এশিয়ার কতিপয় দেশের জনসংখ্যার পরিমাণ ও বৃদ্ধির হার:

ক্রমিক নংদেশজনসংখ্যা (মিলিয়ন)জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (%)
১।থাইল্যান্ড৬১.৮০.৭
২।মিয়ানমার৫০.৫০.৯
৩।শ্রীলঙ্কা২০.৪০.৯
8।বাংলাদেশ১৪২.৩১.৩
৫।ভারত১,২১৪.৫১.৪
৬।মালয়েশিয়া২৭.৯১.৭
৭।নেপাল২৯.৯১.৮
৮।পাকিস্তান১৮৪.৮২.২
৯।সিঙ্গাপুর৪.৮২.৫

Source: State of the world population 2010, UNFPA

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্ণয়ের সূত্রটি হলো, DP = TPTA যেখানে, DP = জনসংখ্যার ঘনত্ব, TP = মোট জনসংখ্যা, TA = মোট আয়তন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

যে জনসংখ্যায় একটি দেশের উৎপাদন ও আয় সর্বোচ্চ হয়, তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে। একটি দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ, মূলধন ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে জনসংখ্যা যে আয়তন/পরিমাণ দ্বারা সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয় অর্জিত হয়, সেই জনসংখ্যার আয়তন/পরিমাণকে কাম্য জনসংখ্যা বলা হয়। কাম্য জনসংখ্যায় মোট জনসংখ্যা ও কর্মজীবী জনসংখ্যার অনুপাত স্থির থাকে। তাই উক্ত জনসংখ্যায় পূর্ণ নিয়োগ অবস্থা বর্তমান থাকে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ৪নং দেশটির নাম বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বলা যায়, উফ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন জলবায়ু তথা মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ ও আবহাওয়া, যা বেশি সন্তান জন্মদানে সহায়ক। বাংলাদেশে শিক্ষার হার অনেক কম হওয়ায় অশিক্ষিত মানুষেরা অধিক হারে সন্তান জন্মদান করে থাকে। এ দেশে নারীশিক্ষার পরিমাণ কম বলে তারা নিজের অনিচ্ছা সত্ত্বেও স্বামীর আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সন্তান-সন্ততি জন্মদানে বাধ্য হয়। এ দেশের অধিকাংশ লোক ধর্মভীরু হওয়ায় জন্ম নিয়ন্ত্রণকে এরা ধর্মবিরোধী কাজ বলে মনে করে। সরকারিভাবে ছেলেমেয়েদের বিবাহের বয়স যথাক্রমে ২১ ও ১৮ বছর নির্ধারিত হলেও এখানে অল্প বয়সে বিবাহ হয় বিধায় জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের খাদ্যতালিকায় শ্বেতসারজাতীয় খাদ্যের (ভাত, গম, আলু) পরিমাণ বেশি, যা প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বাংলাদেশের অনেক দম্পতিই পুত্রসন্তান লাভের আশায় একাধিক সন্তান জন্ম দিয়ে থাকে, যা জনসংখ্যা বৃদ্ধির আরেকটি কারণ। বাংলাদেশে চিত্তবিনোদনের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই, ফলে এ দেশের জনগণের জীবনে কোনো বৈচিত্র্য না থাকায় তারা ঘরমুখী হয় এবং বেশি সন্তান গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশে উন্নততর স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসার সুযোগ-সুবিধা প্রসার লাভ করায় সাম্প্রতিককালে মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু জন্মহার তেমন হ্রাস না পাওয়ায় জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

অতএব বলা যায়, উপর্যুক্ত কারণে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ এশিয়ার জনবহুল দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
উদ্দীপকে যে দেশগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। আবার যদি বিশ্বের কথা বলি তবে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। উদ্দীপকে থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও শ্রীলঙ্কার জনসংখ্যা যথাক্রমে ৬১.৮, ৫০.৫, ২০.৪ মিলিয়ন। এসব দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার যথাক্রমে ০.৭%, ০.৯%, ০.৯%। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে এসব দেশ বাংলাদেশের নিচে অবস্থান করলেও এসব দেশে জনসংখ্যা অনেক কম। পক্ষান্তরে ভারত, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুরের জনসংখ্যা যথাক্রমে ১,২১৪.৫, ২৭.৯, ২৯.৯, ১৮৪.৮, ৪.৮ মিলিয়ন। এসব দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার যথাক্রমে ১.৪%, ১.৭%, ১.৮%, ২.২%, ২.৫%। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে এসব দেশ বাংলাদেশের উপরে। এখানেও ভারত ও পাকিস্তান বাদে অন্য দেশগুলোতে বাংলাদেশের চেয়ে জনসংখ্যা অনেক কম। যদিও উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এসব দেশে বেশি। এসব দেশের আয়তন কোনো কোনোটি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি হলেও এসব দেশ ভালো অবস্থানে আছে। কিন্তু বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.। ছোট এই দেশে যখন ১৪২.৩ মিলিয়ন জনসংখ্যার বসতি, তখন এ দেশটি বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়। উদ্দীপকের অন্যান্য দেশের সাথে বাংলাদেশের জনসংখ্যার তুলনামূলক আলোচনা করলে এ দেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি বলাই যেতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
34
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবিকা অর্জনের জন্য স্ব-উদ্যোগে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত থাকাই হলো আত্মকর্মসংস্থান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
73
উত্তরঃ

একটি দেশের জনসংখ্যার মধ্যে মৃত্যুর শতকরা অংশকে 'মৃত্যুহার বলে। মৃত্যুহার জনসংখ্যাকে হ্রাস করে বলে জন্মহার অপেক্ষা মৃত্যুহার বেশি হলে জনসংখ্যা হ্রাস পায়। আবার জন্মহার অপেক্ষা মৃত্যুহার কম হলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন কারণে মৃত্যুহার হ্রাস পাওয়ায় বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
88
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি পাস করে গ্রামে এসে মৎস্য খামারের কাজ শুরু করে। বর্তমানে একজন উচ্চশিক্ষিত ছেলে গ্রামে এসে মৎস্য চাষ করবে, এটা কেউ ভাবতেই পারে না। কারণ, এত কষ্ট করে পড়াশোনা করে কেউ গ্রামে গিয়ে মৎস্য চাষ করতে চায় না। তেমনি অধ্যক্ষ সাহেবও চাননি। কিন্তু অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে চায় নিজের উদ্যোগে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে। যেকোনো চাকরি করতে গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অধীনে কাজ করতে হয়। তাদের কথামতো সব কাজকর্ম করতে হয়। নিজের কোনো স্বাধীনতা থাকে না। কিন্তু যখন নিজের উদ্যোগে কোনো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, তখন আর কারও অধীন থাকতে হয় না। নিজের স্বাধীনতা বজায় রেখেই কাজ করা যায়।

অতএব বলা যায়, উল্লিখিত কারণেই অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে এমএসসি পাস করেও গ্রামে এসে নিজ উদ্যোগে মৎস্য খামারে কাজ শুরু করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
60
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি হচ্ছে আত্মকর্মসংস্থান। নিচে আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করা হলো-

জীবিকা অর্জনের জন্য স্ব-উদ্যোগে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত থাকাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে। একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক ব্যক্তি বেকারত্ব লাঘবে স্বাধীনভাবে কোনো উৎপাদনকর্মে নিয়োজিত হলেই তাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে অভিহিত করা হয়। বাংলাদেশের মতো জনাধিক্যের দেশের সব শ্রমশক্তিকে প্রচলিত ধারায় কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া সম্ভম্ব নয়।
বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। বেকারত্বের কারণে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কম। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান তৈরি করার মতো মূলধন সরকারের না থাকায় আত্মকর্মসংস্থান সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনায় চাপ কমায়। বেকারত্ব ও দরিদ্রতা সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দেয়, তাই আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য দূর করতে
পারলে সামাজিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকার জনগোষ্ঠী উন্নয়নকাজে অংশগ্রহণ করলে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়।

উপর্যুক্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের মতো জনবহুল উন্নয়নশীল দেশে আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
59
উত্তরঃ

জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্ণয়ের সূত্রটি হলো, DP = TPTA যেখানে, DP = জনসংখ্যার ঘনত্ব, TP = মোট জনসংখ্যা, TA = মোট আয়তন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
96
উত্তরঃ

যে জনসংখ্যায় একটি দেশের উৎপাদন ও আয় সর্বোচ্চ হয়, তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে। একটি দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ, মূলধন ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে জনসংখ্যা যে আয়তন/পরিমাণ দ্বারা সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয় অর্জিত হয়, সেই জনসংখ্যার আয়তন/পরিমাণকে কাম্য জনসংখ্যা বলা হয়। কাম্য জনসংখ্যায় মোট জনসংখ্যা ও কর্মজীবী জনসংখ্যার অনুপাত স্থির থাকে। তাই উক্ত জনসংখ্যায় পূর্ণ নিয়োগ অবস্থা বর্তমান থাকে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
108
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews