এ আমার শৈশবের নদী, এই জলের প্রহার

সারা দিন তীর ভাঙে, পাক খায়, ঘোলা স্রোত টানে

যৌবনের প্রতীকের মতো অসংখ্য নৌকার পালে

গতির প্রবাহ হানে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

'মুক্তির স্বর্ণদ্বার' বলতে মূলত সমাজ ও জীবনের জড়তা থেকে মুক্তি পেয়ে গতিময় জীবনের সম্ভাবনা নির্দেশ করা হয়েছে।
পদ্মা দুরন্ত স্রোতের অধিকারী। তার দুর্বার গতি স্থবিরতার মাঝে উদ্দীপনা জাগায়। মানুষের গতিহীন, স্তব্ধ মনে গতির সঞ্চার হয় পদ্মার উদ্দাম প্রবাহ দেখে। পদ্মার উপর নির্ভর করে নদীতীরের মানুষের জীবন। তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও গতি এনে দেয় পদ্মার গতিবেগ। অর্থাৎ পদ্মার প্রমত্ত ধারা যেন মানুষকে সব জড়তা থেকে মুক্ত হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়। এ বিষয়টি বোঝাতেই আলোচ্য কবিতায় পদ্মাকে মুক্তির স্বর্ণদ্বার বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

নদীর প্রমত্ত রূপ বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে উদ্দীপক ও 'পদ্মা' কবিতার সাদৃশ্য তৈরি হয়েছে।
'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর কল্যাণময়ী রূপের পাশাপাশি এর প্রমত্ত ও ভয়ংকর রূপ উন্মোচিত হয়েছে। কবিতায় পদ্মা দুরন্ত এক নদীর নাম। দুর্বার তার গতিপ্রবাহ। ঢেউয়ের ছলাৎ ছলাৎ শব্দে মাতিয়ে রাখে চারপাশ। কখনো মানুষের মনে জাগিয়ে তোলে অনিঃশেষ ভয় ও শঙ্কা।, ভাসিয়ে দেয় চরাচর।
উদ্দীপকে কবি তার শৈশবের নদীর স্মৃতিচারণ করেছেন। নদীর তীর ভাঙার শব্দ, ঘোলা স্রোত তাঁর স্মৃতিপূটে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। যৌবনের প্রতীকের মতো নৌকার পালে গতির প্রবাহ কবিকে নাড়া দেয়। একইভাবে, 'পদ্মা' কবিতায়ও আমরা পদ্মার দুর্বার স্রোত ও ঘূর্ণির দৃশ্য দেখি। এ কবিতায় পদ্মার গতিময়তা ও খরস্রোত মূলত তারুণ্যের প্রতীক। এখানেই উদ্দীপক ও 'পদ্মা' কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক ও 'পদ্মা' কবিতায় নদীর সঙ্গে জনজীবনের গভীর সম্পর্কের স্বরূপ বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ বলেই প্রতীয়মান হয়।-
'পদ্মা' কবিতায় ফররুখ আহমদ পদ্মা নদী ও এর সঙ্গে জড়িত মানুষের জীবনের চিত্র এঁকেছেন। পদ্মার দুই পাড়ের মানুষ ফসলের সমারোহ সৃষ্টিতে কর্মব্যস্ত সময় কাটায়। পদ্মার উত্তাল ঢেউ মানুষের মনে উচ্ছলতার বান এনে দেয়। জীবনযাত্রা থেকে বিদায় নেয় সব জড়তা ও গ্লানি।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কবির শৈশবের নদী জলের প্রহারে তীর ভাঙে। ঘোলা স্রোত বয়ে চলে নিরন্তর। নদীর প্রবহমানতা কবির স্মৃতিতে সমুজ্জ্বল। সেই জলপ্রবাহে ভেসে চলে তারুণ্যদীপ্ত নৌযান। অর্থাৎ এখানে নদীর প্রবহমানতা ও গতিময়তার দিকটি গুরুত্ব পেয়েছে, যা নদীর তীরবর্তী মানুষদের জীবনকেও প্রভাবিত করে।
'পদ্মা' কবিতায় আমরা দেখি পদ্মার প্রমত্ত রূপ, উত্তাল ঘূর্ণি, যা অভিজ্ঞ জলদস্যুর মনেও ভীতি সঞ্চার করে। পদ্মার স্রোতে চারপাশ হয়ে ওঠে সবুজ শস্যময়, যা পদ্মা-তীরবর্তী মানবজীবনকেও কর্মচঞ্চল করে তোলে। উদ্দীপকেও নদীর গতি ও প্রবহমানতা কবির জীবনে গতি এনেছিল।
এ পরিপ্রেক্ষিতে 'নদীর গতিধারা জনজীবনেও গতিসঞ্চার করে'- এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
44

অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে চের সমুদ্রের স্বাদ, 

জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর

কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ 

তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর। 

সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল

কঠিন শ্রমের ফল শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর;

উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল

 জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়, নির্ভীক জওয়ান 

সবুজের সমারোহে জীবনের পেয়েছে সম্বল।

বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান, 

অসংখ্য জীবন, আর জীবনের অজস্র সম্ভার, 

হে নদী! জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান,

মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণবার 

তোমার সুতীব্র গতি। তোমার প্রদীপ্ত স্রোতধারা ॥

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয় নিভীক জওয়ান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
197
উত্তরঃ

'মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার'- বলতে মূলত স্থবির জনজীবনে পদ্মার গতি সঞ্চারের দিকটিকে বোঝানো হয়েছে।
পদ্মা তীব্র স্রোতঃস্বিনী নদী, প্রবল তার ঘূর্ণি। অশেষ তার উদ্দামতা। পদ্মার তীব্র বেগ ও গতি জনজীবনেও গতির প্লাবন নিয়ে আসে। জড় সমাজ যেন জেগে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে। পদ্মার তীব্র গতি মানুষের জীবনপ্রবাহের গতিহীন স্তন্দ্বতার বুকে এনে দেয় মুক্তির স্পন্দন। এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
296
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত প্রমত্ত পদ্মার বিধ্বংসী আচরণের সামঞ্জস্য লক্ষ করা যায়।
পদ্মা বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী। তীব্র গতিবেগ ও স্রোতের উদ্দাম নৃত্য এ নদীকে ভিন্নমাত্রা দিয়েছে। পদ্মা যেন তার গতিবেগ দিয়ে জনজীবনের গতি নিয়ে আসে। তবে বর্ষা মৌসুমে এ নদীর প্লাবনে মানুষের জানমালের অনেক ক্ষতি হয়। এর সুতীব্র স্রোত ভাসিয়ে নেয় মানুষের সাজানো বাগান, জনজীবন। 'পদ্মা' কবিতায় কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী রূপের পরিচয় দিয়েছেন।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর প্রলয়ংকর রূপটি দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। পদ্মার তুফান দেখে তীরবর্তী মানুষের অন্তর কেঁপে ওঠে। পদ্মায় যে সর্বনাশা
ঝড় তৈরি হয় তা প্রাণঘাতী হতে পারে নিমেষেই। উড়িয়ে নিতে পারে ঘরবাড়ি। একইভাবে, 'পদ্মা' কবিতায়ও কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী
রূপের অবতারণা করেছেন। পদ্মার স্রোতে মানুষের সাজানো বাগান ভেসে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে এ কবিতাটিতে। শুধু তাই নয়, জীবনের
অজস্র সম্ভারও হুমকির মুখে পড়ে পদ্মার করাল গ্রাসে। উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার এ দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
101
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কেবল পদ্মা নদীর বিধ্বংসী রূপটি ফুটে ওঠায় তা আলোচ্য কবিতার আংশিক রূপায়ণ।
পদ্মা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ নদী। স্বকীয় ভঙ্গিতে ঢেউ তুলে উদ্দাম গতিতে এ নদী নিরন্তর ছুটে চলে। জনজীবনে সঞ্চার করে গতি। ঝিমিয়ে পড়া জীবনও যেন পদ্মার প্রাণপ্রবাহে জেগে ওঠে। বর্ষাকালে নদীতীরের জনপদের জন্য পদ্মা ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হয়। এভাবে আলোচ্য কবিতাটিতে পদ্মা নদীর বিধ্বংসী ও কল্যাণময়ী দুই রূপই চিত্রিত হয়েছে।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর নেতিবাচক দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। পদ্মার দুরন্ত তুফান দেখে মানুষের প্রাণ আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। জীবননাশের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ তটস্থ হয়ে পড়ে। এভাবে উদ্দীপকটিতে কেবল পদ্মার সংহার রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। পক্ষান্তরে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটি দিকই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
আলোচ্য কবিতায় পদ্মা যেমন নির্মম ও প্রলয়ংকর রূপে উপস্থিত, তেমনি আশপাশের অঞ্চলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে মানুষের অন্ন সংস্থানেও পদ্মাকে ভূমিকা রাখতে দেখা যায়। পদ্মা এখানে স্রোতের বেগে মানুষের সাজানো বাগান, জীবনের অজস্র সম্ভার ভাসিয়ে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, পদ্মার পলি পড়া চরে চাষাবাদ করে সংগ্রামী মানুষ সোনার ফসল ফলায়। পেয়ে যায় জীবনের সম্বল। উদ্দীপকে পদ্মা নদীকে শুধু প্রলয়ংকর রূপেই চিত্রিত করা হয়েছে। পদ্মার কল্যাণময়ী রূপটি এখানে দৃশ্যমান নয়। অন্যদিকে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার নির্মম রূপের পাশাপাশি মমতাময়ী রূপটিও দৃশ্যমান। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
112
উত্তরঃ

পদ্মা' একটি সার্থক সনেট বা চতুদর্শপদী কবিতা।
'পদ্মা' কবিতায় প্রথম চারটি স্তবক তিন পঙ্ক্তিযুক্ত এবং শেষের স্তবকটি দুই পঙ্ক্তিতে বিন্যস্ত। চৌদ্দ চরণবিশিষ্ট কবিতাটির প্রতিটি পত্তি ১৮ - মাত্রার। কবিতাটির মিল বিন্যাস- কখক খগখ গঘগ ঘঙঘ ঙঙ। পুরো কবিতাটি পদ্মা নদীকে নিয়ে মূলত একটি অখণ্ড ভাবের দ্যোতনা দেয়। কবিতাটিতে বিশেষ ধরনের অন্ত্যমিল রক্ষিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
137
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews