প্যাগোডা হলো বৌদ্ধমন্দির।
পোশাকের ক্ষেত্রে মংডুর সবাই লুঙ্গি পরিধান করে।
মংডুর ছেলে-বুড়ো-যুবক-যুবতি সবাই লুঙ্গি পরে। এমনকি স্কুলের ছেলে-মেয়েদের পোশাকও লুঙ্গি ও জামা বা শার্ট। সেখানকার মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই লুঙ্গি পরে এবং পরিধেয় শার্টটি লুঙ্গির নিচে গুঁজে দেয়। লুঙ্গি, শার্ট ও বর্মি কোট, মাথায় বর্মি টুপি, পায়ে স্যান্ডেল সেখানকার মানুষের জাতীয় পোশাক।
উদ্দীপকে বর্ণিত রেস্তোরাঁর দিকটির সাথে 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির সাদৃশ্য রয়েছে।
মানুষ তার জ্ঞানের পরিধিকে সমৃদ্ধ করতেই ভ্রমণের প্রতি আকৃষ্ট হয়। ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ যথার্থ জ্ঞান অর্জন করতে পারে। সেই সাথে জানতে পারে সেই দেশের মানুষের আচার-আচরণ, খাদ্যাভ্যাস, ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে।
উদ্দীপকে প্যারিসের রেস্তোরাঁর বর্ণনা রয়েছে। তাদের রেস্তোরাঁর রুচিশীল খাবারের দিকটি সবাইকে আকৃষ্ট করে। রান্নার মানের বিষয়ে উঁচুদরের প্রমাণ পাওয়া যায়। অল্প খরচে তৃপ্তির সাথে খাওয়ার দিক থেকে রেস্তোরাঁগুলোর যেন বিকল্প নেই। 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতেও রয়েছে রেস্তোরাঁর বর্ণনা। আছে সুন্দর ঝকঝকে পরিবেশের রয়েল রেস্তোরাঁর কথা। লেখকের বর্ণনায় উঠে এসেছে রেস্তোরাঁর খাবারের বর্ণনা। রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশনের দিকটিও লেখককে মুগ্ধ করে। এভাবে উদ্দীপক এবং 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনি উভয় ক্ষেত্রেই বিভিন্ন অনুষঙ্গের মাধ্যমে রেস্তোরাঁর বর্ণনা রয়েছে। আর উভয় ক্ষেত্রে বর্ণিত এই দিকটির সাথেই 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনি ও উদ্দীপকের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
"উদ্দীপকটি 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির মর্মবাণী আমাদের সামনে মূর্ত করে তোলে।"- মন্তব্যটি যথার্থ নয়।
ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ অর্জন করতে পারে বিচিত্র অভিজ্ঞতা। অজানাকে জানার আগ্রহ নিয়ে মানুষ দেশভ্রমণে বের হয়। ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ জানতে পারে একটি দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক ভ্রমণ অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। মিয়ানমারের মংডু শহর ভ্রমণের মাধ্যমে লেখক সেই দেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাস, ব্যাবসা-বাণিজ্য, রেস্তোরাঁ, পোশাক-পরিচ্ছদ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আর সেই অভিজ্ঞতার বিবরণ ভ্রমণকাহিনিতে পরিবেশিত হয়েছে। মংডুতে বসবাসরত বিভিন্ন ধর্মের লোক সম্পর্কেও বর্ণনা করা হয়েছে। বাংলাদেশের ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে মংডুর যথেষ্ট মিল পরিলক্ষিত হয়। অতীত ইতিহাসের দিকগুলোও এই ভ্রমণকাহিনিতে প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে প্যারিসের রেস্তোরার বর্ণনা রয়েছে। তা থেকে সেখানকার মানুষের ভোজন-বিলাসিতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
উদ্দীপকটিতে 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে প্রতিফলিত রেস্তোরাঁর দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে আমাদের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী দেশ মিয়ামনমারের পশ্চিম সীমান্তের শহর মংডুর কথা বলা হয়েছে। লেখক মংডুর মানুষের পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভাস, ব্যাবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে। এই বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপকটি 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির একটি দিক প্রকাশ করলেও মর্মবাণীকে আমাদের সামনে মূর্ত করে তোলে না। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ নয়।
Related Question
View Allসেলাইবিহীন লুঙ্গির মতো বস্তুটির নাম চীবর।
"ব্যান্ডেল রোড তাদের স্মৃতি বহন করছে" বলতে পাদরি ও পর্তুগিজদের বসবাসের স্মৃতির কথা বোঝানো হয়েছে।
মংডু টেকনাফের ওপারে, মাঝখানে নাফ নদী। এটি পার হয়ে ব্রিটিশ যুগের বহু আগে থেকেই চট্টগ্রামে অনেকে এসেছেন। পাদরি মেস্ট্রো সেবাস্টিন মানরিক সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এ পথে আসেন। তারও একশ বছর আগে পর্তুগিজরা চট্টগ্রামে বসতি স্থাপন করে। তারা নিজেদের বসতির জায়গাকে ব্যান্ডেল বলত। মংডু ও চট্টগ্রামের যোগাযোগের মাধ্যম রাস্তাটি অর্থাৎ ব্যান্ডেল রোডটি সেই পাদরি ও পর্তুগিজদের স্মৃতি বহন করছে।
উদ্দীপক-১-এ 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম নারকেল গাছ এবং মংডুদের খাবারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
প্রতিটি দেশে সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। তবে ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ নিজের দেশের সাথে ভ্রমণরত দেশের সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য বুঝতে পারে।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে দেখা যায়, মংডুর অধিবাসীদের বাড়ির সামনে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে নারকেল গাছ। বাড়ির সামনের নারকেল গাছটির গোড়ার দিকে মাথা সমান উঁচুতে রয়েছে অর্কিড। তাতে রঙিন ও সাদা ফুল ফোটে। উদ্দীপক-১ এ শ্রীলংকার অস্তিত্বের সঙ্গে নারকেলের জড়িয়ে থাকার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। উদ্দীপক-১-এ নারকেলতেল ছাড়া শ্রীলংকানরা রান্না করে না এবং রান্নায় প্রচুর মসলা এবং লাল মরিচ ব্যবহার করে। এই বিষয়টি চাকমা-মারমারা যে ধানিলঙ্কা পুড়িয়ে নুন ও পেয়াজ দিয়ে ভর্তা করে, ভ্রমণকাহিনির সেই বিষয়ে বর্ণনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপক-১ এ 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিষয়টি এবং খাবারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
আলাওলের শ্রেষ্ঠ রচনা 'পদ্মাবতী'।
"লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা- এই তিন নিয়ে মিয়ানমার।"ー উক্তিটি দ্বারা লেখক বুঝিয়েছেন যে, মিয়ানমারের সর্বত্রই লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা দেখা যায়।
মিয়ানমারের নারী-পুরুষ সবাই লুঙ্গি পরে। মেয়েরা লুঙ্গির সাথে ব্লাউজ পরে, আর পুরুষরা লুঙ্গির সাথে জামা পরে। ফুঙ্গিরা হলেন বৌদ্ধ ভিক্ষু। তাদের পেশা হলো ভিক্ষা করা এবং ধর্ম প্রচার করা। আর প্যাগোডা হলো বৌদ্ধদের প্রার্থনার স্থান। মিয়ানমারে এগুলো বেশি রয়েছে এবং বেশি দেখা যায়। তাই আলোচ্য কথাটি লেখক বলেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!