Related Question
View Allহজরত মুহাম্মদ (স.) ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক ছিলেন।
জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব বোঝাতেই হজরত মুহাম্মদ (স.) জ্ঞানসাধকের কলমের কালিকে শহিদের রক্তের চেয়েও অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন।
হজরত মুহাম্মদ (স.) সবসময়ই যা সত্য, যা যুক্তিগ্রাহ্যতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। জ্ঞানচর্চা ব্যতীত মানুষের মন সত্য ও যুক্তির আলোয় আলোকিত হতে পারে না। এ কারণেই হজরত মুহাম্মদ (স.) জ্ঞানচর্চার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। জ্ঞানসাধকের কলমের কালিকে শহিদের রক্তের চেয়েও পবিত্র ঘোষণা করে তিনি মানুষকে জ্ঞানচর্চায় উৎসাহিত করেছেন।
উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধে মহানবি (স.)-এর সারল্যের পরিচয় ফুটে উঠেছে।
মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন আল্লাহর নবি। তা সত্ত্বেও তিনি নিজেকে সাধারণ মানুষ হিসেবেই ভাবতেন এবং সেভাবেই জীবনযাপন করতেন। তাঁর জীবন ছিল সহজসরল ও অনাড়ম্বর। মানুষকে তিনি অতি সহজে আপন করে নিতেন।
উদ্দীপকে মহানবি (স.)-এর চরিত্রের একটি বিশেষ গুণের কথা বলা হয়েছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হলেও তাঁর মাঝে কোনো ধরনের অহংকার ছিল না। সাধারণের মাঝে অবলীলায় মিশে যেতেন তিনি। সবার প্রতি ছিল মাধুর্যপূর্ণ আচরণ। শিশুদেরকেও খুব ভালোবাসতেন তিনি। 'মরু-ভাস্কর' রচনায় মহানবি (স.)-এর সহজসরল ও নিরহংকার মনোবৃত্তির যে পরিচয় মেলে, তা উদ্দীপকেও লক্ষণীয়।
'মরু-ভাস্কর' রচনায় হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর নানাবিধ গুণের সমাবেশ ঘটলেও উদ্দীপকে তা ঘটেনি।
লেখক হবীবুল্লাহ্ বাহার 'মরু-ভাস্কর' প্রবন্ধে মহানবি (স.)-এর জীবন ও আদর্শের নানাদিক তুলে ধরেছেন। মহানবি (স.)-এর চরিত্রে ক্ষমাশীলতা, দয়া, মানবপ্রেম, ধৈর্যশীলতাসহ সব ধরনের মানবীয় গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। সর্বগুণে গুণান্বিত হয়েও তিনি ছিলেন সহজসরল, নিরহংকার।
উদ্দীপকে মহানবি (স.)-এর সারল্যের পরিচয় ফুটে উঠেছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে তিনি স্বীকৃত। অথচ আজীবন তিনি ছিলেন সহজসরল, মানবপ্রেমী। সবার প্রতি তাঁর আচরণ ছিল মধুময়। মহানবি (স.)-এর বিশেষ এ গুণটি ছাড়াও 'মরু-ভাস্কর' রচনায় আরও নানা গুণের কথা বলা হয়েছে।
হজরত মুহাম্মদ (স.) সেই মহাপুরুষদের একজন, যিনি ছিলেন সব প্রকারের মানবীয় গুণের আধার। মানবপ্রেমে তিনি অতুলনীয়, জীবপ্রেমেও তিনি মহীয়ান। মানুষের প্রতি ভালোবাসায় তিনি ছিলেন কুসুমের মতো কোমল। আবার সত্য প্রকাশে ছিলেন বজ্রের মতো কঠোর। নিষ্কলুষ চারিত্রিক গুণাবলি ও মানবপ্রেমের কারণেই তিনি সর্বকালের সকল মানুষের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ। মহানবি (স.)-এর গুণাবলি সম্পর্কে এমন বিস্তৃত ধারণা পাওয়া যায় 'মরু-ভাস্কর' রচনায়। অন্যদিকে উদ্দীপকের সংক্ষিপ্ত পরিসরে কেবল তাঁর সহজসরল মানসিকতার পরিচয় মেলে। উদ্দীপকে তাই মহানবি (স.)-এর গুণাবলির আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে। অর্থাৎ প্রশ্নোক্ত বক্তব্যটি যৌক্তিক।
'অভিসম্পাত' শব্দের অর্থ অভিশাপ।
আলোচ্য উক্তিটিতে হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর ক্ষমাশীলতার দিকটি ফুটে উঠেছে।
মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স.) শত্রুর প্রতি ক্ষমাশীলতার মহৎ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। মক্কায় ইসলাম প্রচারের সময় তিনি নির্মমভাবে অত্যাচারিত হয়েছিলেন। তাই বলে শত্রুদের তিনি অভিশাপ দেননি। তার পরিবর্তে অত্যাচারীদের বোধোদয়ের জন্য তিনি প্রার্থনা করেছিলেন। এমনই ছিল হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর ক্ষমাশীল মানসিকতা, যা প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে প্রকাশিত হয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
