এলাকায় ঢোকার পর খান সেনারা কলিমদ্দি দফাদারকে তাদের অভিযানের সঙ্গী করে নেয়। রোজ তিন টাকা বকশিশ এবং ইউনিয়ন বোর্ডের চাকুরি নিরাপদ করার উদ্দেশ্যে সে নিখুঁত অভিনেতার মতো খান সেনাদের প্রতিটি অভিযানে আগে আগে পথ দেখিয়ে নিয়ে যায়। এটা কলিমদ্দির বাইরের রূপ হলেও ভিতরে ভিতরে তিনি একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক মানুষ। গোপনে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সর্বদা যোগাযোগ রক্ষা করতেন। খান সেনারা নতুন কোনো জায়গায় অভিযানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে তিনি আগেই তা মুক্তিযোদ্ধাদের জানিয়ে দিতেন। তার এরূপ ভূমিকার কারণে মুক্তিবাহিনী খান সেনাদের একটি দলকে অতর্কিতে আক্রমণ করে ক্ষতবিক্ষত করে দেয়। শুরুতে মানুষ ভুল বুঝলেও এ ঘটনার পর এলাকায় কলিমদ্দি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

জঙ্গল্য মাঠের পেছনে নীলগঞ্জ গ্রামের অবস্থান।

উত্তরঃ

আজিজ মাস্টারের কাছ থেকে গ্রাম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নেওয়ার জন্য মেজর এজাজ প্রথম দিকে তাকে বিশেষ খাতির করে।

মেজর এজাজ পাকিস্তানি মিলিটারির একজন অফিসার। নীলগঞ্জ গ্রামে প্রবেশ করে তার বাহিনী স্কুলঘরে অবস্থান নিয়ে গ্রামের বিভিন্ন ব্যক্তিকে ধরে এনে গ্রাম সম্পর্কে নানা তথ্য জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আজিজ মাস্টারকে মেজর ডেকে নিয়ে প্রথমে খুব খাতির করে। এমন ভদ্রতার কারণ হলো আজিজ মাস্টারের মন জয় করে তার কাছ থেকে জঙ্গলা মাঠের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের জোয়ান ও অফিসারদের সম্পর্কে গোপন তথ্য জেনে নেওয়া।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদার '১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রের সঙ্গে দেশপ্রেমের দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশে প্রবেশ করলে কিছু দেশপ্রেমিক সাহসী মানুষ রাজাকারের রূপ ধারণ করে হানাদারদের বিভ্রান্ত করে মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহায়তা করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদার খান সেনাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করলেও ভিতরে ভিতরে তিনি একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। খান সেনারা নতুন কোনো জায়গায় অভিযান যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে তিনি আগেই তা মুক্তিযোদ্ধাদের জানিয়ে দিয়ে তাদের সহায়তা করতেন। '১৯৭১' উপন্যাসেও প্রথমে রফিককে নীল শার্ট পরা লোক হিসেবে মেজর এজাজের ঘনিষ্ঠ সহকারী মনে হয়। কিন্তু উপন্যাসের গল্পধারায় বাঙালির প্রতি তার প্রবল অনুরাগ লক্ষ করা যায়। মেজর এজাজকে সে কৈবর্ত পাড়ায় তল্লাশি করতে নিষেধ করে সে মুক্তিসেনাদের বাঁচিয়েছে; স্বজাতিকে বঁচিয়েছে। এই দিক থেকে সে উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তরঃ

"প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা লোকচক্ষুর অন্তরালে দেশের জন্য তাদের সবটুকু উৎসর্গ করেন।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

যারা দেশকে মনেপ্রাণে ভালোবাসেন তারাই দেশপ্রেমিক। দেশের সংকটময় মুহূর্তে তারা সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে দেশ ও দেশের মানুষকে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন। আর এর জন্য তারা জীবন বাজি রাখতেও পিছপা হন না।

উদ্দীপকে কলিমদ্দি দফাদার কৌশলে খান সেনাদের সঙ্গী হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহায়তা করে। তার সহায়তায় মুক্তিবাহিনী খান সেনাদের একটি দলকে আক্রমণ করে 'ক্ষতবিক্ষত করে। '১৯৭১' উপন্যাসে লক্ষ করা যায়, রফিক প্রথম থেকে মেজর এজাজের সহকারী হিসেবে তার নির্দেশ পালন করেছে। অথচ মেজর এজাজের প্রতিটি নৃশংস ত্মাচরণ ও পদক্ষেপের প্রতিবাদ করেছে সে। ফলে উপন্যাসের 'রফিক যেন উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারের মতোই প্রকৃত দেশপ্রেমিক।

'১৯৭১' উপন্যাসে রফিক মেজর এজাজের সহযোগী হিসেবে গ্রামে প্রবেশ করলেও সে একসময় বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনতার সার্থক প্রতিনিধি হয়ে ওঠে। সে যেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেই নীলগঞ্জ গ্রামে প্রবেশ করেছে। তাই যখন সে নিশ্চিত হয় এটা যুদ্ধ নয়, অন্যায় যুদ্ধ মাত্র, তখন প্রতিবাদ ছাড়া তার হাতে আর কোনো উপায় ছিল না। সবশেষে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য সে জীবনকেও উৎসর্গ করে দেয়। এভাবেই রফিক ও কলিমদ্দি দফাদারের মতো প্রকৃত দেশপ্রেমিকরা লোকচক্ষুর অন্তরালে দেশের জন্য তাদের সবটুকু উৎসর্গ করেন। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

