পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত জলপথই নৌপথ।
সমুদ্র বন্দর গড়ে তোলার জন্য বন্দরের উপকূলস্থ সমুদ্র বেশ গভীর হওয়া বাঞ্চনীয়। এতে সব ধরনের আধুনিক জাহাজ বন্দরে যাতায়াত করতে পারে। যেমন-পর্তুগালের লিসবন বন্দর।
আলোচ্য যোগাযোগ ব্যবস্থাটি হচ্ছে আকাশ
সকল পরিবেশ বা অবস্থা বিমান পথের জন্য উপযুক্ত নয়। বিমানপথ গড়ে ওঠার জন্য যে সকল ভৌগোলিক উপাদান ভূমিকা রাখে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো
সমতল ভূমি: বিমান অবতরণ ও উড্ডয়নের জন্য পর্যাপ্ত সমতল ভূমি প্রয়োজন
কুয়াশামুক্ত ও ঝড়ঝঞ্চার স্বল্পতা: বিমান যোগাযোগের জন্য কুয়াশামুক্ত ও
ঝড়ঝঞামুক্ত বন্দর প্রয়োজন হয়।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা তথা আকাশ পথ অত্যন্ত তাৎপর্যবহ।
দ্রুত ডাক চলাচল এবং পচনশীল দ্রব্য প্রেরণে আকাশ পথের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। যুদ্ধ-বিগ্রহ, দুর্ভিক্ষ প্রভৃতি জাতীয় দূর্যোগের সময় আকাশপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে আকাশপথকে বাদ দিয়ে সমগ্র বিশ্বের সাথে যোগাযোগ কল্পনাও করা যায় না। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্থাপনে বিমান পথের গুরুত্ব অপরিসীম।
বিমানের অভ্যন্তরীণ সার্ভিসে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, রাজশাহী, বরিশাল, সৈয়দপুর প্রভৃতি স্থানে যাতায়াত করা যায়। অভ্যন্তরীণ রুটে বেসরকারি বিমান সার্ভিস চালু রয়েছে। আমাদের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা ঢাকায় অবস্থিত। এছাড়াও আরও দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে, যা হলো- চট্টগ্রাম শাহ আমানত ও সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর। বর্তমানে বিমানে পণ্য পরিবহন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!