উদ্দীপকে বর্ণিত এই ধরনের অর্থাৎ তামিম ইকবাল যে প্রক্রিয়ায় বলের আঘাতে ব্যথা অনুভব করেছে সে প্রক্রিয়ায় সংবেদনের সাথে প্রত্যক্ষণের সম্পর্ক বিদ্যমান।
কোনো বিষয় বা বস্তু সম্বন্দ্বে প্রাথমিক চেতনাই হলো সংবেদন। আর সংবেদনকে যখন ব্যাখ্যা বা অর্থবোধক করা হয় তখনই তা হয়ে উঠে প্রত্যক্ষণ। হেনরি এল. রডিজার এবং তার সহযোগীরা বলেন, 'সংবেদন বলতে পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা গ্রহণকে বোঝায়, অপরপক্ষে প্রত্যক্ষণ ওই উদ্দীপনার ব্যাখ্যা ও অর্থবোধক বর্ণনা প্রদান করে।'
সংবেদন ও প্রত্যক্ষণকে আমরা আলাদাভাবে না দেখে বরং বলতে পারি এরা একই লম্ব দিগন্তের দুটি বিন্দু, কোনো উদ্দীপক যখন কোনো একটি বিশেষ ইন্দ্রিয়যন্ত্রে আঘাত করে তখন আশ্চর্যজনকভাবে দ্রুতগতিতে তা ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে প্রত্যক্ষণের সৃষ্টি হয়। তাই সংবেদন ও প্রত্যক্ষণের মধ্যে সীমারেখা তৈরি করা সম্ভব নয়।
বাগানে পায়চারী করতে করতে হঠাৎ একটি তীক্ষ্ণ (চোখা) বস্তু পায়ের নিচে পড়াতে তীব্র ব্যথা অনুভূত হলো। তীব্র ব্যথার এই অনুভূতিই হলো সংবেদন। আর যখন বোঝা গেল যে, একটি লোহার পেরেক পায়ে ফোটাতেই এই ব্যথা অনুভূত হয়েছে, তখনই তা প্রত্যক্ষণে পরিণত হলো।
উদ্দীপকে বর্ণিত এই ধরনের অর্থাৎ তামিম ইকবাল যে প্রক্রিয়ায় বলের আঘাতে ব্যথা অনুভব করেছে সে প্রক্রিয়ায় সংবেদনের সাথে প্রত্যক্ষণের সম্পর্ক বিদ্যমান।
কোনো বিষয় বা বস্তু সম্বন্দ্বে প্রাথমিক চেতনাই হলো সংবেদন। আর সংবেদনকে যখন ব্যাখ্যা বা অর্থবোধক করা হয় তখনই তা হয়ে উঠে প্রত্যক্ষণ। হেনরি এল. রডিজার এবং তার সহযোগীরা বলেন, 'সংবেদন বলতে পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা গ্রহণকে বোঝায়, অপরপক্ষে প্রত্যক্ষণ ওই উদ্দীপনার ব্যাখ্যা ও অর্থবোধক বর্ণনা প্রদান করে।'
সংবেদন ও প্রত্যক্ষণকে আমরা আলাদাভাবে না দেখে বরং বলতে পারি এরা একই লম্ব দিগন্তের দুটি বিন্দু, কোনো উদ্দীপক যখন কোনো একটি বিশেষ ইন্দ্রিয়যন্ত্রে আঘাত করে তখন আশ্চর্যজনকভাবে দ্রুতগতিতে তা ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে প্রত্যক্ষণের সৃষ্টি হয়। তাই সংবেদন ও প্রত্যক্ষণের মধ্যে সীমারেখা তৈরি করা সম্ভব নয়।
বাগানে পায়চারী করতে করতে হঠাৎ একটি তীক্ষ্ণ (চোখা) বস্তু পায়ের নিচে পড়াতে তীব্র ব্যথা অনুভূত হলো। তীব্র ব্যথার এই অনুভূতিই হলো সংবেদন। আর যখন বোঝা গেল যে, একটি লোহার পেরেক পায়ে ফোটাতেই এই ব্যথা অনুভূত হয়েছে, তখনই তা প্রত্যক্ষণে পরিণত হলো।
Related Question
View Allসংবেদন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার সাহায্যে ইন্দ্রিয় যন্ত্র, যেমন-চক্ষু ও কর্ণ পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে
এলোমেলো উদ্দীপনাকে সংঘবদ্ধরূপে বা সুশৃঙ্খলভাবে প্রত্যক্ষণ করাকে প্রত্যক্ষণের সংগঠন বলে।
সংগঠন হলো প্রত্যক্ষণের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। আমরা যা প্রত্যক্ষণ করি তা প্রকৃত বস্তু থেকে যে উদ্দীপকে লাভ করে তা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিভিন্ন বস্তু থেকে যে উদ্দীপনা লাভ করি তা এলোমেলো উদ্দীপনাকে সমন্বয়সাধন ও একত্রীকরণ করার পর এর একটি প্যাটার্ন দাঁড় করানো হয়। ফলে বস্তুটিকে আমরা অর্থপূর্ণভাবে প্রত্যক্ষণ করি। এভাবে প্রত্যক্ষণের সংগঠন হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে রাহার মধ্যে মনোযোগের নির্বাচন ধর্মীতা, পরিবর্তনশীলতা এবং প্রান্ত ও কেন্দ্র বৈশিষ্ট্যসমূহ ফুটে উঠেছে।
আমাদের মনোযোগ সর্বদাই নির্বাচন ধর্মী। একই সময়ে একই, স্থানে একাধিক জিনিস থাকলেও যে জিনিসটি বেশি আকর্ষণীয় তাকেই আমরা নির্বাচন করে থাকি। যেমন- ঝলমলে সুসজ্জিত কোনো মঞ্চে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপবিষ্ট আছেন; কিন্তু যখন প্রধান নেতা আসেন এবং বক্তব্য রাখেন তখন সবকিছু বাদ দিয়ে আমরা তার বক্তব্য শুনে থাকি। একসাথে বহুসংখ্যক উদ্দীপক আমাদের গ্রাহক ইন্দ্রিয়ে আঘাত করে। তখন যে বস্তুটি আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে সেটি কেন্দ্রে থাকে আর বাকি সকল উদ্দীপকের অবস্থান থাকে আমাদের মনোযোগের প্রান্তে।
দৃশ্যমান উদ্দীপকের বর্ণনা থেকে দেখতে পাই, রাহা সমুদ্রতীরে বেড়াতে গিয়ে লক্ষ্য করে কিছু ছেলে বল খেলছে। রাহার দৃষ্টি বলের দিকে। সেক্ষেত্রে রাহার মনোযোগের পরিবর্তনশীলতা ফুটে উঠেছে তা বলা যায়, কেননা, খেলা চলাকালীন বল খুব দ্রুত একজনের পা থেকে অন্যজনের পায়ে চলে যায়। বল যখন যার পায়ে থাকে তার প্রতি আমরা মনোযোগ দেই। বলের অবস্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের মনোযোগও পরিবর্তিত হয়। উদ্দীপকের রাহার ক্ষেত্রে দেখা যায়, সমুদ্রতীরে অনেক ঘটনার মধ্যে সে খেলা দেখাকে পছন্দ করে। এটা হলো তার নির্বাচনধর্মীতা। খেলা দেখার সময়ে শুধু বলের সাথে তার চোখ থাকে এবং অন্যান্য খেলোয়াড় ও দর্শক থাকে মনোযোগ থেকে দূরে। একে বলে মনোযোগের কেন্দ্র ও প্রান্ত। রাহার ক্ষেত্রে মনোযোগের নির্বাচনধর্মীতার কেন্দ্র ও প্রান্ত এবং পরিবর্তনশীলতার বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। বল খেলা দেখার সময়ে সাইরেনের শব্দে সমুদ্রের জাহাজের দিকে লক্ষ্য করা রাহার মনোযোগ পরিবর্তনের অন্যতম উদাহরণ।
রুমার মধ্যে আকার, নতুনত্ব, রঙিন বস্তু এবং বেলীর মধ্যে আগ্রহ ও প্রেষণার মতো মনোযোগের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শর্তাবলি বিদ্যমান রয়েছে।
নতুনত্ব তথা যে কোনো নতুন পরিবেশ আমাদের মনোযোগকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। আবার কোনো বস্তু বা প্রাণীর আকারও আমাদের মনোযোগ আকর্ষণের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন-একদল গরুর মাঝে একটি বিশাল আকৃতির হাতি থাকলে তা সহজেই আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। এছাড়া রঙিন বস্তুর আমাদের মনোযোগ আকর্ষণের তীব্র ক্ষমতা রয়েছে। এজন্য রাস্তার ট্রাফিক সিগনালের লালবাতি অনেকদূর থেকে দেখা যায়। উদ্দীপকের রুমাকে সমুদ্র তীরের ঝাউগাছ, বিভিন্ন রঙের ফেস্টুন ও হাতি বিমোহিত করেছে এখানে ঝাউগাছ পরিবেশের নতুনত্ব সৃষ্টি করে। বিভিন্ন রঙের ফেস্টুন রঙিন বস্তু হিসেবে এবং বিশাল আকৃতির হাতি তার আকারের মাধ্যমে রুমার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।
উদ্দীপকের দিকে লক্ষ করলে দেখা যায়, বেলী সমুদ্র সৈকতের দোকানগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখছে। কারণ তার জামা ও পুঁতিরমালা কিনতে হবে। এক্ষেত্রে বেলীর আগ্রহ ও প্রেষণা তার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। কেননা, যার যে বিষয়ে আগ্রহ তার মনোযোগ সেই বিষয়েই বেশি। এজন্য দৈনিক সংবাদপত্রে ক্রীড়াপ্রেমী ব্যক্তি খেলার খবর দেখেন, আর ব্যবসায়ী দেখেন দ্রব্যের বাজার দর। আবার, যার তৃষ্ণা পায় সে তৃষ্ণা মেটাবার পানি খুঁজে, খাবার নয়। একইভাবে বেলীর ইচ্ছা ছিল সমুদ্র পাড়ে দোকান থেকে জামা এবং পুঁথি কেনার। এজন্য সে আগ্রহ সহকারে দোকানগুলো দেখছে। বেলীর ক্ষেত্রে মনোযোগের আগ্রহ ও প্রেষণা শর্ত কাজ করছে।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের রুমা ও বেলীর মনোযোগের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন শর্ত কাজ করেছে।
আমাদের একটি বস্তুর প্রত্যক্ষণ যখন বস্তুটির সত্যিকার আকৃতিগত বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে না তখন অধ্যাস ঘটে।
আবেগ ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কারণে সৃষ্ট হয়ে বলে অর্থাৎ জৈবিক উপাদান হিসেবে প্রত্যক্ষণকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
ব্যক্তির প্রত্যক্ষণ তার আবেগ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। আবেগের দ্বারা প্রভাবিত হলে ব্যক্তি পক্ষপাত দোষে দুষ্ট হতে পারে। ভাবাবেগের দ্বারা পরিচালিত হলে কালো কুৎসিত রমণীও আকর্ষণীয় বলে মনে হয়। আবার, আবেগের কারণেই সুন্দরী ও গুণবতী রমণীকেও অসুন্দর বলে মনে হতে পারে এবং ঐ রমণীর সাথে সম্পর্কযুক্ত সকলকেই খারাপ বলে মনে হবে। আবেগের সময় যা ভালো মনে হয়, আবেগ প্রশমিত হলে তা ভালো নাও লাগতে পারে। এভাবে আবেগ প্রত্যক্ষণকে প্রভাবিত করে থাকে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!