এনজাইম উদ্ভিদ ও প্রাণি কোষের উপাদান।
উদ্ভিদ ও প্রাণি কোষে এনজাইম অনুঘটকের কাজ করে। এনজাইম ফল ও সবজি পাকাতে সাহায্য করে। এনজাইমের প্রভাবে ফল অতিরিক্ত পেকে নরম ও বোঁটাচ্যুত হয়। তাপ যত কম থাকে এনজাইমের কাজ তত কম হয়।
খাদ্য সংরক্ষণ বলতে বোঝায় খাদ্য যাতে পচে নষ্ট হয়ে না যায় সেজন্য যথাযথ ব্যবস্থা অবলম্বন করে খাদ্যের গুণগত মান অনুসারে খাদ্যকে বিভিন্নভাবে মজুদ রাখা।
বিভিন্ন মৌসুমে উৎপাদিত শাকসবজি, ফলমূল, শস্য যেমন- চাল, গম, ডাল, সরিষা ইত্যাদি চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত অংশ অবিকৃত অবস্থায় দীর্ঘ দিন খাওয়ার উপযোগী রাখার জন্য বিজ্ঞানসম্মত বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। অর্থাৎ শাকসবজি, ফলমূল, শস্যদানা ইত্যাদি খাওয়ার বা বিক্রির জন্য সঞ্চয় করে রাখা যায়। ভবিষ্যতের জন্য উদ্বৃত্ত খাদ্যসামগ্রীকে নষ্ট করা বা অপচয় করা থেকে রক্ষা করে রাখাই খাদ্য সংরক্ষণের অন্যতম উদ্দেশ্য।

Related Question
View Allছত্রাক একজাতীয় উদ্ভিদ। এটি পানি ও আর্দ্রতায় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এরা টক জাতীয় খাবারের ওপর বেশি জন্মায়। কিছু ছত্রাক বিষাক্ত হয়। খাবারের ওপর এটি এক ধরনের ধূসর সবুজ বর্ণের আস্তরণ তৈরি করে, যা খাবারকে নষ্ট ও খাওয়ার অনুপযোগী করে তোলে।
২নং চিত্রের খাদ্যগুলো হচ্ছে মাছ, মাংস ও দুধ।
এগুলো দ্রুত পচনশীল খাদ্য। এজন্য সুমাইয়া প্রথমেই এগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। এ ধরনের খাদ্য অতি দ্রুত অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পচন ধরে নষ্ট হয়। এসব খাদ্যে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। সেজন্য দ্রুত সংরক্ষণ না করলে পচন ধরে। এগুলো ফুটিয়ে, রেফ্রিজারেটরে রেখে বা বরফে জমিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়। আবার মাছকে শুকিয়ে শুটকি বানিয়েও অনেকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। এছাড়া দু-একদিনের জন্য মাংস, মাছ ভেজে বা একটু পানি, হলুদ ও লবণ মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে সংরক্ষণ করা যায়। দুধ ফুটিয়েও দুই তিন দিন ভালো রাখা যায়। এসব দ্রুত পচনশীল খাদ্য ফ্রিজারে রেখেও সংরক্ষণ করা যায়, যার তাপমাত্রা -১৮° সে. পর্যন্ত হয়ে থাকে। ফ্রিজের এ চেম্বারে খাবার জমে বরফে পরিণত হয়। সুমাইয়া ২নং চিত্রের খাদ্যগুলো উপরিউক্ত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করেন।
১নং চিত্রের খাদ্যগুচ্ছ হলো পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ডিম এবং ৩নং চিত্রের খাদ্যগুচ্ছ হলো চাল, ডাল, শুকনা মরিচ ইত্যাদি।
১নং চিত্রের খাদ্যগুলো প্রায় পচনশীল খাদ্য। এসব খাদ্য স্বাভাবিক অবস্থায় কয়েকদিন রেখে খাওয়া যায়। এ খাদ্যগুলোতে পানির পরিমাণ কম থাকে বলে ঘরে ঠান্ডা আবহাওয়া, তাপ ও আলো থেকে দূরে রেখে কয়েকদিন খাওয়া যায়। অপরদিকে ৩নং চিত্রের খাদ্যগুলো অপচনশীল খাদ্য। এ খাদ্যগুলোতে পানির পরিমাণ নেই বললেই চলে। তাই এগুলোকে সঠিকভাবে ঝেড়ে, বেছে, রোদে শুকিয়ে, উপযুক্ত উপায়ে সংরক্ষণ করে অনেকদিন ঘরে রাখা যায়।
সুমাইয়া রমজান মাসে সাপ্তাহিক ও মাসিক বাজার করে রাখেন। তিনি ১নং ও ৩নং চিত্রের খাদ্যগুলো পরে গুছিয়ে রাখবেন বলে ঘরের এক পাশে রেখে দেন। কারণ এ খাদ্যগুলো স্বাভাবিকভাবে অনেক দিন রাখা সম্ভব।
খাদ্য সংরক্ষণ বলতে বোঝায় খাদ্য যেন পচে নষ্ট না হয়ে যায় সেজন্য যথাযথ ব্যবস্থা অবলম্বন করা।
খাদ্যের গুণগত মান অনুসারে বিভিন্নভাবে মজুদ রাখাই খাদ্য সংরক্ষণ। অর্থাৎ ভবিষ্যতের জন্য উদ্বৃত্ত খাদ্য সামগ্রীকে নষ্ট বা অপচয় থেকে রক্ষা করাই খাদ্য সংরক্ষণের অন্তর্ভুক্ত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!