গল্পকথক পদ্মবিলে শিকার করতে যেতে না চাইলেও বুলু ও টুলুর জোরাজুরিতে শেষপর্যন্ত শিকার করতে যেতে হয়।
কিশোর ছেলেটি চৌধুরী বাড়ি যাওয়ার সময় জানতে পারে বিয়ের তারিখ একদিন পিছিয়েছে। রাত্রে সেখানে বিশ্রাম করলেও পরের দিন সকালে চৌধুরী বাড়ির দুইজন ছেলে এসে কিশোরকে পদ্মবিলে শিকার করতে যেতে বলে। কিশোরটি নানা রকম অজুহাত, যুক্তিতর্ক দেখায় বনে যেয়ে প্রাণিহত্যা না করার জন্য। তবে ছেলে দুইটি ছিল নাছোড়া বান্দা। তারা তাকে বনে নিয়ে যাওয়ার জন্য আরও বেশি পীড়াপীড়ি শুরু করে।
বুলু ও টুলুর পীড়াপীড়িতে কিশোর ছেলেটি যুক্তি দিয়েও অবশেষে হার মেনে তাদের সাথে পদ্মবিলে শিকার করতে যায়।
Related Question
View Allখান মোহাম্মদ ফারাবীর 'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্প থেকে হাস্যরসের মাধ্যমে ঝোঁকের বশে কোনো কাজ না করার শিক্ষা পেয়েছি।
'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পে দেখা যায়, কিশোর ছেলেটি তার মামার বিয়েতে যাওয়ার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে থাকে। কনে বাড়ির ঠিকানা না জেনে কেবল বারো স্টেশন পর নেমে চৌধুরী বাড়ি যাবে ভেবে বাড়ি থেকে রওনা হয়। সঠিক তথ্য না জেনে অনুমাননির্ভর ঠিকানায় গিয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে কী পরিমাণ বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হয় তা আলোচ্য গল্পে দেখা যায়।
সাড়ে বারোটার ট্রেনে না-উঠে কিশোর ছেলেটি তাড়াহুড়া করে স্টেশন ছেড়ে যাওয়া বারোটার ট্রেনে উঠে পড়ে। সে যে কোন সময়ের ট্রেনে উঠেছে, সেটি কোন রুটের ও কী নাম তা সে একবারও খেয়াল করার প্রয়োজন মনে করে না। তাকে ট্রেনে আট-আনা জরিমানাও দিতে হয়। ট্রেনের কামরায় এক ভদ্রলোকের সহযোগিতায় সে অন্য এক চৌধুরী সাহেবের বাড়িতে উপস্থিত হয়। কাকতালীয়ভাবে সেই চৌধুরী সাহেবের মেয়েরও বিয়ে হচ্ছিল। ঝোঁকের বশে ভুল ট্রেনে উঠে পড়া, ভুল ঠিকানায় পৌছানো ও বরযাত্রীরা- তাকে চিনতে না পারা এসবকিছু মিলে সে এক বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। উপরন্তু মামার বিয়েতে ছেলেটির যে আনন্দ করার কথা ছিল তা সে করতে পারে না।
কোনো কাজ সঠিক তথ্য না জেনে করা উচিত নয়। তাড়াহুড়ো করে কোনো কাজ করলে তার ফল যে ভালো হয় না বরং দুর্ভোগ পোহাতে হয় তা এই গল্পটি পড়ে আমি শিক্ষা পেয়েছি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!