88

Related Question

View All
উত্তরঃ

জঙ্গল্য মাঠের পেছনে নীলগঞ্জ গ্রামের অবস্থান।

834
উত্তরঃ

আজিজ মাস্টারের কাছ থেকে গ্রাম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নেওয়ার জন্য মেজর এজাজ প্রথম দিকে তাকে বিশেষ খাতির করে।

মেজর এজাজ পাকিস্তানি মিলিটারির একজন অফিসার। নীলগঞ্জ গ্রামে প্রবেশ করে তার বাহিনী স্কুলঘরে অবস্থান নিয়ে গ্রামের বিভিন্ন ব্যক্তিকে ধরে এনে গ্রাম সম্পর্কে নানা তথ্য জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আজিজ মাস্টারকে মেজর ডেকে নিয়ে প্রথমে খুব খাতির করে। এমন ভদ্রতার কারণ হলো আজিজ মাস্টারের মন জয় করে তার কাছ থেকে জঙ্গলা মাঠের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের জোয়ান ও অফিসারদের সম্পর্কে গোপন তথ্য জেনে নেওয়া।

514
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদার '১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রের সঙ্গে দেশপ্রেমের দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশে প্রবেশ করলে কিছু দেশপ্রেমিক সাহসী মানুষ রাজাকারের রূপ ধারণ করে হানাদারদের বিভ্রান্ত করে মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহায়তা করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদার খান সেনাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করলেও ভিতরে ভিতরে তিনি একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। খান সেনারা নতুন কোনো জায়গায় অভিযান যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে তিনি আগেই তা মুক্তিযোদ্ধাদের জানিয়ে দিয়ে তাদের সহায়তা করতেন। '১৯৭১' উপন্যাসেও প্রথমে রফিককে নীল শার্ট পরা লোক হিসেবে মেজর এজাজের ঘনিষ্ঠ সহকারী মনে হয়। কিন্তু উপন্যাসের গল্পধারায় বাঙালির প্রতি তার প্রবল অনুরাগ লক্ষ করা যায়। মেজর এজাজকে সে কৈবর্ত পাড়ায় তল্লাশি করতে নিষেধ করে সে মুক্তিসেনাদের বাঁচিয়েছে; স্বজাতিকে বঁচিয়েছে। এই দিক থেকে সে উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

284
উত্তরঃ

"প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা লোকচক্ষুর অন্তরালে দেশের জন্য তাদের সবটুকু উৎসর্গ করেন।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

যারা দেশকে মনেপ্রাণে ভালোবাসেন তারাই দেশপ্রেমিক। দেশের সংকটময় মুহূর্তে তারা সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে দেশ ও দেশের মানুষকে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন। আর এর জন্য তারা জীবন বাজি রাখতেও পিছপা হন না।

উদ্দীপকে কলিমদ্দি দফাদার কৌশলে খান সেনাদের সঙ্গী হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহায়তা করে। তার সহায়তায় মুক্তিবাহিনী খান সেনাদের একটি দলকে আক্রমণ করে 'ক্ষতবিক্ষত করে। '১৯৭১' উপন্যাসে লক্ষ করা যায়, রফিক প্রথম থেকে মেজর এজাজের সহকারী হিসেবে তার নির্দেশ পালন করেছে। অথচ মেজর এজাজের প্রতিটি নৃশংস ত্মাচরণ ও পদক্ষেপের প্রতিবাদ করেছে সে। ফলে উপন্যাসের 'রফিক যেন উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারের মতোই প্রকৃত দেশপ্রেমিক।

'১৯৭১' উপন্যাসে রফিক মেজর এজাজের সহযোগী হিসেবে গ্রামে প্রবেশ করলেও সে একসময় বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনতার সার্থক প্রতিনিধি হয়ে ওঠে। সে যেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেই নীলগঞ্জ গ্রামে প্রবেশ করেছে। তাই যখন সে নিশ্চিত হয় এটা যুদ্ধ নয়, অন্যায় যুদ্ধ মাত্র, তখন প্রতিবাদ ছাড়া তার হাতে আর কোনো উপায় ছিল না। সবশেষে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য সে জীবনকেও উৎসর্গ করে দেয়। এভাবেই রফিক ও কলিমদ্দি দফাদারের মতো প্রকৃত দেশপ্রেমিকরা লোকচক্ষুর অন্তরালে দেশের জন্য তাদের সবটুকু উৎসর্গ করেন। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

136
উত্তরঃ

নীলগঞ্জের আজিজ মাস্টার, নীলু সেন ও জয়নাল মিয়ার বাড়িতে ট্রানজিস্টার আছে।

182
উত্তরঃ

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের দলটির সদস্যরা দুজন মিলিটারি অফিসারকে ধরে নিয়ে যাওয়ায় সেই দলটির প্রতি মেজর এজাজ ক্ষুব্ধ হয়েছিল।

'১৯৭১' উপন্যাসে নীলগঞ্জ গ্রামে ঢুকে পাকিস্তানি মিলিটারি মেজর এজাজ গ্রামের মানুষদের ডেকে নিয়ে তাদেরকে গ্রামের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গ্রামের আজিজ মাস্টারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে। মেজর একসময় তার কাছে জানতে চায় গ্রামের জঙ্গলা মাঠে কিছু আছে কিনা। কিন্তু আজিজ মাস্টার জানায় সেখানে কিছুই নেই। পরে মেজর এজাজ জানায় তারা জানে যে জঙ্গালা মাঠে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বেশ কিছু জোয়ান এবং কয়েকজন অফিসার লুকিয়ে আছে। তারা দুজন মিলিটারি অফিসারকে ধরে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে একজন হলো মেজর এজাজের বন্ধু। এজন্যই মেজর এজাজ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কথিত সেই দলটির প্রতি ক্ষুব্ধ হয়েছিল।

364
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews