিতে চায়। কিন্তু জীবন সচেতন শাহেদা এ সিদ্ধান্ত কিছুতেই মেনে নিতে পারে না। সে এ বিয়ে মেনে না নিয়ে অজানার পথে পা বাড়ায়। এমনই এক প্রতিবাদী নারীর সন্ধান পাওয়া যায় 'বহিপীর' নাটকের তাহেরার মধ্যে। সেও পিতার সিদ্ধান্তকে অমান্য করে অজানার পথে পা বাড়ায়। বহিপীরকে স্বামী হিসেবে মেনে না নিয়ে নতুন জীবনের সূচনা করে।
'বহিপীর' নাটকের তাহেরা জীবনসচেতন এক নারীসত্তা। পিতা পরকালে ভালো থাকার লোভে তার বিয়ে দেয় বৃদ্ধ নীরের সঙ্গে। কিন্তু তাহেরা এ বিয়ে মেনে না নিয়ে বাড়ি থেকে পালায়। ঘটনাক্রমে বহিপীর তাকে খুঁজে পেলেও তার সঙ্গে না গিয়ে হাশেম আলির সঙ্গে নতুন জীবনের খোঁজে বেরিয়ে পড়ে। উদ্দীপকের শাহেনাও নতুন জীবনের আকাঙ্ক্ষায় অজানার পথে বেরিয়ে পড়ে। তাই বলা যায়, শাযেদা। যেন তাহেরারই প্রতিকূপ। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: উদ্দীপকের পাহেনা মামির অন্যায় দিন্ধান্ত মেনে না নিয়ে বাড়ি ছেড়েছে। 'বহিপীর' নাটকের তাহেরাও পিতার দিদান্তকে মেনে না নিয়ে বাড়ি থেকে পালায়। তারা উভয়েই অধিকার সচেতন। তাই শাহেনাকে তাহেরার অনুরূপ বলা যায়।
Related Question
View Allবহিপীর নাটকের কেন্দ্রীয় ও নাম চরিত্র। তার বাড়ি উত্তরের সুনামগঞ্জ। সাধারণের ভাষা তার কাছে অপবিত্র মনে হওয়ায় তিনি বহি বা বইয়ের ভাষায় কথা বলেন। এ কারণেই তার নাম বহিপীর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!