১০৭ দরগাপাড়া, রাজশাহী
২ মার্চ ২০২৫
প্রিয় বিভা
শুভেচ্ছা নিস। অনেক দিন তোর কোনো চিঠি পাই না। পরীক্ষার পর অবকাশের সময়টা নিশ্চয়ই উপভোগ করছিস।
কদিন আগে পাহাড়পুরে মামাবাড়িতে গিয়েছিলাম। ছোটো মামার সঙ্গে ঘুরতে গেলাম সোমপুর মহাবিহারে। সে এক চমৎকার জায়গা। আমরা যখন বিহারে পৌঁছালাম তখন সকাল ১০টা। আলো ঝলমলে সুন্দর এক সকাল। সেখানে গিয়ে মনে হলো, আমি হাজার বছর আগে চলে গেছি। যেন চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছি ধ্যানমগ্ন বৌদ্ধ সাধকদের। একসময় কত প্রাণচাঞ্চল্যই না ছিল এখানে। বিহারের ১৭৭টা প্রকোষ্ঠে সাধনা ও বসবাস করতেন বৌদ্ধ সাধকরা। আজ সেসব কালের সাক্ষী হয়ে পড়ে রয়েছে।
বিহারের সঙ্গেই রয়েছে একটা জাদুঘর। ধ্বংসস্তূপ থেকে পাওয়া বৌদ্ধমূর্তি, শিলালিপি, নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী, পোড়ামাটির ফলক, মুদ্রা, অলংকারসহ নানা প্রাচীন নিদর্শন সংরক্ষিত আছে এ জাদুঘরে। সারা দিন আমরা বিহারেই ছিলাম। সেখানে একটা কটেজের মতো খাবার ঘর আছে। দুপুরের খাবার সেখানেই খেলাম। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ এই বিহার আর জাদুঘর দেখে মুগ্ধ হয়ে সন্ধেবেলা বাড়ি ফিরলাম। সুযোগ পেলে তুইও একবার ঘুরে আসিস। আজ আর নয়। চাচা-চাচিকে আমার সালাম জানাস। চিঠির উত্তর দিস।
ইতি
তোর বন্ধু
সাবিহা
[এখানে প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা সংবলিত খাম আঁকতে হবে।]
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!