এ ধরনের একটি নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণ কর।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নির্বাচনটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের বহিঃপ্রকাশ। এ নির্বাচনে নানা কারণে যুক্তফ্রন্টের বিজয় ও মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় ঘটে।

অবিভক্ত ভারতে ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব বিপুল জনপ্রিয়তা লাভকরে। লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে ১৯৪৬ সালে বিজয়ী হয়ে মুসলিম লীগের গণরাষ্ট্রসমূহের পরিবর্তে শুধু 'রাষ্ট্র' শব্দটি সংস্থাপন করেন। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মতে, 'States' এর 's' অক্ষরটি ভুল করে লেখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শব্দে কিছু যায় আসে না, উদ্দেশ্যই আসল' আবুল হালিমসহ অবিভক্ত বাংলার অনেক নেতৃবৃন্দ 'লাহোর প্রস্তাব'-এর আদর্শ হতে সরে আসার বিরোধিতা করেন। ১৯৪৬ সালে যে ক্ষোভ জমা হয়, ১৯৫৪ সালে সে ক্ষোভ গোপন ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে বিস্ফোরিত হয়।

পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বের মুসলিম লীগ ও পাকিস্তান সৃষ্টির পরে মুসলিম লীগের মধ্যে বিশাল পার্থক্য ছিল। পাকিস্তান সৃষ্টির কৃতিত্ব জাহির করতে গিয়ে মুসলিম লীগের মর্যাদাকে রাষ্ট্রের সমপর্যায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

বাঙালিদের মনে ভাষা আন্দোলন যে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছিল 'মুসলিম লীগ' ভাষা উন্নয়ন বা জাতীয় উন্নয়নে সে ক্ষত সারিয়ে তুলতে পারেনি। ফলে মুসলিম লীগের বিপর্যয় নেমে আসে।

সংকট, লবণ সংকট ও বন্যা সমস্যার মতো জাতীয় সংকটে তারা জনগণের পাশে ছিলেন না। ফলে মুসলিম লীগের প্রতি জনসাধারণের আস্থা রাখতে পারেনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যবিত্ত শ্রেণির ছাত্ররা ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এবং তারা যুক্তফ্রন্টের পক্ষে কাজ করে।
একুশের চেতনা বাঙালির মনে একটি স্থায়ী আসন করে নেয়। বৃত্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচি জনগণের আস্থা অর্জন করে এবং মানুষ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
139
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

শহিদ মিনার নির্মাণের উদ্দেশ্য হলো ভাষাশহিদদের স্মরণ ও ভাষার প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন।
১৯৫২ সালের ভাষার জন্য শহিদ হওয়া ব্যক্তিদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও তাদের স্মৃতিসংরক্ষণের জন্য ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ শুরু করে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের বাবা তা উদ্বোধন করেন। কিন্তু পুলিশ ও সেনাবাহিনী তা ভেঙে ফেললে ১৯৫৭ সালে বর্তমান স্থানে শহিদ মিনার স্থাপন শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
506
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মানভূমের ভাষা আন্দোলনের সাথে আমার * পঠিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাদৃশ্য খুঁজে পাই।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মানভূমের বাঙালিদের মধ্যে ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলন গড়ে ওঠে। এসময় রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরের হিন্দি ভাষা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ আন্দোলনের সাথে আমার পঠিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের * সাদৃশ্য লক্ষণীয়। অনুরূপ ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬.৪০% মানুষের মুখের ভাষা বাংলার পরিবর্তে মাত্র ৭.২০% মানুষের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা এসে ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। তাছাড়া ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে ঘোষণা করলে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন নতুন মাত্রা ও সর্বাত্মক রূপলাভ করে। এ সময়ে তমদ্দুন মজলিস ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক হরতাল আহূত হলে স্থানীয় প্রশাসন ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ১ মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে এবং সকল সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়। সরকারের এ ঘোষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা মিছিল বের করলে পুলিশের গুলিতে সালাম, আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার শহিদ হন। যার ফলে বিশ্ব ইতিহাসে ভাষার জন্য আন্দোলনের এক অবিনশ্বর ইতিহাস রচিত হয়।

অতএব উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে পূর্ব-বাংলার ভাষা আন্দোলনের মিল পরিলক্ষিত হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদ উজ্জীবিত হয় যা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূলমন্ত্র ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
373
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বাংলা ভাষা আন্দোলনে 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল' উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটায়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি সর্বপ্রথম নিজেদের স্বতন্ত্র সত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়। আর এ চেতনাই পরবর্তীতে প্রতিটি গণআন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগায় এবং সকল বৈষম্য থেকে মুক্তির পথ সুগম করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে শাসক দল মুসলিম লীগের সকল বৈষম্যমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে গণরায় প্রদানের মাধ্যমে যুক্তফ্রন্টকে জয়ী করে। বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত বাঙালি জাতি পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বাধিকারের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। সর্বোপরি এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাই ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯৫২ সালে। বাঙালি জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা অর্জন করে তার ধারাবাহিকতাতেই স্বাধীনতা অর্জন করে।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা দেয় তার মধ্যে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল। তাই উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
700
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। কাল রাত বলতে নৃশংস ও ভয়ংকর রাতকে বোঝানো হয়। ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে বাঙালি জাতির উপর যে জঘন্য ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় এ রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। এ রাতে অসংখ্য নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করা হয় এবং ঢাকা শহরের রাস্তায় লাশের স্তূপ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
548
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews